আসর শুরুর আগেই আয়োজকরা বলেছিলেন, এবারের বিপিএল মানসম্পন্ন বা স্পোর্টিং উইকেটে হবে। উদ্বোধনী ম্যাচের শুরু থেকে সেটাই প্রমাণ দিচ্ছিলেন ব্যাটাররা। তবে ইনিংসের একদম শেষ দিকে এসে মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছেন পেসার শরিফুল ইসলাম। তুলে নিয়েছেন দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিক। একে একে খুশদিল শাহ, রোস্টন চেজ ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনকে ফিরিয়েছেন এই পেসার।

বিপিএলের ইহিতাসে সপ্তম বোলার হিসেবে এই কীর্তিতে নাম তুলেছেন তিনি। এতে মাত্র ১৪৩ রানেই থেমেছে টুর্নামেন্টের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিলার ইনিংস।

শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) টস জিতে কুমিল্লাকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান ঢাকার দলপতি মোসাদ্দেক। ইনিংসের শুরুর দিকে জাতীয় দলের দুই তারকা পেসার তাসকিন ও শরিফুলের হাতে বল তুলে দেন তিনি। বাউন্স ও গতিতে দুই ওভারে মাত্র ৬ রান দেন এই দুই পেসার।

এরপর ইনিংসের তৃতীয় ওভারে সানিকে আক্রমণে আনেন ঢাকার অধিনায়ক। এই ওভারে মাত্র ৩ রান দেন এই স্পিনার।

পরের ওভারে শ্রীলঙ্কান চতুরাঙ্গা ডি সিলভাকে পেয়ে চলতি আসরের প্রথম ছক্কা হাঁকান ওপেনার লিটন। এরপর আরও এক বাউন্ডারি হাঁকান এই ওপেনার। তবে এই ওভারের শেষ বলেই উদ্বোধনী ম্যাচে নিজের শেষটা লিখে ফেলেন লিটন। স্কয়ার কাট করতে গিয়ে নাঈমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ১৩ রানে ফেরেন তিনি।

সেখান থেকে কুমিল্লাকে টেনে নেওয়ার দায়িত্ব নেন ইমরুল ও হৃদয় জুটি। দলীয় ২৩ রানে লিটন ফেরার পর ১০০ রানের জুটি গড়েন তারা।

এরপর ৪২ বলে হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন ইমরুল। তবে ব্যক্তিগত অর্ধশতকের পর খুব বেশিক্ষণ ক্রিজে থিতু হতে পারেননি তিনি। দুই ছক্কা ও ৬ চারে ব্যক্তিগত ৬৬ রানে তাসকিনের বলে শরিফুলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।

এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে কুমিল্লা। তাসকিনের বলে ফিফটি না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়ে ফেরেন হৃদয়। আর শেষ দিকে শরিফুলের নৈপুণ্যে মাত্র ১৪৩ রানেই গুটিয়ে গেছে কুমিল্লার ইনিংস।

বার্তা বাজার/জে আই