২৩, অক্টোবর, ২০১৮, মঙ্গলবার | | ১২ সফর ১৪৪০



  • অজানা আতঙ্কে অসহায় সৌদি প্রবাসি বাংলাদেশিরা

    ঢাকা : নতুন নতুন নিয়মের জালে আটকা পড়ছেন সৌদি আরবে আবস্থানরত বাংলাদেশিরা। এ কারণে লাখ লাখ বাংলাদেশি অজানা আতঙ্কে ভুগছেন। যারা ব্যবসা করছেন তারাও হয়ে পড়ছেন তটস্থ। কেউ কেউ তল্পিতল্পা গুছিয়ে দেশের পথে রওনা দিয়েছেন।

    সৌদি আরবে থাকা বাংলাদেশিরা আশঙ্কার কথা জানিয়ে বলেছেন, এই অবস্থা চলতে থাকলে সৌদি আরবের বিশাল শ্রম বাজার হারিয়ে ফেলবে বাংলাদেশ। সৌদি আরবকে তাড়িয়ে দিতে হচ্ছে না, নিয়মের জালে আটকা পড়ে দেশের পথে রওনা দিতে হচ্ছে শ্রমিকদের। ইতিমধ্যে অনেকেই দিচ্ছেনও।

    মদিনা শহরেই বসবাস করেন বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি। ওখানে বাংলা মার্কেট নামে বাঙালি এলাকা রয়েছে। বাংলাদেশিরাই সেখানে ব্যবসা-বাণিজ্য করেন। খেজুর, জায়নামাজ, জুতা, তসবিহসহ নানা পণ্যের দোকানের মালিক ছিলেন বাংলাদেশিরা। কিন্তু গেল কয়েক মাসে ব্যবধানে ওই এলাকায় বাঙালি দোকানের সংখ্যা কমে এসেছে। যে কয়েকটি দোকান রয়েছে সেগুলোও বন্ধ হওয়ার উপক্রম।

    বাংলা মার্কেটে বসবাসরত বাংলাদেশি শ্রমিকরা জানালেন, সৌদি আরবে নতুন নিয়ম চালু হয়েছে ভিনদেশিদের যেসব প্রতিষ্ঠান রয়েছে, সেগুলোতে বাধ্যতামূলক সৌদিয়ান নাগরিকদের চাকরিতে নিয়োগ করতে হবে। পাশাপাশি সরকারের আয়কর বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে দিগুণ থেকে তিন গুণও। এ কারণে মদিনার বাংলা মার্কেট ও আশপাশ এলাকায় হাটলেই চোখে পড়ে অধিকাংশ দোকান বন্ধ।

    মদিনাতে বসবাসরত সিলেটের বালাগঞ্জের আব্দুল কাদির জানালেন, মদিনাতে যারা দোকান দিতেন তারা অনেকেই ব্যবসা গুটিয়ে চলে গেছেন। সরকারের বেঁধে দেয়া নিয়মের কারণে তারা টিকতে পারছেন না বলে দেশে চলে গেছেন। এ কারণে দোকান বন্ধ থাকার দৃশ্যটি চোখে পড়ে বেশি।

    উহুদের ময়দান ও আশপাশ এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য কাজ করেন অন্তত ২০ জন বাংলাদেশি শ্রমিক। প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা করে তারা পরিছন্নতা কর্মী হিসেবে ওখানে কাজ করেন। ওই এলাকার পরিচ্ছন্নতা কর্মী নরসিংদীর বেলাবো এলাকার আব্দুর রহমান। তিনি জানালেন, মাসে তারা ৫০০ রিয়াল বেতনে চাকরি করেন। এই টাকা বাংলাদেশের হিসেবে প্রায় ১২ হাজার টাকা। এতে তারা নিজেরাও খেয়ে বেঁচে থাকতে পারেন না। দেশে টাকা পাঠাবেন কী করে।

    তিনি জানান, প্রতি দুই বছর পরপর তাদের আকামা রি-এন্ট্রি করতে হয়। এতে খরচ পড়ে বাংলাদেশের হিসেবে প্রায় তিন লাখ টাকা। এই টাকা জোগাড় করা অনেক বাংলাদেশির পক্ষে সম্ভব হয় না। এ কারণে অনেকেই অবৈধ হয়ে পড়েছেন। ধরা পড়ে দেশে চলে গেছেন। আব্দুর রহমান জানান, আগে সৌদি আরবে এই নিয়ম ছিল না। সম্প্রতি সৌদিতে থাকা বাংলাদেশিরা এই নিয়মের মধ্য পড়েছেন।

    মক্কার মিসফালাহ এলাকার পাশেই রয়েছে বাঙালিদের বাজার। প্রায় ৭০ বছর ধরে ওই এলাকায় পরিবারপরিজন নিয়ে বসবাস করেন কক্সবাজার এলাকায় দুই ভাই আব্দুল মনাফ ও তাহির আলী। তিন প্রজন্ম ধরে তারা বসবাস করে বাসাবাড়ি বানিয়ে ফেলেছেন। কিন্তু নতুন নিয়মের কারণে তাদের আকামা রি-এন্ট্রি করা সম্ভব হচ্ছে না।

    তাদের কফিলের তরফ থেকে সম্প্রতি সময়ে সহযোগিতা পাচ্ছেন না। ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে তারাও পড়েছেন শঙ্কায়। বললেন, বাঙালি বাজার ও আশপাশ এলাকায় বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশির বসবাস। এখানে ব্যবসাবাণিজ্যে বাংলাদেশিদের আধিপত্য রয়েছে।

    কিন্তু সরকার মুখে কিছু বলছে না, আইন করে বাঙালিদের তাড়িয়ে দিতে শুরু করেছে। এমন কঠিন অবস্থায় অতীতে কখনো বাংলাদেশিরা পড়েননি বলে জানান ওই দুই ভাই। তারাও যেকোনো সময় দেশের পথে রওনা দিতে পারেন বলে আশঙ্কায় রয়েছেন।

    মিসফালাহ এলাকার কবুতর চত্বর ও হেরেম শরীফের বাইরের এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কর্মী হিসেবে অনেক বাংলাদেশি বসবাস করেন। তারা মাসে কোম্পানীর মাধ্যমে মাত্র ৫০০ রিয়াল বেতনে চাকরি করেন। কিন্তু আকামা রি-এন্ট্রি করা নিয়ে তারা আশঙ্কায় রয়েছেন। এত টাকা তাদের পক্ষে যোগাড় করা সম্ভব হচ্ছে না। আবার কফিলও তাদের ওই টাকা দিচ্ছে না।

    কয়েকজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী জানালেন, সৌদি আরবে এখন পরিচ্ছন্নতা কর্মী হিসেবেই বাংলাদেশিদের চাকরি দেয়া হয়। অন্য কোনো পেশায় বাংলাদেশিদের তেমন আধিপত্য নেই। বাংলাদেশিদের চাকরিও দেয়া হয় না। ব্যবসাবাণিজ্য যারা করছিলেন তারা নতুন নিয়মের কারণে ব্যবসা বন্ধ করে দিচ্ছেন। এ কারণে বাঙালি বাজারে ব্যবসায়ীদের সংখ্যা দিন দিন কমেই চলেছে।

    পরিচ্ছনতা কর্মী হিসেবে নিয়োজিত থাকা বাংলাদেশি শ্রমিকরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এভাবে চলছে- সৌদি আরবে কেবল পরিচ্ছন্নতা কর্মী হিসেবে ব্রান্ডিং হতে পারেন বাংলাদেশিরা। এতে করে ইমেজ সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশ।

    জেদ্দা এলাকায় বসবাস করেন সিলেট সদরের বাবুল মিয়া। তিনি জানালেন, ‘আকামা’ সঙ্গে নিয়ে ঘুরলেও কোনো লাভ হয় না। পুলিশ প্রায় সময় আকামা নিয়ে গায়েব করে ফেলে। এরপর ধরে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়। কোনো কারণ ছাড়াই বর্তমানে সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করা হচ্ছে।

    তিনি বলেন, সৌদি আরবে স্থানে স্থানে আছে পুলিশের চেকপোস্ট। এই চেকপোস্টে পুলিশের রোষানলে পড়েন বাংলাদেশি শ্রমিকরাই বেশি। তার কথা প্রমাণ মিললো মক্কার হেরেম শরিফ এলাকায়। ফজরের নামাজের পরপরই বাঙালি অধ্যুষিত মিসফালাহ এলাকায় পুলিশ চেকপোস্ট বসায়। তারা দেখে দেখে আকামা চেক করে।

    এমনকি বাংলাদেশ থেকে ওমরাহ হজ্ব পালনে যাওয়া বাংলাদেশিরাও পড়েন ওই চেকপোস্টে তল্লাশির মুখে। ফলে ওমরাহ পালনে যারা মক্কা যান তাদের সব সময় পাসপোর্ট ও ভিসার কাগজ সঙ্গে রাখতে হচ্ছে। গত ১৫ দিনে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি ওমরাহ পালনে গিয়ে সঙ্গে কাগজপত্র না থাকা বেকায়দায় পড়েন। পরে হোটেল থেকে মুয়াল্লিমের মাধ্যমে কাগজপত্র এনে তাদের ছাড়িয়ে নিতে হয়েছে।

    এমন কঠোর আইন সৌদি আরবে অন্য কারো জন্য নয়। পাকিস্তানি ছাড়াও ইন্দোনেশিয়ার বিপুলসংখ্যক মানুষ ওমরাহ পালনে যান। তারা স্থানীয়ভাবে দেশের এম্বেসির সহযোগিতা পাওয়ার কারণে অনেক স্বাচ্ছন্দ্যে ওমরাহ পালন করতে পারেন। কিন্তু বাংলাদেশ এম্বেসির পক্ষ থেকে সে ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ নেই বলে জানালেন জেদ্দা এলাকায় বসবাসরত বাংলাদেশিরা।

    তারা জানান, কোনো বাংলাদেশির সমস্যা হলে বারবার ধরনা দিলেও এম্বেসির কর্মকর্তাদের দেখা মিলে না। ফলে অসহায় অবস্থায় নিজেদের ঝামেলা নিজেদের মেটাতে হয়। মদিনার করিম আল হেজ্জাজ নামে বাংলাদেশি মালিকানাধীন এক আবাসিক হোটেল আগে পরিচালনা করতেন বাংলাদেশিরা। সম্প্রতি সময়ে ওই হোটেলে বাধ্যতামূলক চাকরি দিতে হয়েছে সৌদির কয়েকজন নাগরিককে। তারাই এখন হোটেল পরিচালনা করেন।

    ফলে মালিকের কর্তৃত্বও দিন দিন বিলুপ্ত হচ্ছে। ওই হোটেলের এক কর্মচারী জানালেন, যেসব সৌদি নাগরিকদের এখানে চাকরি দেয়া হয়েছে, তাদের উচ্চ মূল্যে বেতন দিতে হচ্ছে। এভাবে চললে বেশি দিন ওই মালিকের পক্ষে হোটেল চালানো সম্ভব হবে না। একদিন হোটেল ব্যবসাও গুটিয়ে দেশের পথে রওনা দিতে হবে।

  • নির্বাচনকালীন সরকারের আকার নিয়ে সিদ্ধান্ত শুক্রবার: কাদের

    শুক্রবার আওয়ামী লীগের যৌথসভায় নির্বাচনকালীন সরকারের আকার নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

    মঙ্গলবার সচিবালয়ে সমসাময়িক রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

    আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এবার মন্ত্রিসভার আকারে বড় কোনো পরিবর্তন নাও আনা হতে পারে বলে সোমবার গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে ইঙ্গিত দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    তিনি বলেছেন, “বর্তমান মন্ত্রিসভায় সব দলের প্রতিনিধিই আছেন।”

    নির্বাচনকালীন সরকারের আকার ছোট করা হলে উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর ওই বক্তব্যের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ওবায়দুল কাদের বলেন, “২৬ অক্টোবর সব সিদ্ধান্ত হবে। সেদিন ওয়ার্কিং কমিটি, উপদেষ্টা কমিটি ও পার্লামেন্টারি কমিটির সভা হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “মন্ত্রিসভার আকার ছোট হলে নতুন করে দু’একজন যুক্ত হবেন, আর আকার বর্তমানের মতো থাকলেও দু’একজন যুক্ত হতে পারেন।”

    উল্লেখ্য, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদ এবং সংসদীয় দল (পার্লামেন্টারি পার্টি)’র এক যৌথসভা অনুষ্ঠিত হবে।

    আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন।

  • অবসর ভেঙে মাঠে ফিরছেন ডি ভিলিয়ার্স!

    গত ২৩ মে অবসরের ঘোষণা দেন ৩৬০ ডিগ্রিখ্যাত ডি ভিলিয়ার্স। বিষয়টি ভক্ত-সমর্থকদের কাছে অনেকটা বজ্রপাতের মতো মনে হয়। তবে আবার আশায় বুক বাঁধতে পারেন তার ক্রিকেট ভক্তরা। কেননা, ফের ক্রিকেটে ফিরছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক এবি ডি ভিলিয়ার্স।

    যখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফর্মের চূড়ায় অবস্থান করছেন তখনি বিদায় বলে দেন এবি। তবে সম্প্রতি এবি ডি ভিলিয়ার্সকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে ক্রীড়াবিষয়ক টেলিভিশন চ্যানেল স্পোর্টস তাক।

    চ্যানেলটি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, আগামী জানুয়ারিতে নিজের অবসর নিয়ে নতুন করে ভাবতে পারেন এবি। ফিরতে পারেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। একটি বিশ্বকাপ জেতার মনোবাসনা থেকেই হয়তো ফিরবেন তিনি।

    অবসর নেয়ার সময় অবশ্য ডি ভিলিয়ার্স জানিয়েছিলেন, আর কোন দিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরবেন না। দেশের জার্সি গায়ে আর দেখা যাবে না তাকে।

    ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসে আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ে গড়াবে ক্রিকেট বিশ্বকাপ। এর আগে এবি ডি ভিলিয়ার্সের ফেরার সম্ভাবনার খবর জানিয়ে তার ভক্ত-সমর্থকদের মাঝে বাড়তি আশার সঞ্চারের খবর দিল তাক।

    আর সবার প্রত্যাশাও ২০১৯ আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলুন এ হার্ড হিটিং ব্যাটসম্যান।

    এবি ডি ভিলিয়ার্সর ২০০৪ সালে টেস্ট, ২০০৫ সালে ওয়ানডে এবং পরের বছর টি-টোয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে অভিষেক হয়। চলতি বছরের মার্চে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জীবনের শেষ টেস্ট, ফেব্রুয়ারিতে ভারতের বিপক্ষে শেষ ওয়ানডে খেলেন। আর ঘরের মাটিতে গত অক্টোবরে বাংলাদেশের বিপক্ষে শেষ টি-টোয়েন্টি খেলেন তিনি।

  • ফরিদপুরে পুলিশি অভিযানে আটক ৬৪

    ফরিদপুর জেলায় পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন স্থান থেকে ৬৪ জনকে আটক করা হয়েছে। ফরিদপুর জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় আজ ভোর পর্যন্ত পুলিশ, ডিবি পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরা অভিযান চালায়। এসময় আটক করা হয় ৬৪ জনকে।

    আটককৃতদের কাছ থেকে ৩২৩ পিস ইয়াবা, ১৮০ গ্রাম গাঁজা, ৫ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে জিআর মামলায় ২৪ জন, সিআর মামলায় ২৪ জন, সাজাপ্রাপ্ত আসামি ৩ জন, নিয়মিত মামলায় ৩ জন এবং মাদক মামলায় ১৩ জনকে আটক করা হয়।
    আটককৃতদের বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    পুলিশ সুপার মো. জাকির হোসেন খান জানান, পুলিশের মাদক বিরোধী এ অভিযান চলমান থাকবে।

  • ঘরের মাঠে শুভাশিষের পাঁচ উইকেট

    প্রথম দুই রাউন্ডে নিতে পেরেছিলেন মাত্র ২টি উইকেট, যার ফলে বাদ পড়ে গিয়েছিলেন তৃতীয় রাউন্ড থেকে। তবে চতুর্থ রাউন্ডে দলে ফিরেই আগুন ঝরালেন ডানহাতি পেসার শুভাশিষ রয়। তার বোলিং ঝড়ে মাত্র ১৪৭ রানের সংগ্রহ নিয়েও বরিশালের বিপক্ষে লিড নেয়ার স্বপ্ন দেখছে স্বাগতিক রংপুর।

    রংপুরের ক্রিকেট গ্রাউন্ডে চলমান ন্যাশনাল ক্রিকেট লিগের চতুর্থ রাউন্ডের ম্যাচে নিজেদের প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৪৭ রানে গুটিয়ে গিয়েছে রংপুর। প্রথম দিন শেষে সুবিধা করতে পারেনি বরিশালও। শুভাশিষের তোপে শেষ বিকেলে দুই উইকেট হারায় তারা।

    দ্বিতীয় দিন সকালেও নিজের আগুন ঝরানো বোলিং চালিয়ে নেন ২৯ বছর বয়সী এ ডানহাতি পেসার। একে একে তুলে নেন আল-আমিন, রাফসান আল মাহমুদ ও সোহাগ গাজীর উইকেট। আগের দিন ফিরিয়েছিলেন শাহরিয়ার নাফিস ও শামসুল ইসলামকে।

    প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে এটি শুভাশিষের তৃতীয়বারের মতো পাঁচ উইকেট শিকার। এবারের এনসিএলে এটিই প্রথম। শুভাশিষের সাথে তরুণ পেসার রবিউল হক উইকেট উৎসবে যোগ দিলে বিপর্যয়ে পড়ে যায় বরিশাল।

    এ প্রতিবেদন লেখার দ্বিতীয় দিনের মধ্যাহ্ন বিরতি পর্যন্ত বরিশালের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১২২ রান। রংপুরের প্রথম ইনিংসের রান টপকাতে প্রয়োজন আরও ২৫ রান, হাতে আছে ৩ উইকেট। ১৫ ওভারের স্পেলের ৬ মেইডেনের সাহায্য ৪২ রান খরচায় ৫ উইকেট নিয়েছেন শুভাশিষ। রবিউলের সংগ্রহ অন্য দুই উইকেট।

  • ভুট্টা মাড়াই মেশিন মাত্র ১৪ হাজার টাকায়

    ভুট্টা চাষ লাভজনক হলেও এটি মাড়াই করা কষ্টসাধ্য। ভুট্টা চাষীদের কষ্ট লাঘবের জন্য স্বল্প দামে ভুট্টা মাড়াই মেশিন আনলো ‘ডিএমআরই’নামের একটি প্রতিষ্ঠান। মাত্র ১৪ হাজার টাকায় পাওয়া যাচ্ছে এই মেশিনটি।

    এটি ব্যবহারে কৃষকদের যেমন সময় বাঁচবে তেমনি খরচও কমবে। ভুট্টা মাড়াই করা এই মেশিনটি বিদ্যুৎচলিত। এটি চালানো বেশ সহজ। মেশিনটি দিয়ে এটি দ্রুত ভুট্টার দানা আলাদা করা যায়।

    ২২০ ভোল্ট ও ০.৫ অশ্বশক্তির মোটর সম্পন্ন এই মেশিন পরিচালনার জন্য একজন শ্রমিকই যথেষ্ট। এটি দিয়ে প্রতি ঘন্টায় ১৫০-২০০ কেজি ভুট্টা মাড়াই করা যাবে।

    ‘ডিএমআরই’এর প্রধান নির্বাহী জি.এ.টুটুল ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘ভুট্টা কাটার মেশিনটি মূলত চীন থেকে আমদানি করা। এটি একটি বিদ্যুৎ চালিত দীর্ঘ টেকসই সম্পন্ন সাশ্রয়ী মেশিন। এটি খুব সহজেই বহনযোগ্য।’

    এই মেশিনে ১ বছরের সার্ভিস ওয়ারেন্টি রয়েছে।

    সারাদেশের কৃষকরা অনলাইনের মাধ্যমে ঘরে বসে মেশিনটি কিনতে পারবেন। যারা অনলাইনের মাধ্যমে মেশিনটি কিনবেন তাদেরকে এটি ব্যবহারের কায়দা-কানুনও ভিডিও টিউটোরিয়ালের মাধ্যমে শেখাবে প্রতিষ্ঠানটি।

    বাংলাদেশের যেকোন জায়গা থেকে সরাসরি ফোন করেও অর্ডার করা যাবে। মেশিনটি কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে কৃষকের বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হবে।

    বিস্তারিত জানতে ও অর্ডার করতে ভিজিট করুন এই ঠিকানায়: ওয়েবসাইট: http://www.dmrebd.com

    মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেও মেশিনটি কেনার জন্য অর্ডার করা যাবে। মোবাইল ফোন নম্বর: 01908597470, 01908597471

  • অন্ত:স্বত্ত্বা হওয়ার খবর দিলেন অ্যামি শুমার

    যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা কমিডিয়ান ও অভিনেত্রী অ্যামি শুমার অন্ত:স্বত্ত্বা হওয়ার খবর দিলেন। তাঁর প্রথম সন্তান জন্ম খুব শিগগিরই পৃথিবীতে আসছে বলে জানান তিনি।

    সোমবার অ্যামি তার ইন্সট্রাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করেন। ওই পোস্টে তার স্বামী ক্রিস ফিশারকেও দেখা যায়। অ্যামি বলেন, ‘আমি অন্ত:স্বত্ত্বা’।

    সিউমার একজন বেস্ট সেলিং লেখক হিসেবেও পরিচিত। রাজনৈতিকভাবেও তিনি স্পষ্টবাদী।

    সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মনোনিত দেশটির সর্বোচ্চ আদালতের বিচারক ব্রেট কাভানার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে ক্রিস ফিশারের সঙ্গে অ্যামি সুমারের বিয়ে হয়।

    তথ্যসূত্র: বিবিসি

  • ব্রেক-আপ যন্ত্রণা থেকে মুক্তির ৫ উপায়

    ব্রেক আপ, জীবনের জটিল সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম। একটা বয়সের পর এই সমস্যাকে জীবনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারলেও তরুণ বয়স অনেক সময়ই এই সমস্যার সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে না। অনেকেই হঠকারী সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলতেও পিছপা হন না।

    মনোবিদদের মতে, একটা অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে ওঠা জীবন, একজন বিশেষ মানুষের উপস্থিতিতে দিন গুজরান- এ সব হারিয়ে ফেলার ভয়েই অনেকে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া সহ্য করতে পারেন না। একা থাকার ভয় তাদের ঘিরে ধরে। নিরাপত্তাহীনতাই হঠকারী করে তোলার পথে এগিয়ে নিয়ে যায় তাদের। চলুন জেনে নেওয়া যাক ব্রেক আপের বেদনা দূর করা উপায়-

    ১) এমন পরিস্থিতি সামলানোর মতো ক্ষমতা সবার থাকে না। মনের জোরের উপর নির্ভর করে কে কতটা সহজে এমন সমস্যার সঙ্গে লড়তে পারবেন। যদি মনে হয়, এ সমস্যার মোকাবিলা একা সম্ভব নয়, তা হলে অবশ্যই মনোবিদের সাহায্য নিন। কিছু নিয়মমাফিক চিকিৎসা ও কাউন্সেলিং সহজেই স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনবে।

    ২) সত্যকে স্বীকার করুন সহজেই। জীবনের নানা প্রান্তে নানা ঘটনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। তাই ভবিষ্যতে কী হবে তা নিয়ে ভয় না পেয়ে যা ঘটেছে তাকে সহজেই মেনে নিন। প্রয়োজনে প্রেমের পুরনো স্মৃতি রয়েছে এমন জায়গাগুলো এড়িয়ে যান।

    ২) লেখার অভ্যাস আছে? লেখাও মানসিক চাপমুক্তির একটা মাধ্যম। তাই প্রেম ভাঙলে ফেলে আসা দিনের কথা লিখে ফেলুন কোথাও।

    ৩) খুব বেশি ভাবেন কি? তা হলে সে ভাবনায় রাশ টানুন। যে কোনও বিষয়ে যত বেশি ভাববেন, সে ভাবনা তত বেশি চেপে বসবে মাথায়। চেষ্টা করুন একা সময় না কাটিয়ে, ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে সময় কাটাতে।

    ৪) প্রয়োজনে পুরনো সঙ্গীর নম্বর ফোন থেকে মুছে দিন। সোশ্যাল সাইট থেকেও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করুন। তাতে বারবার তাকে টেক্সট করা বা ফোন করতে চাওয়ার প্রবণতা কমবে।

    ৫) পুরনো সঙ্গী সম্পর্কে খবর দিতে পারে এমন কোনও মানুষ আপনার চারপাশে থাকলে, সদ্য সদ্য প্রেম ভাঙার সময়ে হয় তাকে এড়িয়ে চলুন নয়তো নিষেধ করুন কোনও প্রকার খবরাখবর আপনাকে দিতে। মন স্বাভাবিক হলে ফের যোগাযোগ শুরু করতে পারেন তার সঙ্গে।

    সূত্র: আনন্দবাজার

  • আওয়ামী লীগের যৌথসভা শুক্রবার

    আগামী শুক্রবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদ এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংসদীয় দলের (পার্লামেন্টারি পার্টি) এক যৌথসভা অনুষ্ঠিত হবে। দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপত্বি করবেন।

    আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তা জানানো হয়েছে।

    সভায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন।

  • উনি আমার স্কার্ট তুলে ধরেন, ঠেলে সরানোর চেষ্টা করছি …

    সোনা মহাপাত্র, শ্বেতা পণ্ডিতসহ মোট ৪ জন নারীর পর এবার বলিউডের সঙ্গীত পরিচালক আনু মালিকের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন সঙ্গীতশিল্পী আলিশা চিনয়। যদিও তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা বলেই দাবি করেছেন আনু মালিক। তবে সঙ্গীত শিল্পী আলিশা চিনয়ের কথায় আনু মালিকের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে আসা সব অভিযোগই সত্যি।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে আলিশা বলেন, ‘আনু মালিকের বিরুদ্ধে যে কথা বলা হচ্ছে বা লিখিত যে স্কল অভিযোগ আনা হচ্ছে তার প্রতিটি শব্দ সত্যি। এবিষয়ে আমি আনু মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগকারিণী সকল নারীর পাশে দাঁড়াচ্ছি। আশা করি সেই সকল নারীরা যেন শান্তি খুঁজে পান। ”

    তবে এর আগে, ১৯৯০ সালে আনু মালিকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ এনে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আলিশা। আনু মালিকের সঙ্গীত পরিচালনায় তার গাওয়া বিখ্যাত ও জনপ্রিয় গান ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ মুক্তির ঠিক পরপরেই আনু মালিকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনেছিলেন তিনি। তারপর দীর্ঘদিন আর আনু মালিকের বিরুদ্ধে কাজ করেননি আলিশা। পরবর্তীকালে অবশ্য ২০০৩ সাল ‘ইশক ভিসক’ ছবিতে এক সঙ্গে কাজ করেন। পরবর্তীকালে ‘ইন্ডিয়ান আইডল’-এ আনু মালিকের সঙ্গে বিচারকের আসনেও ছিলেন আলিশা।

    প্রসঙ্গত, আনু মালিকের বিরুদ্ধে একাধিক নারীর যৌন হেনস্থা অভিযোগে পর অনু মালিককে ‘ইন্ডিয়ান আইডল’-এর বিচারকের আসন থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ‘সনি টিভি’র তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় ”আনু মালিক ইন্ডিয়ান আইডলের বিচারকের আসনে থাকছেন না। তবে রিয়েলিটি শোটি যেভাবে চলছে সেভাবেই চলবে। আনু মালিকের বদলে অন্যকোনও সঙ্গীত তারকাকে সেখানে আনা হবে।” ইন্ডিয়ান আইডল কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে শ্বেতা পণ্ডিত।

    সোনা মহাপাত্র ও শ্বেতা পণ্ডিতের পাশাপাশি আনু মালিকের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন আরও এক নারী। তিনি তার ভয়বহ অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করে জানান, তার সঙ্গে আনুর দেখা হয় ১৯৯০ সালে মুম্বাইয়ের মেহবুব স্টুডিওতে। সেখানেই আনু তাকে চেপে ধরেন। পরে ক্ষমা চেয়ে নেন। এখানেই শেষ নয়। আনু মালিকের সঙ্গে তার একটি হয়রানির ঘটনা ঘটে সুরকারের নিজের বাড়িতে।

    সেই নারীর দাবি, ‘নিজের বাড়িতে তার পাশেই সোফাতে বসেছিলেন আনু। বুঝতে পারছিলাম ফাঁদে পড়েছি। কারণ সেই দিন আনুর বাড়ির কেউ ছিলেন না। উনি আমার স্কার্ট তুলে ধরেন। ওকে ঠেলে সরানোর চেষ্টা করছি এমন সময় দরজার বেল বেজে উঠল। সেই ঘটনার পর এনিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে নিষেধ করেন আনু।

    অন্য আর এক নারী যৌন হয়রানির অভিযোগ এনেছেন আনু মালিকের বিরুদ্ধে। তিন জানিয়েছেন, একবার আনু তাকে সিফন শাড়ি পরে তার বাড়িতে আসতে বলেন। তার সঙ্গে কথা বলে বেরিয়ে যাওয়ার সময়ে উনি আমাকে জড়িয়ে ধরেন।