ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুর পেছনে এবার সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলের হাত রয়েছে বলে গুঞ্জন উঠেছে। লন্ডনভিত্তিক একটি গণমাধ্যমে এমন খবর প্রচার হয়েছে। অনেকের দাবি, আয়াতুল্লাহ খামেনির পর ভবিষ্যতে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হওয়ার সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে ছিলেন রাইসি। কিন্তু তাকে সরিয়ে নিজে সেই পদে বসার নীলনকশা করেন আয়াতুল্লাহ খামেনির ছেলে মুজতবা খামেনি।

হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুর পর এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হাত থাকা নিয়ে গুঞ্জন ওঠে। তবে ইরানের অনেক বাসিন্দা সন্দেহের তীর ছুড়ছেন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলের দিকে।

লন্ডনভিত্তিক গণমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনালের খবর বলছে, আলী খামেনির পর ভবিষ্যতে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হওয়ার সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে ছিলেন রাইসি। কিন্তু নিজে সেই পদে বসতে ‘রাইসিকে সরিয়ে দিয়েছেন’ খামেনির ছেলে মুজতবা খামেনি।

যদিও গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, রাইসির হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের পেছনে মুজতবা খামেনির হাত আছে এমন কোনো প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি। রাইসির মৃত্যুর পর ওঠা অনেক গুঞ্জনের মতো এটিও একটি গুঞ্জন হতে পারে।

জানা গেছে, ৫৪ বছর বয়সি মুজতবা খামেনিকে প্রকাশ্যে খুব একটা দেখা যায় না। তবে পর্দার আড়ালে তিনি খুব প্রভাবশালী বলে ধারণা করা হয়।

এদিকে, হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির জানাজা তেহরানে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২২ মে) তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

তেহরানে অনুষ্ঠানিকতা শেষে বৃহস্পতিবার (২৩ মে) মাশহাদে দাফন করা হবে রাইসিকে। তার আগে রাইসিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ইরানে পৌঁছেছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।