বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘কারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে? সরকারপ্রধানের পা ছুঁয়ে সালাম করা ব্যক্তিরা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। কোনো সরকারবিরোধী দল এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০১৪ সালে একতরফাভাবে ১৫৩ জন বিনাভোটে পাশ করেছে। ২০১৮ সালে দিনের ভোট রাতে করেছে। ২০২৪ সালের নির্বাচনের ভোটের ফল গত ৩০ নভেম্বর নির্ধারিত হয়ে গেছে। ভাগাভাগির এ নির্বাচনে জনগণ অংশগ্রহণ করবে না।’

শনিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সম্মিলিত শ্রমিক পরিষদের গোলটেবিল বৈঠকে বিএনপির এই নেতা এসব কথা বলেন।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘এটা একটি ক্রান্তি সময়। কয়েক বছর ধরে আমরা এ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছি। গত ২৮ অক্টোবর একটি সমাবেশে সরকার হামলা করে পণ্ড করে দিয়েছে। সেখান থেকে আন্দোলনের নতুন মেরুকরণের পথ তৈরি হয়েছে। আন্দোলন এগিয়েছে না পিছিয়েছে; তা নতুন করে চিন্তার অবকাশ রয়েছে। ১ জানুয়ারি সারা দেশে গার্মেন্ট ধর্মঘট চালু হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। আমরা সরকারের পদত্যাগ দাবি করেছি। ইতিহাসের প্রতিটি আন্দোলনে অগ্রভাগে ছিলেন শ্রমিক, ছাত্ররা। আন্দোলন করে সরকারকে বিপর্যন্ত করে তুলতে হবে।’

গণতন্ত্র মঞ্চের সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘যদি ভোটাধিকার না থাকে, তাহলে মানুষের কোনো গণতান্ত্রিক অধিকার থাকে না। ৭ জানুয়ারি ভোট হচ্ছে, কারা ভোট করছে? ওইদিন ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার আয়োজন।’

বার্তাবাজার/এম আই