ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে দুই দিন জিম্মি রেখে হত্যাকারীরা হুন্ডির মাধ্যমে টাকা আদায় করতে চেয়েছিল বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তদন্তকারীদের বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, আনারকে অচেতন করার জন্য খুনিরা ক্লোরোফর্ম ব্যবহার করেছিলেন। তবে তার জ্ঞান না ফেরায় তারা মরদেহ টুকরো টুকরো করার সিদ্ধান্ত নেন।

আজ শনিবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হারুন বলেন, ‘খুনিরা আনারকে ক্লোরোফর্ম দিয়ে অচেতন করে তার নগ্ন ছবি তুলতে চেয়েছিল। তারা তাকে জিম্মি করে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা নিতে চেয়েছিল। দুই দিন পর হত্যার পরিকল্পনা ছিল।

‘আনারের জ্ঞান না ফেরায় খুনিরা তার মরদেহ এমনভাবে টুকরো টুকরো করে, যাতে মানুষের দেহাবশেষ হিসেবে শনাক্ত করা কঠিন হয়’, বলেন তিনি।

ডিবি প্রধান বলেন, ‘মাস্টারমাইন্ড আক্তারুজ্জামান (শাহীন মিয়া নামে পরিচিত) গত ১০ মে ঢাকায় ফিরে আসার পর হিটম্যান শিমুল ভূঁইয়া ওরফে আমানুল্লাহ পরিকল্পনাটি সম্পন্ন করে।’ গত ২০ মে আক্তারুজ্জামান ঢাকা ছেড়ে দিল্লি, কাঠমান্ডু ও দুবাই হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেছেন বলেও জানান হারুন।