নিটল মটরসের তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জালিয়াতি মামলা দায়ের

নিটল মটরসের তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ট্রাক বিক্রি ও টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগে যশোরের আদালতে মামলা হয়েছে।

যশোর শহরতলীর তরফ নওয়াপাড়ার ইমরান মিয়া ইমু বাদী হয়ে (রোববার ০৯ই সেপ্টেম্বর) জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলা করেন। অভিযোগটি আমলে নিয়ে আদালতের বিচারক সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট গৌতম মল্লিক (পিবিআই) কে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দিয়েছেন।

এ মামলায় অভিযুক্তরা হলেন, নিটল মটরস যশোর শহরের ঢাকা রোড বারান্দীপাড়া তালতলা অফিসের সিইও নুরুজ্জামান, ব্রাঞ্চ ম্যানেজার আসাদ ও এরিয়া ম্যানেজার রায়হান।

বাদীর দায়ের করা মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, তিনি যশোরের ঢাকা রোড তালতলার নিটল মটরসের অফিস থেকে ৩৭ লাখ ২৬ হাজার টাকা ৬০টি কিস্তিতে পরিশোধের শর্তে ২ লাখ টাকা ডাউন পেমেন্ট দিয়ে(ঢাকা মেট্রো-ট-২০-১৭৭৬) একটি ট্রাকের চ্যাসিস ক্রয় করেন। এছাড়া ওই অফিসে রেজিস্ট্রেশন বাবদ ৮৯ হাজার ২৪৬ টাকা, ইন্সুরেন্স বাদদ ২৪ হাজার ৭০১ টাকা, পেপার প্রসেসিং বাবদ আড়াই হাজার টাকাসহ মোট ৩ লাখ ১৬ হাজার ৪৪৮ টাকা জমা দিয়ে চ্যাসিসটি গ্রহণ করেন।

এরপর বডি নির্মাণের জন্য আরো ব্যয় হয় সাড়ে ৬ লাখ টাকা। গাড়িটি রোডে চলাকালীন ২৫টি কিস্তিতে ১৫ লাখ ৩১ হাজার ৫৪৮ টাকা কোম্পানির অনুকুলে জমা দেন। এতে ওই গাড়ির পিছনে বাদীর সর্বমোট ব্যয় করেন ২৪ লাখ ৯৭ হাজার ৯৯৬ টাকা।

রোডে গাড়িটি চলাকালীন সময়ের মধ্যে আসামিরা গাড়িটি আটক করে অন্যত্র লুকিয়ে রাখে। পরবর্তীতে কোম্পানির ঢাকা অফিসে যোগাযোগ করে জানতে পারেন ওই তিনজনে গাড়িটি বাদীর স্বাক্ষর জাল জালিয়াতি করে অন্যাত্র বিক্রি করে দিয়েছে। ফলে গাড়ির মালিক ইমরান মিয়া ইমুর ২৪ লাখ ৯৭ হাজার ৯৯৬ টাকা ওই তিনজনে আত্মসাৎ করেছে। পরে বিষয়টি তাদের কাছ জানতে চাইলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

বার্তাবাজার/ডব্লিওএস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর