১৫, ডিসেম্বর, ২০১৮, শনিবার | | ৬ রবিউস সানি ১৪৪০

নৌকার পক্ষে তিন শতাধিক সাবেক আমলা-কূটনীতিক

আপডেট: ডিসেম্বর ৮, ২০১৮

নৌকার পক্ষে তিন শতাধিক সাবেক আমলা-কূটনীতিক

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার পক্ষে কাজ করবেন তিন শতাধিক সাবেক আমলা, কূটনীতিক ও প্রকৌশলী। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার কাছে একাত্মতা প্রকাশ করে নৌকার বিজয়ে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন তারা।

গতকাল সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সাবেক আমলা, শিক্ষক, প্রকৌশলী, চিকিৎসকদের মধ্যে ৩০৭ জন উপস্থিত ছিলেন বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করে।

সূত্রের তথ্যমতে, সাবেক সরকারি আমলাদের মধ্যে সিনিয়র সচিব ৬৫ জন, সাবেক রাষ্ট্রদূত ৯ জন, যুগ্ম/উপসচিব পর্যায়ের ৭৫ জন, স্বাস্থ্য ক্যাডারের ১৪ জন, শিক্ষা ক্যাডারের ১৫ জন, প্রকৌশলী ২৭ জন, বন ও ডাক বিভাগের ১১ জন, পুলিশ ক্যাডারের ১৪ জন, কর বিভাগের ১৩ জন, কৃষি বিভাগের ৬৭ জন, টেলিকম, শুল্ক, রেলওয়ে, খাদ্যসহ অন্যান্য কাডারের ১১ জন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাবেক কর্মকর্তাদের মধ্যে দুদকের সাবেক চেয়ারম্যান বদিউজ্জামান, এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান এ আর খান, প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান মোল্লা ওয়াহেদুজ্জামান, সাবেক মুখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, সাবেক মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মাসুদ আহমেদ, সাবেক সিনিয়র সচিব মেজবাহ উদ্দিন, মেজবাহউল আলম, ইউনুসুর রহমান, সাবেক সচিব আবু তাহের, হেমায়েত উদ্দিন তালুকদার, মাহবুবউল আলম খান, শৈলেন্দ্র নাথ মজুমদারসহ মোট ৬৫ জন উপস্থিত ছিলেন।

সাবেক রাষ্ট্রদূতদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এ টি এম নজরুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, আজিজুল হক, গোলাম মোহাম্মদ এনডিসিসহ মোট নয়জন। যুগ্ম/উপসচিব পর্যায়ে ছিলেন জি কে নুরুল আমিন, শাহ মো. মনসুরুল হক, ফজলুল আহাদ, ইয়াহিয়া চৌধুরীসহ মোট ৭৫ জন।

শিক্ষা ক্যাডারের সাবেক কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক মো. নোমানুর রশীদ, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যক্রমের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আবুল কাশেম মিয়া, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক রাম দুলাল রায়, ঢাকা কলেজেরে সাবেক অধ্যক্ষ আয়েশা বেগমসহ মোট ১৫ জন।

সাবেক প্রধান বনসংরক্ষক ইউনুছ আলী, উপপ্রধান বন সংরক্ষক ফারুক হোসেনসহ বন বিভাগের সাবেক ৬ জন কর্মকর্তা। ডাক বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত সচিব এরসাদ হোসেন এনডিসি, সাবেক মহাপরিচালক প্রভাস চন্দ্র সাহাসহ পাঁচজন।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী কবির আহমেদ ভূঁইয়া, স্থাপত্য অধিদপ্তরের সাবেক প্রধান স্থপতি আহসানুল হক খানসহ ২৭ জন প্রকৌশলী উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি আবদুল মান্নান, মো. সামসুদ্দোহা খন্দকার, অমূল্য ভূষণ বড়–য়াসহ পুলিশের সাবেক ১৪ জন কর্মকর্তা; কর বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত সচিব শওকত আলী ওয়ারেসি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক সদস্য আমিনুর রহমানসহ সাতজন করকর্মকর্তা; বিটিসিএলের সাবেক সদস্য আমিনুল হাসান, টেলিফোন শিল্পসংস্থা সাবেক এমডি কবির হাসানসহ তিনজন ছিলেন সেখানে।

এ ছাড়া সাবেক তথ্য কর্মকর্তাদের মধ্যে অতিরিক্ত সচিব এ কে এম নেছার উদ্দিন ভুঞা, অমিতাভ চক্রবর্তী, সাবেক প্রধান তথ্য কর্মকর্তা এ কে এম শামীম চৌধুরীসহ ছয়জন তথ্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

সাবেক মহাহিসাব নিয়ন্ত্রক ও নিরীক্ষক আবুল কাশেম, সাবেক অতিরিক্ত সচিব নাসির উদ্দিনসহ রেলওয়ের সাবেক চার কর্মকর্তা এবং খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক বদরুল হাসান, সাবেক অতিরিক্ত সচিব তৌহিদ উদ্দিন আহমেদসহ চারজন উপস্থিত ছিলেন।

সাবেক কৃষি কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন ডিএই সাবেক ডিজি এম এনামুল হক, সাবেক সচিব জেড করিম, ডিআই সাবেক ডিজি রহিম উদ্দিন আহম্মেদ, অনিল চন্দ্র সরকারসহ ৭৫ জন।

আসন্ন একাদশ জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে গণভবনে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে এর আগেও বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই বৈঠকে আসন্ন নির্বাচনে নৌকার নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের লক্ষ্যে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর দেড় শতাধিক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আওয়ামী লীগের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।