ফেসবুকে পরিচয়ের পরে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে প্রেমিকাকে খবর দিয়ে বাড়িতে এনে পালিয়ে গেছেন প্রেমিক পিয়াস পাল। এরপর ভূক্তভোগী ওই নারী প্রেমিকের স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে অনশনে বসেছেন।

রোববার (২৬ মে) দুপুরে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার রামভদ্রপুর ইউনিয়নের কার্তিকপুর গ্রামের পাল পাড়ায় এঘটনা ঘটে।

ভূক্তভোগী ওই নারী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে কার্তিকপুর গ্রামের পাল পাড়ার অরুণ পালের ছেলে পিয়াস পালের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয় গোসাইরহাট উপজেলার এক শিক্ষার্থীর। এরপর তাদের পরিচয় প্রেমের সম্পর্কে গড়ায়।

পরিচয় থেকে সম্পর্ক প্রেমে গড়ালে পিয়াস পাল ওই নারীকে গোসাইরহাট, ডামুড্যাসহ একাধিক স্থানে নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারিরীক সম্পর্ক গড়ে তোলে। তাদের প্রেমের বিষয়টি পিয়াস পালের মা বাবাকে জানালে তারা ভুক্তভোগী নারীর থেকে এক মাসের সময় দাবি করে৷ এরপর ভুক্তভোগী নারী জানতে পারে পিয়াস বিদেশে চলে যাবে। বিষয়টি নিয়ে তাদের দুজনের মধ্যে কথা হলে এক পর্যায়ে পিয়াস তার প্রেমিকা ভূক্তভোগী ওই নারীকে তাদের বাড়িতে আসতে বলে। প্রেমিকের কথা অনুযায়ী ভুক্তভোগী নারী প্রেমিকের বাড়িতে এসে ঘরে প্রবেশ করতে চাইলে প্রেমিক পিয়াস পাল তার মাকে নিয়ে ঘরে তালা মেরে চলে যায়। এরপর থেকে ভুক্তভোগী ওই নারী স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে অনশনে বসেছেন।

জানতে চাইলে ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, ফেসবুকে পরিচয়ের পর পিয়াস পাল আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছে। এরপর সম্পর্কে প্রেমে গড়ালে ডামুড্যা, গোসাইরহাটসহ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আমার সাথে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেছে। তার কথা মত আমি পিয়াসের বাড়িতে এসেছি। যেহেতু বিয়ে করবে বলে আমাকে আসতে বলেছে, সেহেতু বিয়ে না করে আমি পিয়াসের বাড়ি থেকে যাব না। প্রয়োজনে এখানেই মরব। কিন্তু আমি স্ত্রীর স্বীকৃতি চাই।

বিষয়টি নিয়ে জানার জন্য মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করেও পিয়াস পাল বা তার পরিবারের কারও সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

বিষয়টি নিয়ে ভেদরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিন্টু মন্ডল বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ খবর নিয়ে দেখছি।

বার্তা বাজার/এইচএসএস