জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব ও সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন বলেছেন, নির্বাচনের পূর্বে প্রচণ্ড শক্তি প্রয়োগে বিরোধী দলকে রাজনৈতিক মাঠ থেকে বিতাড়িত করা, বেশুমার আটক-গ্রেপ্তার ও নিপীড়ন করে নীল নকশার অংশ হিসেবে একতরফা তপশিল ও নির্বাচনের ঘোষণা হবে সংঘাত এবং রক্তপাতকে উসকানি দেওয়া। এর পরিণতি হবে ভয়াবহ। মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) এক যৌথ বিবৃতিতে এ কথা বলেন তারা।

বিবৃতিতে জেএসডির শীর্ষ নেতৃদ্বয় বলেন, দেশে নৈরাজ্য ও বিপর্যয়কর রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সরকারের ক্ষমতা ধরে রাখার নীল নকশার আয়োজনে এই সপ্তাহে নির্বাচনী তপশিল ঘোষণা করা হতে পারে। এ থেকে নির্বাচন কমিশনকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

তারা বলেন, বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ রাজনীতি চরম নৈরাজ্য ও বিপর্যকর পর্যায়ে উপনীত হয়েছে। যেভাবে বিরোধীদের দমন-পীড়ন করা হচ্ছে, নির্বিচারে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, বাড়িতে বাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপর সরকারদলীয় আধিপত্য বিস্তার করা হয়েছে, তাতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করার কোনো বাস্তবতা নেই।

তারা আরও বলেন, নির্বাচনের পূর্বে প্রচণ্ড শক্তি প্রয়োগে বিরোধী দলকে রাজনৈতিক মাঠ থেকে বিতাড়িত করা, বেশুমার আটক-গ্রেপ্তার ও নিপীড়ন করে নীল নকশার অংশ হিসেবে একতরফা তপশিল ও নির্বাচনের ঘোষণা হবে সংঘাত এবং রক্তপাতকে উসকানি দেওয়া। এর পরিণতি হবে ভয়াবহ। যা রাষ্ট্রকে বিপজ্জনক হুমকির দিকে নিয়ে যাবে। তপশিল ঘোষণার পর সংঘাত-সংঘর্ষ ও রক্তপাতের সকল দায়-দায়িত্ব সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে বহন করতে হবে। এই আত্মঘাতী খেলা থেকে সকল পক্ষকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

বার্তাবাজার/এম আই