২৩, ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, শুক্রবার | | ৭ জমাদিউস সানি ১৪৩৯

খালেদার তো জেল হয়েছে, তারেকের ফাঁসি হবে!

আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০৭:৪৮ পিএম

খালেদার তো জেল হয়েছে, তারেকের ফাঁসি হবে!
মানি লন্ডারিংয়ের মামলায় আগেই ৭ বছরের কারাদণ্ডে রয়েছেন বিএনপির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান।  এখন জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাজা ১০ বছর।  একই মামলায় তার মা বেগম খালেদা জিয়ার হয়েছে ৫ বছরের কারাদণ্ড।  এই মামলার রেশ কাটতে না কাটতেই সামনে এসে দাড়াচ্ছে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলার বিচার। 




ওই মামলার প্রধান আসামি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান।  তাহলে কী অপেক্ষা করছে তার সামনে ? ফাঁসি ? হয়তো বা, হয়তো না...! 

src="http://bartabazar.com/uploads/file/2018-02/8448.jpg" style="width: 487px;">


আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলা মামলার যুক্তিতর্ক প্রায় শেষ পর্যায়ে।  রাষ্ট্রপক্ষ ইতিমধ্যে তাদের যুক্তিতর্ক শেষ করেছে।  রাষ্ট্রপক্ষ এই মামলায় তারেকের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়েছে।  


অপর দিকে এ মামলায় তারেকের পক্ষের আইনজীবীদের প্রস্তুতি খুব একটা শক্ত নয় বলে জানা গেছে।  বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলছেন, আইনজীবীরা এই মামলাকে সিরিয়াসলি নেয়নি।  মামলার প্রস্তুতিও ভালো ছিল না।  এ নিয়ে কয়েকজন সিনিয়র নেতা এই মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। 





বিএনপির একাধিক সূত্র বলছে, বিএনপির একাধিক নেতা আইনজীবীদের বক্তব্যে সন্তুষ্ট হতে পারেননি।  তারা মনে করছেন, এই মামলাটি প্রফেশনালি হ্যান্ডেল করা হয়নি।  


মামলার ভবিষ্যত খুব খারাপ হতে পারে আশঙ্কা করে আইনজীবীদের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির গুরুত্বপূর্ণ একজন সদস্য বলেছেন, ম্যাডামের তো জেল হয়েছে, তারেকের ফাঁসি হবে।  শুরু থেকেই এ মামলায় আরও বেশি নজর দেয়া উচিৎ ছিলো বলে মনে করেন তিনি। 





এই নেতার মতে, রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত স্পর্শকাতর এ মামলায় তারেকের সর্বোচ্চ শাস্তি হলে তার রাজনীতি করা কঠিন হয়ে পড়বে।  একই সঙ্গে কঠিন হয়ে যাবে বিএনপির রাজনীতিও। 


উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২১ জুলাই মানি লন্ডারিংয়ের মামলায় বিচারিক আদালতের খালাসের রায় বাতিল করে তারেক রহমানকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেন হাইকোর্ট। 





বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধে বিদেশে টাকা পাচারের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে মনে করেছিলেন এ মামলার বিচারিক আদালত।  তবে ওই অপরাধে তারেক রহমানের যুক্ত থাকার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করা যায়নি বলে মনে করেছিলেন আদালত।  সেই বিচার পর্যালোচনা করে প্রায় আড়াই বছর পর হাইকোর্ট বলেন, ‘তারেক রহমান সচেতনভাবে এই আর্থিক অপরাধের অংশ ছিলেন।  তাই তিনি কোনো ধরনের ছাড় পেতে পারেন না। ’ 


মানি লন্ডারিং মামলায় তারেক রহমানকে সাত বছর কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাঁকে ২০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে।