ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পুলিশের বিরুদ্ধে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুপুরে উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত অবস্থায় চেয়ারম্যান বিজয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। আহত চেয়ারম্যান জামাল ভূইয়া বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের ছতুরপুর গ্রামের আব্দুল হক প্রকাশ তাবু ভূইয়ার ছেলে। তিনি বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।

আহত জামাল ভূইয়া অভিযোগ করে বলেন, আমার অতীতে ৮৭৭/২০ সিআর নং ৪২০/১৮ একটি মামলা ছিল। সেই মামলায় গতকাল ২৬.০৫.২৪ ইং রোববার কোর্ট থেকে জামিন নিয়েছি। জামিন নেওয়ার পর (রিকল) একটি পেপারও নিয়েছি যেন পুলিশ বুঝতে পারে আমি জামিনে আছি। তিনি বলেন, আজ দুপুরে বিজয়নগর থানার ওসি তদন্ত জামিল খান ও এসআই পিযূষ এবং উপজেলার চম্পকনগর পুলিশ ক্যাম্পের দায়িত্বরত ইনচার্জ রবিউল ইসলাম আমার বাড়িতে উপস্থিত হয়ে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে আমাকে নিয়ে যেতে চাচ্ছিল। পরে আমি জিজ্ঞসা করলে বলেন, আমার নাকি ওয়ারেন্ট আছে পরে গতকালকে জামিন নিয়েছি ও জামিনের রিকল দেখানোর পরেও তিন পুলিশ সদস্য’সহ সাথে থাকা ১০/১৫ জন পুলিশ অযথা আমার বাড়িঘর ভাঙচুর করে এবং আমাকে মারধর করলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসা নেয়। তিনি বলেন, দিনদুপুরে একজন জনপ্রতিনিধির বাড়িতে পুলিশের এমন আচরনে আমার পরিবারের সবাই আতংকে রয়েছে। তিনি বলেন, আমি এসপি মহোদয়ের মোবাইলে কল দিয়েছি তিনি কল ধরেননি কিন্তু হোয়াটসএ্যাপে সব ছবি পাঠিয়ে মেসেজ দিয়েছি এখন আমার বাড়িতে ডিএসবি পুলিশ এসেছে। তিনি বলেন, এঘটনায় তিনি বিজয়নগর থানার ওসি’সহ তিন পুলিশের বিরুদের মামলা করবেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চম্পকনগর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই রবিউল ইসলাম বলেন, আপনি (সাংবাদিক) থানার ওসি তদন্তে স্যারের সাথে কথা বলুন।

এ ব্যাপারে বিজয়নগর থানার ওসি তদন্ত জামিল খান বলেন, চেয়ারম্যান ও তার বাবা ওয়ারেন্টূভুক্ত আসামী। আজ আসামী ধরতে বাসায় গেলে চেয়ারম্যান তার জামিনকৃত পেপার দেখালে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তার বাবা ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী হওয়ায় তাকে নিয়ে এসেছি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চেয়ারম্যানের মাথায় পিস্তল ঠেঁকানো তার বাড়িঘর ভাঙচুর, টাকা নিয়ে আসা সব মিথ্যা।

 

বার্তা বাজার/এইচএসএস