২০, নভেম্বর, ২০১৮, মঙ্গলবার | | ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

ঢাকা টেস্টে যে পরিকল্পনা জিম্বাবুয়ের

আপডেট: নভেম্বর ১০, ২০১৮

ঢাকা টেস্টে যে পরিকল্পনা জিম্বাবুয়ের

বিদেশের মাটিতে ১৭ বছর পর টেস্ট জিতেছে জিম্বাবুয়ে। নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে বিদেশের মাটিতে তৃতীয় টেস্ট সিরিজ জয়ের স্বপ্ন দেখছে তারা। আর তার জন্য দলকে আত্মবিশ্বাসী থাকতে বললেন দলীয় অধিনায়ক হ্যামিলটন মাসাকাদজা। তার মতে, মিরপুরের উইকেট হবে সিলেটের মতোই। তাই খুব বেশি চিন্তার কিছু নেই। এমনকি একটা ইনিংসে খারাপ করলেও ভয়ের কিছু দেখছেন না জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক। মিরপুরের উইকেটে খেলার পরিকল্পনা নিয়েও কথা বললেন তিনি।

জিম্বাবুয়ে এর আগে ২০০১ সালে বাংলাদেশে এসে টেস্ট সিরিজ যেতে। এছাড়া ভারতের মাটিতে একটি টেস্ট সিরিজ জয়ের রেকর্ড আছে তাদের। ঘরের বাইরে তৃতীয় সিরিজ জয়ের প্রত্যাশা নিয়ে মাসাকাদজা বলেন, ‘যদি আমরা সিরিজ জিততে পারি সেটা হবে দলের জন্য বড় পাওনা। আমরা নিকট অতীতে সিরিজ জিততে পারেনি, এমনকি খুব বেশি ম্যাচও জিতিনি আমরা। এই জয় দলের জন্য তাই বড় উৎসাহের। প্রথম টেস্টের জয় আমাদের আত্মবিশ্বাসী করেছে। এখন দল হিসেবে আমাদের সিরিজ জয়ের দিকে চোখ।’

সিলেটের উইকেট ছিল স্পিন সহায়ক। সে হিসেবে শক্ত স্পিন আক্রমণ নিয়ে মাঠে নামে বাংলাদেশ। কিন্তু নিজেদের পাতা ফাঁদে আটকা পড়ে মাহমুদুল্লাহর দল। ঢাকার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামের উইকেট আবার রহস্য নিয়ে অপেক্ষা করে। মাসাকাদজা উইকেট নিয়ে বলেন, ‘ঢাকার উইকেটে ম্যাচের ফল আসবে। আমরা জানি, সিরিজ জিততে হলে ম্যাচ জিততে হবে আমাদের। দল হিসেবে আমাদের চোখ সেদিকেই। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, এখানে প্রতিপক্ষের ২০ উইকেট তুলে নেওয়া। দল হিসেবে আমরা সেটাই করবো।’

ঢাকার উইকেটে রান বেশি হয়। আর তাই এখানে দ্রুত রান তোলা দরকার। এ বিষয়ে জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক কি ভাবছেন? এ নিয়ে মাসাকাদজা বলেন, ‘প্রথম টেস্টের উইকেট যেমন ছিল তার চেয়ে উইকেটে বেশি পরিবর্তন হবে বলে মনে করি না। খুব দ্রুত রান তোলার দরকার বলেও মনে করছি না। আমরা ধীরে সুস্থে রান করবো। স্কোর বোর্ডে রান জমা করা অবশ্যই খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই উইকেটে ম্যাচ ড্র হবে না। কিন্তু সে জন্য খুব দ্রুত রান তোলা দরকার বলে মনে করছি না।’

বাংলাদেশ দল নিয়ে ভয়ের কথাও জানালেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক হ্যামিলটন মাসাকাদজা। তার মতে, ‘বাংলাদেশ দল আহত বাঘ। তারা এখন জয় পিপাসু। তারা দ্বিতীয় টেস্টে আমাদের বিপক্ষে তাই আরও বেশি কঠোর হবে। বাংলাদেশ দারুণ উজ্জীবিত এবং ভালো দল। আমরা সামনের ম্যাচে আরও কঠিন প্রতিপক্ষ পাবো ধরেই নামবো। আমরাও তাদেরকে কঠিন এক ম্যাচ উপহার দিতে প্রস্তুত।’