বাংলাদেশের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার খুন হওয়ার পর তার রহস্য উদঘাটন এবং তার খণ্ডিত দেহের অংশ খুঁজে বের করতে কলকাতায় গেছে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি দল। যার নেতৃত্বে রয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) প্রধান হারুন অর রশীদ।

হারুন অর রশীদের নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাংলাদেশের গোয়েন্দা দল। এ সময় সঞ্জীবা গার্ডেনের ওই ফ্ল্যাটে প্রতিনিধি দলের সামনে ঢাকা থেকে ভিডিওকলে যুক্ত করা হয় গ্রেপ্তার আমানুল্লাহ আমান ওরফে শিমুলসহ গ্রেপ্তার তিনজনকে।

তারা ভিডিও কলে স্থানগুলো দেখিয়ে ঘটনার বর্ননা দেয়। কলকাতায় গ্রেপ্তার জিহাদ হত্যাকাণ্ডের শুরু থেকে দেহাংশ ফেলা পর্যন্ত সবকিছু জানে, এজন্য তার সঙ্গে ঢাকায় গ্রেপ্তার তিন আসামির ভিডিওকলে কথোপকথন করানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তারা। এ সময় উভয় পক্ষ থেকে নতুন তথ্য পাওয়া গেছে। এসব কথ্য যাচাই-বাছাই করছে তদন্ত কর্মকর্তারা।

এ ছাড়া কলকাতায় গ্রেপ্তার জিহাদ হাওলাদারকে নিয়ে সোমবার (২৭ মে) কলকাতার বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালায় বাংলাদেশ ডিবি দল। এ সময় গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন দলের নেতৃত্বে থাকা হারুন অর রশীদ।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমরা দুইবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অভিযুক্ত জিহাদকে টিআই প্যারেডের জন্য ঘটনাস্থলে নিয়ে গেছি।
আজ আমরা জিহাদকে নিয়ে ফের এই বাগজোলা খালে যেখানে লাশ ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ, সেখানে এসেছি। আমাদের আশা স্বল্প সময়ের মধ্যে লাশের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করতে পারব।

এই খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া একমাত্র নারী সিলিস্তা রহমানের ভূমিকা নিয়ে ডিবি প্রধান জানান, আমরা ভারতে তদন্ত করে দেশে ফিরে তারপরে সিলিস্তা রহমানের সাথে কথা বলবো। যে ফ্লাটে হত্যাকাণ্ড হয়েছিল সেখানে তিনি ছিলেন কিন্তু সেক্ষেত্রে তার কি ভূমিকা ছিল, সেটা তার সাথে কথা বলেই জানা যাবে।