বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জমিন না মঞ্জুর করে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে মির্জা ফখরুলের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও সগীর হোসেন লিয়ন।

প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার ঘটনায় পুলিশের করা এ মামলায় মির্জা ফখরুলের জামিন আবেদনটি শুনানির জন্য গত সোমবারের (৪ ডিসেম্বর) কার্যতালিকায় ছিল।

পরে বিষয়টি উপস্থাপন করে শুনানির জন্য আর্জি জানালে হাইকোর্ট আজ বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) দিন ঠিক করেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ সেটি শুনানি হয়।

ওইদিন আদালতে মির্জা ফখরুলের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও সগীর হোসেন লিয়ন। এর আগে গত রোববার (৩ ডিসেম্বর) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জামিন চেয়ে আবেদন করেন বিএনপি মহাসচিব।

গত ২২ নভেম্বর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক এই মামলায় মির্জা ফখরুলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আদেশ দিয়েছিলেন। এরপর জামিন চেয়ে গত ৩ ডিসেম্বর হাইকোর্টে আবেদন করেন মির্জা ফখরুলের আইনজীবী।

জামিন আবেদনটি গত ৪ ডিসেম্বর হাইকোর্টের কার্যতালিকার ৭৯২ নম্বর ক্রমিকে ওঠে। বিষয়টি আদালতে উপস্থাপন করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। আদালত বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) শুনানির জন্য রেখেছেন বলে গণমাধ্যমকে জানান আইনজীবী সগীর হোসেন লিওন।

প্রসঙ্গত, সরকারের পদত্যাগ, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন, খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ বিভিন্ন দাবিতে গত ২৮ অক্টোবর নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মহাসমাবেশ ডাকে বিএনপি। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে মহাসমাবেশ পণ্ড হয়ে যায়।

ঘটনার পরদিন ২৯ অক্টোবর হরতালের ডাক দেয় বিএনপি। ওই দিনই অর্থাৎ ২৯ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মির্জা ফখরুলকে গুলশানের বাসা থেকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গ্রেপ্তারের পর থেকে কারাগারে রয়েছেন তিনি। এরপর থেকে দফায় দফায় অবরোধ ও হরতাল পালন করে আসছে বিএনপি ও তাদের সমমনা দলগুলো।

বার্তা বাজার/জে আই