লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার সারপুকুর ইউনিয়নের পাটানটারী গ্রামে মৃত স্ত্রী সাথে রাত কাটিয়েছেন মন্টু মিয়া (৫০)। ঘটনায় সন্দেহজনক ভাবে স্বামী মন্টু মিয়াকে পুলিশের হেফাজতে নিয়েছে আদিতমারী থানা।

সোমবার ২৬ শে মে সকালে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার পাঠানপাড়া গ্রামের মন্টু মিয়ার স্ত্রী মঞ্জিলা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতর স্বামী মন্টু মিয়াকে পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

স্থানীয় ও মন্টু মিয়ার ছোট ছেলে আব্দুল মজিদ মন্ডল জানান, সকালবেলা প্রতিবেশী তাকে জানান  তার মা ও বাবা ধান খেতে বসে কান্নাকাটি করছে। পরে কাছে গিয়ে  দেখেন তার মনজিনা জিব্বায় কামড় দিয়ে মৃত অবস্থায় পড়ে আছে। এরপর স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে মন্টু মিয়াকে আটক করে নিয়ে যায়।

এছাড়াও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান চার বছর আগের মন্টুর প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার ঘটনায় তাকে ছয় মাসের মত জেলও খাটতে হয়েছে। পরবর্তীতে দেড় বছর আগে আবার দ্বিতীয় বিয়ে করে মন্টু মিয়া। অভিযুক্ত মন্টু তার স্ত্রী কে আশে পাশের কোন বাড়ীতে যেতে দিতো না এমনকি কাউকে বাড়ীতে আসতে দিতো না। তার শোয়ার ঘরেই বিছানার পাশে টিউবওয়েল দিয়েছে যেন ওই পানি আর কেউ পান করতে না পারে। থাকার ঘরে নানান জায়গাতে তাবিজ কবজ করে রেখেছিলো মন্টু । অনেকেই বলছেন মানসিক ভাবে কিছুটা বিকারগ্রস্ত ছিল মন্টু।

এ বিষয়ে আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন নারী মৃত্যুর ঘটনায় মন্টু মিয়া নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। মরদেহটি ময়না তদন্তের জন্যে মর্গে পাঠানো হয়েছে।

বার্তা বাজার/এইচএসএস