জাতীয় পার্টির পৃষ্ঠপোষক বেগম রওশন এরশাদ চিঠি দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনে। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, জাতীয় পার্টি বিগত ৩টি জাতীয় নির্বাচনে ধারাবাহিকতায় এবারও চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের শরিক দল হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এটা হবে শুধু নির্বাচনী জোট। জাতীয় পার্টির নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা দলীয় সিদ্ধান্ত অনুসরণ করবেন।

চিঠিতে তিনি আরও জানান, নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থীরা দলীয় প্রতীক লাঙ্গল কিংবা প্রার্থীর ইচ্ছানুসারে মহাজোটে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করতে পারবেন।

শনিবার (১৮ নভেম্বর) প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বরাবর সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জাপার প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদ স্বাক্ষরিত একটি চিঠি পাঠানো হয়। যেখানে বলা হয়, জাপা বিগত ৩ নির্বাচনের মতো এবারও আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের শরিক দল হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে’।

তবে সন্ধ্যা ৭টার দিকে রওশন এরশাদকে ফোন দেওয়া হলে তিনি একটি গণমাধ্যমকে বলেন, আমি কোনো চিঠি পাঠাইনি। আমি চিঠির বিষয়ে কিছু জানি না।

জাতীয় পার্টি থেকে আপনার অনুসারী ও জি এম কাদেরের অনুসারীরা আলাদা নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আলাদা অংশ নেব কেন? ওরা নির্বাচনে অংশ নেবে না বলছে?

আপনি কী নির্বাচনে জি এম কাদেরের সাথে আছেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জি এম কাদেরের সাথেই তো আছি।

প্রথম চিঠিতে জাতীয় পার্টির মহাসচিব ও সংসদ সদস্য মো. মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়েছে- জাতীয় পার্টির ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে দলের প্রার্থী মনোনয়ন ও প্রতীক বরাদ্দ করবেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের। তবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে কিনা বা জোটবদ্ধ হয়ে জাতীয় পার্টি নির্বাচন করবে কিনা সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি চিঠিতে।

বিষয়টি নিয়ে জাতীয় পার্টির মহাসচিব ও সংসদ সদস্য মো. মুজিবুল হক চুন্নুর কাছে জানতে চাইলে তিনি  বলেন, জাতীয় পার্টি নির্বাচনে যাবে কিনা সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই দ্বাদশ নির্বাচনে অংশগ্রহণের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

বার্তা বাজার/জে আই