এবার নির্বাচন থেকে সরে যাবার ঘোষণা দিলেন হবিগঞ্জ-২ আসনের (বানিয়াচং আজমিরীগঞ্জ) জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী শংকর পাল। তিনি দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সমবায়বিষয়ক সম্পাদক ও হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

সোমবার শংকর পাল বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন এবং বলেন, এই নির্বাচনে থাকা না থাকা একই কথা। তারা ২৬ আসন নিয়ে খুশি। তারা লিখছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত। তাহলে আমি কী সমর্থিত লিখব। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশের অভাব রয়েছে। আছে ক্ষমতাসীনদের পেশিশক্তির প্রভাব। আমি আমার কর্মী সমর্থকদের কথা চিন্তা করে নির্বাচন থেকে সরে আসছি।

শংকর পাল দলের শীর্ষ নেতাদের সমালোচনা করে বলেন, গত নির্বাচনে আমার এজেন্টকে নানাভাবে নাজেহাল করা হয়েছে। কোনো কারণ ছাড়াই দোকান থেকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে। এর জবাব আজও পাইনি।

উল্লেখ্য, রোববার বরিশাল-২ ও ৫, বরগুনা-১ এবং গাজীপুর-১ ও ৫ আসনের প্রার্থী নির্বাচন থেকে নিজেদের সরিয়ে নেন।

এবার নির্বাচন থেকে সরে যাবার ঘোষণা দিলেন হবিগঞ্জ-২ আসনের (বানিয়াচং আজমিরীগঞ্জ) জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী শংকর পাল। তিনি দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সমবায়বিষয়ক সম্পাদক ও হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

সোমবার শংকর পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং বলেন, এই নির্বাচনে থাকা না থাকা একই কথা। তারা ২৬ আসন নিয়ে খুশি। তারা লিখছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত। তাহলে আমি কী সমর্থিত লিখব। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশের অভাব রয়েছে। আছে ক্ষমতাসীনদের পেশিশক্তির প্রভাব। আমি আমার কর্মী সমর্থকদের কথা চিন্তা করে নির্বাচন থেকে সরে আসছি।

শংকর পাল দলের শীর্ষ নেতাদের সমালোচনা করে বলেন, গত নির্বাচনে আমার এজেন্টকে নানাভাবে নাজেহাল করা হয়েছে। কোনো কারণ ছাড়াই দোকান থেকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে। এর জবাব আজও পাইনি।

উল্লেখ্য, রোববার বরিশাল-২ ও ৫, বরগুনা-১ এবং গাজীপুর-১ ও ৫ আসনের প্রার্থী নির্বাচন থেকে নিজেদের সরিয়ে নেন।

বার্তাবাজার/এম আই