গোরস্থানের জায়গা উদ্ধারের কথা বলে গাছ কেটে নিলেন আ.লীগ নেতা

ফরিদপুরের নগরকান্দায় গোরস্থানের জায়গা উদ্ধারের কথা বলে প্রতিপক্ষের গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা উপজেলার কোদালিয়া শহিদনগর ইউনিয়নের কোদালিয়া গ্রামের আনারউদ্দিন মাতুব্বরের ছেলে আক্কাস আলী মাতুব্বর। সে নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক।

জানা যায়, উপজেলার কোদালিয়া গ্রামের মৃত আবদুল মজিদ মাতুব্বরের পুত্র বেলায়েত হোসেন মাতুব্বরের দলিলকৃত সম্পত্তির ওপর গোরস্তান নির্মাণ সংক্রান্ত একটি সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেয় আওয়ামী লীগ নেতা আক্কাস আলী মাতুব্বর। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার শালিশের মাধ্যমে বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মাতুব্বরেরা মিমাংসার চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়।

শুক্রবার (১৩ মে) সকাল ৮টার দিকে কোদালিয়া ঈদগাহ ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র সংলগ্ন বেলায়েত হোসেন মাতুব্বরের জমিতে রোপণ করা বেশ কয়েকটি গাছ তুলে ফেলেন আওয়ামী লীগ নেতা আক্কাস। এসময় জমির মালিক বেলায়েত মাতুব্বরকেও মারধর করে তিনি। এ ঘটনায় বেলায়েত হোসেন বাদি হয়ে নগরকান্দা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

বেলায়েত হোসেন বলেন, শুক্রবার সকালে আওয়ামী লীগ নেতা আক্কাস আলী মাতুব্বর তার দলবল নিয়ে আমার জমিতে প্রবেশ করে ও আমার রোপণকৃত বেশকিছু ফলের গাছ ভেঙে ফেলে। আমি বাঁধা দিতে গেলে আমাকে মারধর করে।

অভিযুক্ত আক্কাস মাতুব্বর বলেন, আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগটি সম্পুর্ণ মিথ্যা। আমি কারও জমির গাছ কাটিনি বরং বেলায়েত গংরা আমাদের গ্রামের গোরস্থানের জায়গায় গাছ লাগিয়েছে। আমি বিষয়টির মিমাংসা করতে চেয়েছিলাম মাত্র।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার জাকির হোসেন নিলু জানান, গাছ কাটার বিষয়টি দুই পক্ষই আমাকে জানিয়েছে। আমি তাদের আইনের আশ্রয় নিতে বলেছি। কারন এই জায়গাটি নিয়ে ইতিপূর্বে বেশ কয়েকবার শালিশ হয়েছে, কিন্তু কেউ শালিশের রায় মানতে চায় না। নগরকান্দা থানার ওসি হাবিল হোসেন বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্তপুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

মিয়া রাকিবুল/বার্তাবাজার/এম.এম

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর