২২, জানুয়ারী, ২০১৮, সোমবার | | ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯

শিরোনাম ভারতে ট্রেনে বাংলাদেশি নারীর শ্লীলতাহানি করল বিএসএফ জওয়ান সৈয়দপুর বিমানবন্দরে যাত্রা শুরু করল রিজেন্ট এয়ারওয়েজ প্রতিদিন চলবে দুটি বিশ্বরেকর্ড গড়তে তামিমের প্রয়োজন মাত্র ৪২ রান! উল্লাপাড়ায় গৃহবধূ কে জোরপূর্বক ধর্ষনের চেষ্টার অভিযোগ আইপিএলে এখন পর্যন্ত মাশরাফিকে ছাড়াতে পারেনি কোনো বাংলাদেশী! ওয়ালটন মিডিয়া কাপ ব্যাডমিন্টন ফেব্রুয়ারিতে রাজধানীর মিরপুরে মাদকের ছড়াছড়ি বিষের বোতল হাতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে কলেজছাত্রীর অনশন মানবতার দৃষ্টান্ত রাখলেন সিরাজদিখান উপজেলা চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ বিসিএলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড খুলনায়

সেই ডিআইজি মিজানকে প্রত্যাহার

আপডেট: ০৯ জানুয়ারী ২০১৮, ০৩:২৬ পিএম

সেই ডিআইজি মিজানকে প্রত্যাহার
অস্ত্রের মুখে টিভি উপস্থাপিকাকে তুলে নিয়ে বিয়ে করার জন্য অভিযুক্ত ঢাকা মহানগর পুলিশ-ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ডিআইজি মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহার করেছে পুলিশ প্রসাশন।অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে এক নারীকে বিয়ে করার অভিযোগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনারের পদ থেকে মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাকে বর্তমানে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাজারবাগে একটি অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বিষয়টি
জানিয়েছেন। এ ছাড়া পুলিশের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তাও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নেবে বলেও জানান তিনি।

ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে একটি জাতীয় দৈনিককে এক নারী বলেন, পান্থপথের স্কয়ার হাসপাতালের কাছে তার বাসা। গত বছরের জুলাইয়ে সেখান থেকে কৌশলে তাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা মিজান। পরে বেইলি রোডের মিজানের বাসায় নিয়ে তিনদিন আটকে রাখা হয়েছিল তাকে।

ওই নারীর দাবি, আটকে রাখার পর বগুড়া থেকে তার মা’কে ১৭ জুলাই ডেকে আনা হয় এবং ৫০ লাখ টাকা কাবিননামায় মিজানকে বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়। পরে লালমাটিয়ার একটি ভাড়া বাড়িতে তাকে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে রাখেন আগে থেকেই বিবাহিত মিজান।

ওই নারীর অভিযোগ, কয়েক মাস কোনো সমস্যা না হলেও ফেইসবুকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে একটি ছবি তোলার পর ক্ষিপ্ত হন মিজান। ভাংচুরের ‘মিথ্যা’ একটি মামলা দিয়ে তাকে গত ১২ ডিসেম্বর কারাগারে পাঠানো হয়। সেই মামলায় জামিন পাওয়ার পর মিথ্যা কাবিননামা তৈরির অভিযোগে আরেকটি মামলা করানো হয়।

ওই মামলাতেও জামিনে বেরিয়ে এসে ডিআইজির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন ওই নারী।

একই দৈনিকে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের টিভি উপস্থাপিকার জীবন এই ডিআইজি বিষিয়ে তুলেছিলেন বলেও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।