জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এককভাবে নির্বাচনের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে জাতীয় পার্টি। এজন্য আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দুর্নীতিমুক্ত ভালো প্রার্থীকে নমিনেশন দেওয়া হবে। আপনারা জনগণের কাছে গিয়ে জাতীয় পার্টির উন্নয়নের কথা বলুন। জাতীয় পার্টিকে শক্তিশালী করুন।

শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে লালমনিরহাট রেলওয়ে অফিসার্স ক্লাব মাঠে জাতীয় পার্টির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

জিএম কাদের বলেন, ৯০ সালের পর থেকে যখনই যে ক্ষমতায় গেছে। জাতীয় পার্টিকে ধ্বংস করার ষড়ন্ত্র করেছে। এই সরকারও জাতীয় পার্টিকে দুর্বল করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু কেউই জনগণের হৃদয় থেকে জাতীয় পার্টিকে, লাঙ্গল প্রতীককে মুছে ফেলতে পারেনি। বরং আজকে সেই লাঙ্গল প্রতীক, জাতীয় পার্টি আরও উজ্জীবিত হয়েছে, আরও শক্তিশালী হয়েছে।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, দেশের মালিক জনগণ। অথচ এই আইনের মাধ্যমে দেশের মালিক জনগণকে মুক্তচিন্তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করে, কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এইভাবে বর্তমান সরকার দেশে একদলীয় শাসন ব্যবস্থার দিকে যাচ্ছে ও গণতন্ত্রকে হত্যা করছে। এই সরকার জনগণের জবাবদিহিমূলক সকল প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে ফেলছে। ইতিহাস বিকৃত করা হচ্ছে।

বিএনপির এক দফা আন্দোলন সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, আপনারা কেমন? আমরা জানি। এই বিএনপির আমলে বিদ্যুতের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জে গুলিতে মানুষ হত্যা করা হয়েছে। বিএনপির সরকার দুর্নীতিতে পাঁচ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তারেক রহমান হাওয়া ভবন খুলে দেশে লুটপাট ও দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছিল।

সম্প্রতি ডিএমপির এডিসি ও রাষ্ট্রপতির এপিএস এর সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, বিএনপির একদফা মানে তারেক রহমানকে মুক্তি করা। এইটা এ দেশের মানুষ চায় না। আর বিএনপি-আওয়ামী লীগের একই লক্ষ্য আর তা হলো-ক্ষমতায় যাওয়া। দেশের মানুষ আর তাদের ক্ষমতায় দেখতে চায় না। আগামী সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির সরকার গঠনে দেশের জনগণ আজ এক হয়েছে। এজন্য জাতীয় পার্টি ৩০০ আসনে নির্বাচন করবে।

বার্তাবাজার.এম আই