২৪, জানুয়ারী, ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০

ছেলে চান বাবার দাফন হোক বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে

সদ্য প্রয়াত গুণী শিল্পী আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের ছেলে সামির আহমেদ প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার কাছে অনুরোধ তার বাবাকে যেন রাজধানীর মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সংরক্ষিত স্থানে দাফন করা হয়। মঙ্গলবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর আফতাব নগরের বাসায় সকালে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন সামির আহমেদ। বীর মুক্তিযোদ্ধা, বরেণ্য সুরকার, গীতিকার ও সঙ্গীত পরিচালক আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল সকালে রাজধানীর আফতাবনগরে নিজ বাসায় মারা যান। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। তার ছেলে সামির আহমেদ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ্য, প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল ১৯৫৭ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দেশের একজন সঙ্গীত ব্যক্তিত্ব। একাধারে গীতিকার, সুরকার এবং সঙ্গীত পরিচালক। ১৯৭০ দশকের শেষ লগ্ন থেকে আমৃত্যু বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পসহ সঙ্গীত শিল্পে সক্রিয় ছিলেন। তিনি রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মান একুশে পদক, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং রাষ্ট্রপতির পুরস্কার-সহ অন্যান্য অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হন। তিনি ১৯৭১ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল ১৯৭৮ সালে মেঘ বিজলি বাদল ছবিতে সঙ্গীত পরিচালনার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন। তিনি স্বাধীনভাবে গানের অ্যালবাম তৈরি করেছেন এবং অসংখ্য চলচ্চিত্রের সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন। সাবিনা ইয়াসমিন, রুনা লায়লা, সৈয়দ আব্দুল হাদি, এন্ড্রু কিশোর, সামিনা চৌধুরী, খালিদ হাসান মিলু, আগুন, কনক চাঁপা-সহ বাংলাদেশি প্রায় সব জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পীদের নিয়ে কাজ করেছেন তিনি। আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল নিয়মিত গান করেন ১৯৭৬ সাল থেকে। এ ছাড়াও আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মান একুশে পদক, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং রাষ্ট্রপতির পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হন।