শেরপুরকে মডেল উপজেলায় রুপান্তর করা হবে: ইউএনও

বগুড়ার শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তার দক্ষতায় প্রতিনিয়ত পাল্টে যাচ্ছে উপজেলা বিভিন্ন দপ্তরের চিত্র। প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে শেরপুর উপজেলা প্রশাসনের দক্ষতা ও যোগ্যতা সবার নজর কেড়েছে ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে লিয়াকত আলী শেখ গত ২৯ অক্টেবর ২০১৮ ইং যোগদানের পর উপজেলার অবকাঠামোর ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। এরমধ্যে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে কমিউনিটি সেন্টারকে বেচে নিয়ে উপজেলার ৩০টি কমিউনিটি পরিদর্শন করেছেন এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে নিষ্ঠাবান, ন্যায়পরায়ণ, সমাজসচেতন, সততার ভিত্তিতে নিজেকে গড়ে তুলে সভ্য সমাজ সৃষ্টির লক্ষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘সততার আলো’ ছড়িয়ে দিতে উপজেলার প্রায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে “সততা স্টোর” উদ্ধোধন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে মাদকমুক্ত ব্যতিক্রমধর্মী সাইনবোর্ড ঝুলানো, যৌতুক-বাল্যবিবাহ সহ ইভটিজিং রোধ ও জঙ্গিমুক্ত সামাজিক ব্যবস্থা সকল জাতীয় দিবসের গুরুত্বপূর্ণ কাজ সাফল্যের সাথে বাস্তবায়ন সহ দায়িত্ব তদারকি করে থাকেন। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতি ও পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন। ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন।

এছাড়াও প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কলেজ পরিদর্শন ও প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মান উন্নয়ন করা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থী উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ ও ঝরে পড়া রোধকল্পে বিদ্যালয় পরিদর্শন, অভিভাবক সমাবেশ, বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ, স্কুল ও কলেজের মেধাবী ও অতিদারিদ্র শিক্ষার্থীদের বৃত্তি, বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিছন্ন রাখাসহ বিদ্যালয়কে আকর্ষণীয় করা, বিদ্যালয়ের চারপাশে দেওয়াল নির্মাণ, পরিচ্ছন্ন দল গঠন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জগ্রতকরা। কর্তব্য কাজে ফাঁকি না দিয়ে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে কর্ম, ধ্যান-জ্ঞান, অর্জন সবকিছু উৎসর্গ করে দেশের স্বার্থে, মানুষের কল্যাণে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক, মোবাইল ফোন, ই-মেইল মাধ্যমে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে, উপজেলার বিভিন্ন প্রকল্পের কাজের সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করায় কৃষক, শ্রমিক, জেলে, তাঁতী, শিক্ষক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিকসহ সকল স্তরের মানুষের কাছে জনপ্রিয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী শেখ।

গত দুই মাসে ১৩টি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়েছে। এ সময় ৩১ টি মামলায় ৩১ জনকে দন্ড ও ১জনকে কারাদন্ড দেয়ার পাশাপাশি ৫০ হাজার ৯শ টাকা জরিমানা আদায় কনে রাজস্ব খাতে জমা দিয়েছেন এবং ব্যাংক খাতের দীর্ঘদিনের পাওয়া টাকার সার্টিফিকেট মামলা নিষ্পত্তির হার বৃদ্ধি করেও তাদের নজড় কেরেছেন।

উপজেলার সচেতন মানুষের অভিমত যে, সকল উপজেলায় এমন দেশপ্রেমিক, সৎ, কর্মবীর ইউএনও থাকে তাহলে উন্নত জাতি গঠনের মূলভিত্তি প্রাথমিক শিক্ষার চিত্রটা পাল্টে যাবে। সাদা মনের উচ্চশিক্ষিত, উদারমনা ও মুক্তচিন্তার মানুষটি অল্প সময়ে সবার মন জয় করেছেন। একজন মানুষ মহৎ হয়ে ওঠেন তার কর্মগুণে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী শেখ বলেন, জনস্বার্থে জন নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে, অপরাধ প্রবণতা প্রতিরোধকল্প, বেকার যুবকের কর্মসংস্থান সহ জনগনের স্বার্থে যে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করি যেমন রমজানকে সামনে রেখে বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা গ্রহন করেছি। শেরপুর উপজেলাকে মডেল উপজেলায় রুপান্তর করতে সকল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর