রাজধানীর সব প্রবেশমুখে চেকপোস্ট বসিয়েছে পুলিশ। এসব চেকপোস্টে ঢাকামুখী যানবাহন তল্লাশি করা হচ্ছে। সন্দেহ হলেই বাস, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার আটকে যাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। তবে আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বহনকারী গাড়িতে কোনো তল্লাশী চালাতে দেখা যায়নি।

রাজধানীর গাবতলীর প্রবেশমুখ আমিনবাজার চেকপোস্টে দেখা যায়, পুলিশ এবং ডিবি প্রতিটি বাস থামিয়ে তল্লাশী করছে। বাসে আসা প্রতিটি যাত্রীর ব্যাগ তল্লাশী করা হচ্ছে। তবে এই চেকপোস্ট হয়ে আওয়ামী লীগের ব্যানার লাগানো গাড়িগুলোকে পার হতে কোনো তল্লাশীর মুখে পড়তে দেখা যায়নি। ব্যানার ছাড়া কিছু গাড়ি আটকানোর পর আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগ পরিচয় দিলে তল্লাশী ছাড়া ছেড়ে দিতেও দেখা গেছে।
আমিনবাজার ছাড়াও বুড়িগঙ্গা সেতুর দক্ষিণপ্রান্ত ও সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক এলাকায়ও চেকপোস্ট দেখা গেছে। এছাড়া রাজধানীর ভেতরের টেকনিক্যাল, মাজার রোড, গাবতলী মোড়েও ব্যারিকেড বসিয়ে যান চলাচল সীমিত করা হয়েছে।

এসব চেকপোস্টে বিশেষ করে মাইক্রোবাস ও কার থামিয়ে ঢাকায় কোথায় যাচ্ছেন, কী প্রয়োজনে যাচ্ছেন এসব জিজ্ঞাসা করা হয়। এছাড়া যাত্রীদের মোবাইলও তল্লাশী করা হচ্ছে।

জানতে চাইলে চেকপোস্টে দায়িত্বরত পুলিশে কর্মকর্তারা জানান, রাজধানীতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমাবেশ আজ। এই সমাবেশে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে পুলিশ সচেষ্ট আছে। আমরা কোনো গাড়িই আটকাচ্ছি না। তবে প্রত্যেক গাড়িতে আমরা তল্লাশি করছি।

বার্তা বাজার/জে আই