২০, অক্টোবর, ২০১৮, শনিবার | | ৯ সফর ১৪৪০

চাহিদার ৭০ ভাগ মধু আমদানি করতে হয়

বাংলাদেশে আনুমানিক ২৫ হাজার মৌচাষি আছে এবং বছরে মাত্র ৩ হাজার টন মধু উৎপাদিত হয়। আর তাই চাহিদার প্রায় ৭০ ভাগ আমদানি করা হয়। মধু উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে দক্ষতা বৃদ্ধি করা সম্ভব হলে এই মৌচাষিদের মাধ্যমে বছরে ২৫ হাজার টন থেকে ১ লাখ টন পর্যন্ত মধু উৎপাদন করা সম্ভব। ফলে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানিও করা যাবে। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) ও প্রিজম প্রকল্পের আয়োজনে বাংলাদেশি মধু ব্র্যান্ডিং শীর্ষক দিনব্যাপী এক নীতি নির্ধারণী কর্মশালায় এ তথ্য জানানো হয়। গতকাল রাজধানীর পুরানা পল্টনের ইআরএফ মিলনায়তনে আয়োজিত কর্মশালায় শিল্প মন্ত্রণালয় ও বিএসটিআইয়ের প্রতিনিধি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, মধু প্রক্রিয়াজাতকারক, রপ্তানিকারক, বিসিক, এসএমই ফাউন্ডেশন, গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন। এতে সভাপতিত্ব করেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব, বিসিকের নকশা ও বিপণন বিভাগ এবং প্রিজম প্রকল্পের পরিচালক মো মাহবুবুর রহমান। কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রিজম প্রকল্পের সিনিয়র এক্সপার্ট মাতেজা ডামেস্টিয়া। মূল প্রবন্ধে মধুর বৈশ্বিক উত্পাদন-বাজার, বাংলাদেশের মধু চাষ এবং এর উত্পাদনের চিত্র তুলে ধরা হয়। মধু আন্তর্জাতিক বাজারে পরিচিত করাতে পৃথক পৃথক ব্র্যান্ডিং না করে বাংলাদেশি মধু বা মেইড ইন বাংলাদেশ নামে ব্র্যান্ডিং করার পরামর্শ দেওয়া হয়।