চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজের অধ্যাপক ড. একেএম আতিকুর রহমানের মুখে ঘুষি মারার অভিযোগে কলেজ শাখা ছাত্রলীগ নেতা মো. সাফাতুন নুর চৌধুরীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

কলেজ শাখা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম বাবু এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

শুক্রবার (১৭ মে) ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের দপ্তর সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম পান্থ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সংগঠনের শৃঙ্খলা ও মর্যাদা পরিপন্থী কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগে এই ছাত্রলীগ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

অধ্যপককে ঘুষি মারার ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় শুক্রবার বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের জরুরি সভায় অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ছাত্রলীগের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় সংগঠনের শৃঙ্খলা ও মর্যাদা পরিপন্থী কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগে মো. সাফাতুন নুর চৌধুরীকে (যুগ্ম-আহ্বায়ক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজ শাখা, চন্দনাইশ) বাংলাদেশ ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হলো।

গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আবদুল খালেক জানান, গত বৃহস্পতিবার সকালে অধ্যাপক ড. একেএম আতিকুর রহমানের মুখে ঘুষি মারেন ছাত্রলীগ নেতা সাফাতুন নুর। এ ঘটনায় অধ্যাপক ড. একেএম আতিকুর রহমান চন্দনাইশ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

গাছবাড়িয়া কলেজ ছাত্রলীগের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম বাবু বলেন, অধ্যাপকের সঙ্গে বেয়াদবি করার বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের জরুরি বৈঠকে কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সাফাতুন নুর চৌধুরীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগ নেতা সাফাতুন নুর চৌধুরী বলেন, ‘অনার্স ১ম বর্ষের ভর্তি ফি অন্যান্য কলেজ থেকে বেশি নেওয়া হচ্ছে, সাধারণ শিক্ষার্থীর এমন অভিযোগের ভিত্তিতে ছাত্র নেতা হিসেবে আমি ঘটনাটি জানার জন্য অধ্যক্ষের রুমে গিয়েছিলাম এবং সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ভর্তি ফি নেওয়ার অনুরোধ করি। আমি কাউকে মারধর করিনি। কলেজ কর্তৃপক্ষ বাড়তি ফি নেওয়ার বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ঘটনাটি সাজিয়েছেন।’

বার্তা বাজার/এইচএসএস