বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘বিএনপির লড়াই হলো জনগণের লড়াই। এ লড়াইকে আরও সুসংহত করা হবে। ওই লড়াইয়ে জনগণ ও বিরোধী জোটের বিজয় অনিবার্য।’

মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) নসরুল হামিদ মিলনায়তনে গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য আয়োজিত ‘একতরফা নির্বাচনে গণতন্ত্র নির্বাসনে’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘এ সরকার কোনো জনগণের সরকার নয়। এই সরকার হচ্ছে ডামি নির্বাচনে নির্বাচিত সরকার। যে নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণ নেই সে নির্বাচনে নির্বাচিত সরকার কখনো জনগণের সরকার হতে পারে না। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন বয়কট করার পরও নির্বাচন কমিশন ঘুমিয়ে আছে। গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে রসিকতার অধিকার জনগণ কাউকে দেয়নি। সরকারই বিরোধী দল ঠিক করে দিচ্ছে।’

বিএনপির প্রবীণ এই নেতা বলেন, ‘খালেদা জিয়া খুব অসুস্থ হলেও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না। দলের মহাসচিবসহ সিনিয়র নেতারা কারাগারে। গত ২৮ অক্টোবরের পর বিএনপির ২৫ হাজার নেতাকর্মীকে গ্ৰেফতার ও দেড় হাজার নেতাকর্মীকে সাজা দেওয়া হয়েছে। রাত ১০টা পর্যন্ত আদালত চলছে। এভাবে গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমনের স্বপ্ন দেখছে সরকার। এগুলো কোনো কাজে আসবে না। প্রতিপক্ষকে গ্ৰেফতার, নির্যাতন করে দমিয়ে রাখতে পারবে না। সব স্বৈরাচারের একই স্বভাব। তারা ইতিহাস ভুলে যায়। যারাই আপনাদের (আওয়ামী লীগ) বিরুদ্ধে কথা বলবে, আপনারা তাদেরকে জেলে ভরে দিচ্ছেন।’

গণতান্ত্রিক বাম ঐক্যের সমন্বয়ক ও সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন- বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক কমরেড হারুন চৌধুরী, সমাজতান্ত্রিক মজদুর পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড ডা. সামসুল আলম ও প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের মহাসচিব কমরেড হারুন অর রশিদ প্রমুখ।

বার্তাবাজার/এম আই