জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে ছুরিকাঘাতে স্ত্রী ও খালা শ্বশুড়িকে খুন করার অভিযোগ উঠেছে রুবেল হোসেন নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নীরব নামের একজনের হাতে গুরুত্বর জখম হয়েছে। ঘটনাটি সোমবার দুপুরে উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়নের হলহলিয়া গ্রামে ঘটেছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল হোসেন পলাতক রয়েছে। সে পাশের নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের বাসিন্দা।
নিহতরা হলেন ওই গ্রামের সোলাইমান আলীর স্ত্রী আলেয়া বেগম (৫২) ও অভিযুক্ত রুবেল হোসেনের স্ত্রী মিতু আক্তার (৩৪)।

পরিবার, স্থানীয় ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে কলহ চলমান ছিল। এর ধারাবাহিকতায় সোমবার বেলা ১২টায় স্বামী রুবেল হোসেন তার স্ত্রী মিতু আক্তার কে ছুরিকাঘাত করে। চিৎকার শুনে মিতুর খালা আলেয়া বেগম ও খালাতো ভাই নীরব পাশের বাড়ি থেকে এগিয়ে আসলে তাদেরকেও ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় রুবেল। স্থানীয়রা তাদের গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আলেয়া বেগমকে মৃত ঘোষনা করে। মিতু আক্তারের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করলে পথিমধ্যে তারও মৃত্যু হয় এবং নীরবের হাতে গুরুত্বর জখম হয়।

আলেয়া বেগমের ছেলে আমিনুর ইসলাম বলেন, আমরা চিৎকার শুনে এসে দেখি তাদের তিন জনকে চাকু দিয়ে আঘাত কারা হয়েছে। তাদের স্বামী-স্ত্রীদের মধ্যে অনেক দিন থেকে ঝামেলা ছিল। আজ কি কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে আমার জানা নাই।

ওই এলাকার ইউপি সদস্য রতন হোসেন বলেন, আমি খবর পেয়ে হাসপাতালে এসেছি। এসে দেখি তাদের এই অবস্থা। এই ঘটনার প্রকৃত কারণ অজানা।

আক্কেলপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নয়ন হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনার স্থলে পরিদর্শন করেছি। মরদেহগুলি ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্ত রুবেল হোসেন পলাতক রয়েছে তাকে ধরতে অভিযান অব্যহত আছে।

বার্তা বাজার/এইচএসএস