প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণ কাকে ক্ষমতায় দেখতে চায় তা যাচাইয়ের জন্য আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুন। কে কতদূর দৌড়াতে পারেন এবং জনগণ কাকে ক্ষমতায় দেখতে চায় তা জানতে আসুন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করি।

রাজশাহী, খুলনা ও রংপুর বিভাগের দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করতে নগরীর তেজগাঁওস্থ এলাকায় বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) দলের ঢাকা জেলা কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকের আগে প্রধানমন্ত্রী তার সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন বানচালের যেকোনো ষডযন্ত্রের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে। নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করবেন না। যদি তা করেন, তাহলে এর পরিণতি কারো জন্য ভালো হবে না। অন্যান্য রাজনৈতিক দলকেও আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

নির্বাচনে অংশ নিতে যেসব দল ঘোষণা দিয়েছে, সেসব দলগুলোকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা দ্বিধাদ্বন্দ্বে রয়েছেন আমি আপনাদের সবাইকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। কারণ, আগামী সাধারণ নির্বাচন যে অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। দেশের মানুষ যাতে নির্বিঘে ভোট দিতে পারে তা নিশ্চিত করার জন্য বারবার নির্দেশনা দিয়েছি। জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার জন্য আমরা নির্বাচন করব। এক্ষেত্রে আমরা কোনো হস্তক্ষেপ করব না। আমরা চাই নির্বাচন কমিশন অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করুক। ভোট চুরির দরকার নেই, কারণ আওয়ামী লীগের প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সংস্থার জরিপেও একই চিত্র তুলে ধরেছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আপনি আপনার ইচ্ছেমতো ভোট দিতে পারেন। আমি দেশবাসীকে জাতির সেবায় আরেকবার পরিবর্তন আনতে আমার দলের নির্বাচনী প্রতীক নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

সরকার প্রধান বলেন, বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিতে ভয় পায় কারণ, তাদের দুই শীর্ষ নেতা দুর্নীতির দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় দলের শীর্ষ নেতৃত্বে কেউ নেই। তারেকের বিরুদ্ধে এফবিআই সাক্ষ্য দিয়েছে এবং কানাডিয়ান পুলিশ খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে সাক্ষ্য দিয়েছে।

বার্তাবাজার/এম আই