বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সভাপতি আসাদুল হাবিব দুলুর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সদর থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে লালমনিরহাট জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে পাঁচটায় জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের মিশন মোর এর পাশে অস্থায়ী মঞ্চে সমাবেশ করে বিএনপির নেতারা।

এর পূর্বে বিভিন্ন উপজেলা, ইউনিয়ন ও ইউনিটের নেতাকর্মীরা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হোন। এরপর সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিল শেষে অস্থায়ী মঞ্চে বক্তব্য দেন বিএনপি নেতারা। তারা সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করার পাশাপাশি অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু’র বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করার আহ্বান জানান। দায়ের কৃত অভিযোগ প্রত্যাহার করা না হলে আগামীতে লাগাতার কর্মসূচি দিয়ে পুরো জেলাকে অচল করে দেয়ার হুঁশিয়ারি দেন নেতারা।

তারা বলেন, আগামী দিনে লালমনিরহাট জেলা কারাগার হবে আমাদের ঠিকানা। আগামী দিনে সরকার পতনের ১ (এক) দফা দাবি আদায় ও সকল আন্দোলন সংগ্রামে সকলকের রাজপথে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানানো হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান বাবলা।বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সহ-সভাপতি এ্যাড. মোঃ রফিকুল ইসলাম। কর্মসূচিতে আসাদুল হাবিব দুলু উপস্থিত থাকলেও তিনি কোন বক্তব্য দেননি এবং মিছিল প্রত্যক্ষ্য ভাবে অংশ নেননি। তবে হুড তোলা গাড়ীতে করে নেতাকর্মীদের হাত নাড়িয়ে উৎসাহ দিয়ে হামার বাড়ীতে অবস্থান নেন।

উল্লেখ্য, সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী সমাবেশে আসাদুল হাবিব দুলু বক্তৃতায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তাচ্ছিল্য করে বলেন, শেখ হাসিনার বাবাকে যতলোক না চেনে তার চেয়ে হাজার গুণ বেশি মানুষ ড. ইউনুসকে চেনে। এছাড়া গত ৩০ আগস্ট লালমনিরহাট জেলা বিএনপির কর্মসূচিতে তিনি বলেন,বঙ্গবন্ধু টঙ্গবন্ধু সব বঙ্গোপসাগরে ভেসে যাবে।উক্ত কটুক্তিমূলক বক্তব্যের প্রেক্ষিতে জেলা আইনজীবী পরিষদের সদস্য এ্যাড. রাকিবুল হাসান খান (রকু) বাদী হয়ে সদর থানায় দুলু’র বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

বার্তাবাজার/এম আই