১৫, ডিসেম্বর, ২০১৮, শনিবার | | ৬ রবিউস সানি ১৪৪০

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত হয়েছে: রাষ্ট্রপতি

আপডেট: ডিসেম্বর ৮, ২০১৮

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত হয়েছে: রাষ্ট্রপতি

বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির (বিএমএ) এখন একটি অত্যাধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন একাডেমি’ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু একদিন যে স্বপ্ন দেখেছিলেন; তা বাস্তবে পরিণত হয়েছে।

শনিবার (৮ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় ভাটিয়ারির বিএমএ প্যারেড গ্রাউন্ডে বিএমএর ৭৬তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের অফিসার ক্যাডেটদের কমিশনপ্রাপ্তি অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

এসময় তিনি কুচকাওয়াজ পরিদর্শন এবং অভিবাদন গ্রহণ করেন। পরে তিনি ক্যাডেটদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

এ কুচকাওয়াজের মাধ্যমে ২৫৪ জন বাংলাদেশী, ২ জন সৌদি এবং একজন শ্রীলংকান ক্যাডেটসহ মোট ২৫৭ জন ক্যাডেট কমিশন লাভ করেন। এর মধ্যে ২১৭জন পুরুষ ও ৩৭জন নারী ক্যাডেট আছেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি বলেন, ফোর্সেস গোল ২০৩০-এর অংশ হিসেবে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নসহ শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সমরাস্ত্র ও সরঞ্জাম সংগ্রহ করা হয়েছে। আজকের বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অবকাঠামোগত, কৌশলগত এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে এক দশক আগের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা।

স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বদা সজাগ থাকার জন্য নবীন ক্যাডেটদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, তোমরা এদেশের সন্তান, জনগণের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তোমাদের মানুষের সুখ-দুঃখ ও হাসি-কান্নার সমান অংশীদার হতে হবে। যেকোনো দুর্যোগ-দুঃসময়ে বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।

মায়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন সুশৃঙ্খলভাবে ত্রাণ বিতরণ ও পরিচয়পত্র তৈরিতে সেনাবাহিনীর ভূমিকা প্রশংসিত। দেশ-বিদেশে দায়িত্ব পালনে দক্ষতা ও পেশাদারিত্ব দেখিয়ে ইতোমধ্যে আমাদের সেনাবাহিনী সব মহলের প্রশংসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের মানুষ শান্তি আর সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে জানবে, এটিই জাতির প্রত্যাশা।

অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ ও বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাতসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।