সিরাজদিখানে গৃহবধূর আত্নহত্যা নিয়ে নানা রহস্য

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে গৃহবধূ কামিনা বেগম (২৮) নামে তিন সন্তানের জননী গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তবে হত্যা না আত্মহত্যা এ নিয়ে রহস্যের দানা বেধেছে। পুলিশ বলছে ময়না তদন্ত ছাড়া সঠিক কিছু বলা যাচ্ছে না। গত রোববার দিবাগত সাড়ে ১২ টার দিকে উপজেলার বয়রাগাদী ইউনয়নের কুমারখালী গ্রামে আব্দুর রহমানের বাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ গতকাল সোমবার সকাল ৮টার দিকে স্বামীর বাড়ি থেকে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। গৃহবধূ উপজেলার কুমারখালী গ্রামের ইউপি সদস্য তাহের আলীর কণ্যা ও একই গ্রামের আব্দুর রহমানের স্ত্রী। ঘটনার পর থেকে গৃহবধূর স্বামীর বাড়ীর লোকজন পলাতক রয়েছে। অপরদিকে গৃহবধূর পিতা ইউপি সদস্য তাহের আলী দ্বাবী করছেন তার মেয়েকে শারিরিক নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেশ কয়েকদিন পূর্বে গৃহবধূ কামিনা বেগমের বসত ঘরের পাসে টয়লেট স্থাপন করে তার জা ইয়াসমিন। কামিনা বেগমের রান্নাঘর পাশে টয়লেট হওয়ার কারণে ভোগান্তি পোহাতে হত কামিনার। এ বিষয় নিয়ে গত বুধবার কামিনার স্বামীর বাড়ীর লোকজনদের সাথে কামিনার কথা কাটাকাটি হলে গত শনিরাবর পারিবারিক ভাবে বিচার শালিস করে তাদের মিলেয়ে দেওয়া হয়। এর পর গেল সোমবার ওই গৃহবধূর লাশ তার স্বামীর বন্ধ বসত ঘরের কোনে আড়ার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। কামিনার শ্বশুর বাড়ীর লোকজন মৃতদেহ নামিয়ে তার পিতা ইউপি সদস্য তাহের আলীকে মুঠোফোনে জানালে রোববার দিবাগত রাত অনুমান ১২টার দিকে লাশ ঘুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফরিদ উদ্দিন জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর