নোয়াখালী হাতিয়ায় ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবেলায় পরিবার পরিজন নিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় ২০ হাজার মানুষ। উপজেলার নিঝুম দ্বীপ, সোনাদিয়া ও বুড়িরচরে সবচেয়ে বেশি মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে এসেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে রোববার বাংলাদেশ সময় রাত আটটা নাগাদ এটি আঘাত হানে, যদিও সে সময় সাগরে ভাঁটা থাকায় তেমন বড় কোনও জলোচ্ছ্বাস দেখা যায়নি। তবে রাতে জোয়ারে পানির উচ্চতা বাড়তে পারে বলে আতঙ্কে রয়েছেন দ্বীপের মানুষ।

নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দিনাজ উদ্দিন জানান, এখানে প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষ এসেছে। সন্ধ্যার পর মানুষজন আস্তে আস্তে আশ্রকেন্দ্র মুখী হয়। সাথে অনেকেই গবাদি পশু আসেন। রাতে সবাইকে খাওয়ানোর জন্য খিচুড়ি পাকানো হয়।

একই অবস্থা উপজেলার হরনী ইউনিয়নের চরঘাসিয়ায়। জোয়ারের পানিতে চরঘাসিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এই চরের মাঠঘাট ৪-৫ ফুট পানির নিচে তলিয়ে যায়। তেগাছিয়ার জনতা বাজারে ব্যবসায়ী মাকসুদ জানান, সন্ধ্যার আগেই এই চরের বাসিন্দারা সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পে এসে আশ্রয় নেয়।

হাতিয়া নির্বাহী কর্মকর্তা শুভাশীস চাকমা জানান, হাতিয়াতে বিকেল থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত বিভিন্ন ইউনিয়ন এবং চরাঞ্চলে প্রায় ২০ হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে। তাদেরকে শুকনো খাওয়ার এবং থাকার সুব্যাবস্থা করার জন্য জনপ্রতিনিধিদেরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।