গাজায় হামলা বন্ধ না হলে জিম্মি মুক্তি নিয়ে ইসরায়েলের সাথে আর কোন আলোচনা হবে না; স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে হামাস। এদিকে, সাময়িক যুদ্ধবিরতি শেষে ফিলিস্তিনের গাজায় তৃতীয় দিনের মতো বর্বর হামলা ও হত্যাযজ্ঞ অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল।

ইসরায়েলি বাহিনী গত তিনদিনে গাজার দক্ষিণাঞ্চলে হামলার তীব্রতা বাড়ানোয় তেল-আবিব লক্ষ্য করে রকেট হামলায় জবাব দিচ্ছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন-হামাসও। শুক্রবার (১ নভেম্বর) সকাল থেকে এ পর্যন্ত দুই শতাধিক ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল।

নির্বিচারে নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের হত্যার পরও একে ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার বলেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। দুবাইয়ে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন। নৃশংস বর্বরতায় পরোক্ষ সমর্থন দিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের বিষয়টিও ইসরাইলের খেয়াল রাখা উচিত। আর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অন্য এক অনুষ্ঠানে ইসরায়েলের সাথে বন্ধুত্বকে ইস্পাত কঠিন বলেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন।

বেসামরিক হতাহাতের বিষয়ে সতর্কতা মেনে চলা হচ্ছে বলে যুক্তরাষ্ট্রকে আশ্বস্ত করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি নিয়ে কাতারে চলমান আলোচনা ছেড়ে বেরিয়ে গেছে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা-মোসাদ।

এই প্রক্রিয়া থেকে সরে গেছে হামাসও। হামাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা সালেহ আল-আরৌরি জানিয়েছে, ইসরাইলের হত্যাযজ্ঞ বন্ধ না হলে জিম্মি মুক্তির বিষয়ে আর আলোচনা হবে না।

এদিকে, জিম্মি মুক্তির দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে ইসরায়েলের তেল-আবিবে। হামাস নিমূল অভিযানের তুলনায় জিম্মি মুক্তিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার দাবি তুলেছেন তারা।

বার্তা বাজার/জে আই