গণবিরোধী তফসিল বাতিল এবং কেয়ারটেকার সরকারের গণদাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

বুধবার (১৫ নভেম্বর) দলটির কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম এ হুঁশিয়ারি দেন।

তিনি বলেন, সরকারের ফরমায়েসী নির্বাচনী তফসিল ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করে জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে এসেছে। তারা এই ষড়যন্ত্রমূলক ও গণবিরোধী তফসিল বাতিল এবং কেয়ারটেকার সরকারের গণদাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বে না।

ড. রেজাউল করিম বলেন, আওয়ামী লীগ কখনই গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সহায়ক শক্তি ছিল না, এখনও নয়। তারা যতবার ক্ষমতায় এসেছে ততবারই গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটের অধিকার নিয়ে নগ্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। অতীতে তারা দেশের সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ ঘোষণা করে দেশে একদলীয় বাকশালী শাসন কায়েম করেছিল। কিন্তু তাদের সে ষড়যন্ত্র স্থায়ি হয়নি। কিন্তু তাদের মাথা থেকে এখনও বাকশালী ভূত নেমে যায়নি। তারা দেশে অঘোষিতভাবে আবারও বাকশাল প্রতিষ্ঠার জন্য নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। সে ধারাবাহিকতায় নির্বাচন কমিশন দিয়ে একতরফা নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেছে। কিন্তু তাদের সে ষড়যন্ত্র কখনোই সফল ও স্বার্থক হতে দেওয়া হবে না।

এ সময় হঠকারিতা পরিহার করে অবিলম্বে ফরমায়েসী তফসিল বাতিল করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অন্যথায় জনগণ সরকার ও দলদাস নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে যুগপৎ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

জাতায়াতের এই নেতা বলেন, সরকার এক তরফা নির্বাচন করার জন্য দেশে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। চলমান বিরোধীদলীয় আন্দোলন নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে দমনের জন্য সারাদেশেই রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে। জনতার ওপর লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে জনগণের জানমালের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে।

রেজাউল করিম বলেন, বর্তমান সরকার তাদের দলীয় সন্ত্রাসী বাহিনীকে মাঠে নামিয়ে গোটা দেশেই এক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। কিন্তু এসব করে মাফিয়া সরকারের শেষ রক্ষা হবে না। জনগণ সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে ছেড়ে কথা বলবে না।

বার্তা বাজার/জে আই