১১, ডিসেম্বর, ২০১৮, মঙ্গলবার | | ২ রবিউস সানি ১৪৪০

রাজশাহী ও বরিশাল সিটি নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপি

আপডেট: জুলাই ৩১, ২০১৮

রাজশাহী ও বরিশাল সিটি নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপি

কারচুপির অভিযোগ এনে রাজশাহী ও বরিশাল সিটি নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপি। এই দুই সিটিতে পুনরায় নির্বাচনের দাবিতে এবং কারচুপির প্রতিবাদে আগামী বৃহস্পতিবার (২ আগস্ট) সারাদেশের মহানগরীগুলোতে প্রতিবাদ সমাবেশেরও ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (৩১ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় বিএনপির নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা জানান।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘রাজশাহী ও বরিশালের সিটি নির্বাচনে সীমাহীন কারচুপি হয়েছে। এজন্য আমরা এই দুই সিটির নির্বাচন ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি। একই সঙ্গে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি। সিলেট সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু হলে আমাদের দলের মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক লক্ষাধিক ভোটে জয়লাভ করতো। একইভাবে বরিশাল এবং রাজশাহীতে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন হলে আমাদের দলের প্রার্থীরা লক্ষাধিক ভোটে জয়লাভ করতো। নির্বাচন কারচুপি ও পুনরায় নির্বাচনের দাবিতে আগামী বৃহস্পতিবার সারাদেশের মহানগরে প্রতিবাদ সমাবেশ করা হবে।’

এসময় তিনি তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ রাজনৈতিকভাবে জনবিচ্ছিন্ন দলে পরিণত হয়েছে। তারা জানে যে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তারা ক্ষমতায় যেতে পারবে না। এজন্য প্রশাসনকে ব্যবহার করে আবারও ৫ জানুয়ারির মত একতরফা নির্বাচন করে ক্ষমতায় যেতে চায়।

আওয়ামীলীগ ও বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না বলে দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নিরপেক্ষ সরকার গঠন করতে হবে যারা নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করবে। একই সঙ্গে এই নির্বাচন কমিশনকে পুনর্গঠন ও নতুনভাবে গঠন করতে হবে। পাশাপাশি নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দিয়ে মেজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে। খালেদা জিয়াসহ রাজবন্দীদের মুক্তি দিতে হবে।’