ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরই বলছে, প্রতিদিন হামাসের হামলায় গাজা উপত্যকায় কয়েক জন ইসরাইলি সেনা প্রাণ হারাচ্ছে। ইসরায়েলি সরকারি হিসেব মতেই হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলার পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চারশ’ ইসরায়েলি সেনা প্রাণ হারিয়েছে। হামাসের দাবি অনুযায়ী, এই সংখ্যা আরো অনেক বেশি।

এবার ইসরাইলের শীর্ষ দুই সেনা কর্মকর্তা গাজায় হামাসের আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছেন। ফার্স্ট সার্জেন্ট কোবি ডাভিশ ও একই পদের ইয়াল বেরকোভিচ নামের দুই ইসরায়েলি কর্মকর্তাকে ঘায়েল করেছে হামাস।

হামাসের আল কাসাম ব্রিগেড জানিয়েছে, তারা ইসরায়েলি সেনাদের জিম্মি মুক্তির চেষ্টাকেও রুখে দিয়েছে। ইসরায়েলি বিশেষ বাহিনীর অভিযান আটকে দেওয়া হামাসের দাবি, এসময় বেশ কয়েকজন ইসরাইলি সেনা নিহত হয়েছে। সেই সাথে তাদের হাতে জিম্মি থাকা এক ইসরাইলি জিম্মিও নিহত হয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজায় হামাসের হাতে জিম্মি থাকা সেনাদের মুক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। হিসাব মতে, এখনো হামাসের হাতে ১৩৮ ইসরায়েলি নাগরকি জিম্মি রয়েছে। হামাসের দাবি, এরা সবাই বিভিন্ন বাহিনীর সদস্য। যুদ্ধবিরতির সময় হামাস ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিকদের মুক্তি দিলেও কোনো সেনা সদস্যকে মুক্তি দেয়নি। হামাসের এই হামলায় নাস্তানাবুদ হওয়ার বিষয়ে ইসরায়েলি সেনারা কোনো বিবৃতি দেয়নি।

এক বিবৃতিতে টেলিগ্রামে হামাসের কাসাম ব্রিগেড জানিয়েছে, তাদের যোদ্ধারা দেখতে পায় চোরা পথে ইসরায়েলি সেনারা জিম্মিদের উদ্ধার করার চেষ্টা করছে। আর সেসময় ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হামলে পড়ে হামাস যোদ্ধারা। হামাসের হামলায় বেশ কয়েকজন ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়। আহত হয়েছে আরো অনেকে। তবে কোথায় কোন সময় এই হামলা চালানো হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানায়নি হামাস। কাসাম ব্রিগেড আরো জানিয়েছে, এসময় সা’র বারুচ নামে জিম্মি দশায় থাকা এক ২৫ বছর বয়সী ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছে। ৭ অক্টোবর হামলার সময় বারুচকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে এসেছিল হামাস যোদ্ধারা।

বার্তাবাজার/এম আই