কক্সবাজার পর্যটন মেলার মঞ্চে মেরী, ফেইসবুকে সমালোচনার ঝড়

কক্সবাজারে পর্যটন দিবসে পর্যটন মেলার প্রথম দিনেই সাংস্কৃতিক অনুষ্টানে গায়িকা মেরীর গান পরিবেশনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। এই সমালোচনা থেকে বাদ পড়েননি আয়োজকরা। মেরীর গান পরিবেশনার খবর পেয়ে অনেক ভদ্র পরিবারের লোকজন ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনুষ্টানে যায়নি বলে ক্ষোভ জানিয়েছে।

২৭ সেপ্টেম্বর সৈকতের লাবনী পয়েন্টে আয়োজিত পর্যটন মেলার সাংস্কৃতিক অনুষ্টান মঞ্চে রাতে তিনি গান করেন।

অনুষ্টানে তার অংশগ্রহন মেনে নিতে না পেরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্থানীয় সংবাদকর্মী ও সচেতন নাগরিকদের জানানো মন্তব্যের কিছু অংশ তুলে ধরা হলো।

সংবাদ কর্মী আকতার হোসেন কুতুবী লিখেছেন- ককসবাজারে কোন দুঃখে মেরির গান শুনতে পর্যটকরা আসবে, আয়োজকরা কি একটু বলবেন? আমার জানতে বড্ড ইচ্ছে করে! সব পাগলরা কি এক হয়েছে!! বাবা তোমার দরবারে সব পাগলের মেলা, সেই পাগলরা এখন মেরিকে নিয়ে উন্মাদ!!! এই লজ্জা রাখবার জায়গা আমার নেই।মেরির কন্ঠ, সুর, উচ্চারণ দেশ সেরা সংগীত শিল্পী, সুরকার ও সংগীত জগতের আলোকিত গবেষকেরা শুনে সা রে গা মা, শিখতে শুরু করছে মনে হয়, কি আজব কারবার রে বাবা।

সংবাদকর্মী শাহেদ মিজান লিখেছেন- পর্যটন মেলা কি স্থানীয়দের জন্য করা হয়েছে? পর্যটকদের জন্য হলে সেখানে মেরি ও নূরুল আলম কুতুবীর কাজ কি?

সংবাদকর্মী স ম ইকবাল বাহার লিখেছেন- রাতে বড় আশা নিয়ে দেখতে গেলাম পর্যটন মেলা। গিয়ে দেখি সব পাগলের খেলা। আয়োজকদের এ বুদ্ধি কে দিল ভাই? সামনে বসে যারা দেখছে তাদের মানসিক সমস্যা।

সংবাদকর্মী শাহীন মাহমুদ রাসেল লিখেছেন- লুটপাট করার জন্য এসব বেনাম্বারী গায়িকাদের ভাড়া করা হয়েছে।
রিয়াদ মাহমুদ ফয়সাল লিখেছেন- শিল্পী কাকে বলে, মেরী কি শিল্পী?

মিজান রাতুল লিখেছেন- মেরী কে শিল্পী বললে সাবিনা ইয়াসমিনকে কি বলতে হবে?

নাজিম উদ্দীন লিখেছেন- বাজে শিল্পী, উদ্বোধনীতে জাতীয় মানের শিল্পীর পরিবেশনা দরকার ছিলো। এভাবে অসংখ্য বিরূপ মন্তব্যে সয়লাভ ফেইসবুক।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় বেশকিছু ভদ্র পরিবারের লোকজনের দাবী, পর্যটন মেলার যাওয়ার ইচ্ছা সত্ত্বেও যেতে পারিনি। কারন মেরী কোন শিল্পী বা গায়িকার কাতারে পড়েনা। তাছাড়া অনলাইন প্লাটফরমে তার যেসব গান দেখাযায় সে সেগুলো পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একসাথে দেখা বা শুনার উপযোগীনা। তার এসব গান নতুন প্রজন্মের নৈতিকতার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করি আমরা।

এদিকে মেরীর সঙ্গীত পরিবেশনের সময় পর্যটকদের উপস্থিতি কমছিলো। দর্শকদের মধ্যে ছিলো অধিকাংশ নিতান্ত গ্রামের উঠতি বয়সি কিশোর ও শহরের আশেপাশের এলাকার সাধারণ নারী-পুরুষ।

বার্তাবাজার/জে আই

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর