আফিফের দুর্দান্ত ফিফটিতে জয় পেল বাংলাদেশ

১৪৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে মাঠে আসেন দুই ওপেনিং ব্যাটসমান সৌম্ম সরকার এবং লিটন দাস। সাবধানী শুরু করেন এই দুই ব্যাটসম্যান। কিন্তু হটাৎ খেই হারিয়ে ফেলেন এই দুই ব্যাটসম্যান।

দলীয় ২৬ রানের মাথায় বিদায় নেন এই দুই ব্যাটসম্যান । লিটন ১৯ রান, সৌম্ম ৪ রান এবং মুশফিক ০ করে আউট হন । তারপর মাঠে আসেন সাকিব । কিন্তু কিছুই করতে পারেন নাই সাকিব। ব্যাক্তিগত ১ রান করে চাতারার বলে আউট হন সাকিব । সাকিবের বিদায়ের পর মাঠে আসেন সাব্বির রহমান। মাহমুদুল্লাকে সাথে নিয়ে দেখে শুনে খেলে যান সাব্বির ।

কিন্তু বেশিক্ষন মাঠে থাকতে পারেন নাই এই দুই ব্যাটসম্যান। দলীয় ৫৬ রানের মাথায় ব্যাক্তিগত ১৪ রান নিয়ে আউট হন রিয়াদ। তারপরই সাব্বির বিদায় নেন ১৫ রান করে । তারপর মাঠে আসেন তরুণ তুর্কি আফিফ। মোসাদ্দেক কে সাথে নিয়ে বিদ্ধ্বংসী ব্যাটিং করেন আফিফ।

২৬ বলে ৫২ রান নিয়ে আউট হন আফিফ । জয়ের জন্য তখন প্রয়োজন ছিল ৫ বলে ৩ রান । তারপর মাঠে আসেন সাইফুদ্দিন । মোসাদ্দেককে সাথে নিয়ে বাকি কাজ টা সেরে ফেলেন সাইফুদ্দিন। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ সংগ্রহ ১৭.৪ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৮ রান। যার ফলে বাংলাদেশ জয়লাভ করে ৩ উইকেটে । মোসাদ্দেক ২৪ বলে ৩০ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন ।

এ ছাড়া খেলার শুরুতে টসে জয়লাভ করে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই টেইলরের উইকেট হারিয়ে বড় ধরণের ধাক্কা খায় জিম্বাবুয়ে ।

দলীয় ৭ রানের মাথায় ব্যাক্তিগত ৬ রান নিয়ে তাইজুলের প্রথম বলে আউট হন ব্রেন্ডন টেইলর। তারপর দলের হাল ধরেন অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজা এবং ক্রেইগ আরভিন। বেশিক্ষন দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন নাই এই জুটি ।

দলীয় ৫১ রানের মাথায় ব্যাক্তিগত ১১ রান নিয়ে ফিজের বলে আউট হন ক্রেইগ আরভিন। আরভিনের বিদায়ের পর কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন মাসাকাদজা । তবে সে প্রতিরোধ বড় হতে দেন নাই সাইফুদ্দিন। দলীয় ৫৬ রানের মাথায় ব্যাক্তিগত ২৬ বলে ৩৪ রান নিয়ে সাইফুদ্দিনের বলে বিদায় নেন জিম্বাবুয়ে দলনেতা ।

মাসাকাদজার বিদায়ের পর দলীয় ৫৬ রানে, রানের খাতা না খুলে মোসাদ্দেকের প্রথম বলে বিদায় নেন উইলিয়ামস। উইলিয়ামসের বিদায়ের পর মাঠে আসেন টিমাইসেন মারুমা । যদিও মাঠে এসে তেমন কিছুই করতে পারেন নাই মারুমা। রায়ান বার্লের সাথে ভুল বুজাবুজিতে মোস্তাফিজের বলে রান আউটের শিকার হন টিমাইসেন মারুমা।

তারপর মাঠে আসেন মুতোমবোদজি। রায়ান বার্লকে সাথে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান মুতোমবোদজি । চাপ সামলিয়ে জিম্বাবুয়েকে এগিয়ে নিয়ে যান এই জুটি । এই দুজনে মিলে করেন ৮১ রান । রায়ান বার্ল ৩২ বলে ৫৭ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন । ‍

শেষ পর্যন্ত ১৮ ওভারে ৫ উইকেটে জিম্বাবুয়ে সংগ্রহ ১৪৪ রান । যার ফলে বাংলাদেশের সামনে সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৮ ওভারে ১৪৫ রান । বাংলাদেশের পক্ষ্যে তাইজুল,সাইফুদ্দিন,মোসাদ্দেক,মোস্তাফিজ প্রত্যেকে নেন ১ টি উইকেট করে ।

বার্তাবাজার/কেএ

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর