মাঠের মতো মাঠের বাইরেও লড়াই চলে আবাহনী এবং বসুন্ধরা কিংসের। চলতি মৌসুমে মাঠে এখনো মুখোমুখি হয়নি ঘরোয়া ফুটবলের দুই শক্তিশালী দল। এর আগেই ভেন্যু নিয়ে একটা স্নায়ুযুদ্ধ হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম এখনো সংস্কার চলায় বাফুফে মাঠ সংকটে। তাই কিংস অ্যারেনাকেও টুর্নামেন্টের ভেন্যু হিসেবে গ্রহণ করেছে। কিংস অ্যারেনা বসুন্ধরা কিংসের হোম ভেন্যু এবং সকল কিছুই তাদের তত্ত্ববধায়নে। এমন ভেন্যুতে সেমিফাইনাল কিংসের বিপক্ষে পড়ায় আবাহনী নিরপেক্ষ ভেন্যু চায়।

অন্যদিকে বসুন্ধরা কিংস তাদের ভেন্যুতেই খেলতে অনড়। তাদের যুক্তি লটারিতেই ভেন্যু নির্ধারিত হয়েছে এবং যখন ভেন্যু নির্ধারিত তখনও অনিশ্চিত ছিল তাদের নক আউট পর্ব। লিগ কমিটির নতুন চেয়ারম্যান বাফুফের অন্যতম সহ-সভাপতি ইমরুল হাসান আবার বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি। তাই বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনকেও অবহতি করেছিল আবাহনী। অনেক কিছুর পর শেষ পর্যন্ত আজ দুপুরের দিকে কিংসের ভেন্যুতেই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ম্যাচ শুরুর আগেই ভেন্যু নিয়ে ফুটবলাঙ্গনে ছিল উত্তপ্ততার আমেজ। তাই এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাড়তি সতর্ক ফুটবল ফেডারেশন। বিশেষ করে এমন ম্যাচে আলোচনায় থাকে রেফারিং। বাফুফের রেফারিজ কমিটির চেয়ারম্যান এবং ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী জাতীয় নির্বাচনে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। এর মধ্যেও তিনি এই ম্যাচের জন্য বিশেষ নজর রাখছেন, ‘শুধু এই ম্যাচ নয়, আমাদের কাছে সকল ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। এরপরও এই দু’টি দল বর্তমান সময়ে শুধু বাংলাদেশেরই সেরা দল নয়, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরাও। আবার ম্যাচটি সেমিফাইনালের তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের আরো সচেতনতার বার্তা দিয়েছি। রেফারিরা তাদের দায়িত্ব শতভাগ নিষ্ঠার সঙ্গেই পালন করবে।’

রেফারিং ছাড়াও একটি ম্যাচ আয়োজন ও ব্যবস্থাপনায় আরো অনেক বিষয় থাকে। বাফুফে কালকের ম্যাচ নিয়ে কোনো প্রশ্নেরই সুযোগ দিতে চায় না। তাই ফেডারেশনের প্রশাসনিক বিভাগ থেকেও সর্বোচ্চ ফোর্স দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। যাতে ম্যাচটি নির্বিঘ্নে সমাপ্ত হয়।

বার্তাবাজার/এম আই