সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আগরদাড়ি ইউনিয়নের দত্তডাঙ্গা এলাকায় এলাকায় অবাধে চলছে বালু উত্তোলনের কাজ। রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে পালিয়ে যায় বালু উত্তোলন কাজের সাথে জড়িত থাকা শ্রমিকরা। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকালে ভিডিও চিত্র ধারণের সময় ক্যামেরা বন্ধের অনুরোধ জানায় তারা।

খোঁজ নিয়ে জানাযায়, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আগরদাড়ি ইউনিয়েনের দত্তডাঙ্গা এলাকায় মৃত সৈয়দ আলীর ছেলে মো. শফিকুল ইসলাম কৃষি মৎস ঘের থেকে অবৈধভাবে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া বালু উত্তোলন করে ভরাট করছিলেন প্রকৃতিক জলাশয়।

শিবপুর পরানদাহ এলাকার এক ব্যক্তির সহযোগিতায় ২ লক্ষ টাকায় বিনিময়ে মাটির নিচ থেকে বালু উত্তোলন করে পাশ্ববর্তী ১৫ শতক প্রাকৃতিক জলাশয় ভরাট করার দায়িত্ব নেন পরানদাহ এলাকার কামরুল ও ধুলিহর ব্রমরাজপুর ইউনিয়নের গোয়ালপোতা এলাকার আইয়ুব আলী।

শফিকুল ইসলাম স্ত্রী মোসলেমা খাতুন ও তার ভাইয়ের স্ত্রী আরিফা বেগম বলেন, মৌলিক ভাবে বালু তুলে পুকুর ভরাটের অনুমতি দিয়েছেন আগরদাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকতা (নায়েব)।

আগরদাড়ি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকতা মীর ইদ্রিস আলী জানান, কয়েকদিন আগে নিষেধ করলেও সেটি অমান্য করে অবাধে চলছিলো ঘের থেকে বালু উত্তোলন করে পুকুর ভারাটের কাজ।

আগরদাড়ি ইউনিয়েন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কবীর হোসেন মিলন জানান, বালু উত্তোলন বিষয়ে কিছুই জানেন না আমি কাউকে অনুমতি দেয়নি। আমার এ বিষয়ে অনুমতি দেওয়ার এক্তিয়ার আমার নাই কেউ এ ধরণের কাজ করে থাকে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া নির্দেশ দেন তিনি।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুনমা আইরিন জানান, আমরা এ ধরনের খবর সব সময়প পেয়ে থাকি এবং সাথে সাথে ব্যবস্থা নিয়ে থাকি কৃষি জমি থেকে অবৈধ ভাবে বালি উত্তোলনের কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে সব সময় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বার্তা বাজার/জে আই