ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে পেটানোর প্রকাশ্য হুমকিকে ‘সহিংস বক্তব্য’ বলে আখ্যা দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর। তারা মনে করছেন, এ ধরনের সহিংস বক্তব্য খুবই অসহযোগিতামূলক আচরণের বহিঃপ্রকাশ।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর এক আওয়ামী লীগ নেতার পিটার হাসকে পেটানোর হুমকির প্রসঙ্গটি বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ে উঠলে উপপ্রধান মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল এসব মন্তব্য করেন।

গত ৬ নভেম্বর বাঁশখালীর চাম্বল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মুজিবুল হক চৌধুরী এক সমাবেশে পিটার হাসকে পেটানোর হুমকি দেন। তার বক্তব্য নিজের ফেসবুক লাইভেও প্রচার করেন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক এ ধরনের হুমকি ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত উদ্বেগকে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে মূল্যায়ন করবে প্রশ্ন করেন।

জবাবে বেদান্ত প্যাটেল বলেন, ‘মার্কিন কূটনীতিক ও দূতাবাসের নিরাপত্তার বিষয়টি আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের সহিংস বক্তব্য খুবই অসহযোগিতামূলক আচরণের বহিঃপ্রকাশ। যেকোনো স্বাগতিক দেশের সরকার মার্কিন কূটনীতিক ও স্থাপনার নিরাপত্তা বজায় রাখতে সব ধরনের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আমরা আশাবাদী।’

বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে একই সাংবাদিকের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের উপপ্রধান মুখপাত্র বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক প্রার্থী বা দলকে সমর্থন করেন না। আমাদের আশা হলো, বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন যেন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়। আর সেজন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকার, বিরোধী দল, সুশীল সমাজ ও অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।’

বার্তাবাজার/এম আই