২২, ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, বৃহস্পতিবার | | ৬ জমাদিউস সানি ১৪৩৯

তিন সপ্তাহের বেশি দিন ধরে বন্ধ সিরাজগঞ্জে কমিউনিটি ক্লিনিক

আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০৭:০২ পিএম

তিন সপ্তাহের বেশি দিন ধরে বন্ধ সিরাজগঞ্জে কমিউনিটি ক্লিনিক
সিরাজগঞ্জে তিন সপ্তাহের বেশী দিন ধরে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো বন্ধ থাকায় তৃণমূলের স্বাস্থ্যসেবা ভেঙে পড়েছে।   বিশেষ করে শিশু ও বয়স্ক মানুষ ঠান্ডাজনিত রোগে চিকিৎসা না পাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছে তারা।   এ কারনে তারা সংশ্লিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে ছুটছেন চিকিৎসা নিতে। 




ক্লিনিক গুলোর কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করনের দাবিতে সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে প্রকাশ, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অন্যতম স্বাস্থ্য ও পরিবার
কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর হাতের নাগালে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে সারা দেশের ন্যায় সিরাজগঞ্জে জেলার ৯টি উপজেলায় ৩৫২টি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করা হয়।   এসব ক্লিনিকে সরকার জনবল, চিকিৎসক নিয়োগ ও ওষুধ সরবরাহ শুরু করে যথা নিয়মে।   সেইসাথে ক্লিনিকগুলোতে শুরু হয় স্বাস্থ্যসেবা। 




গত ২০ জানুয়ারি থেকে সিরাজগঞ্জের সবকয়টি উপজেলার কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত হেলথ কেয়ার প্রোভাইডাররা চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে এ জেলার ৩৫২টি কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম বন্ধ রেখে ঢাকায় আন্দোলন শুরু করেন।   কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা নিতে আসা শিয়ালকোল ইউনিয়নের শিলন্দা ও শ্যামপুর গ্রামের বাসিন্দা কৃষক ওয়াহাব আলী, আলমগীর হোসেন, তোরাব আলী, সাহেনা বেগম, আসমা বেগমসহ অনেকেই বলেন, ৩ সপ্তাহের বেশী দিন ধরে ক্লিনিক বন্ধ রয়েছে। 




এ কারনে চিকিৎসা না পেয়ে আজও বাড়ী ফিরে যাচ্ছি।   ওই গ্রামের বৃদ্ধা আয়েশা বেগম বলেন, ক্লিনিক বন্ধ থাকায় ৪০/৫০ টাকা খরচ করে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি।  তিনি আরও বলেন, এ রকম অবস্থা শিশুসহ অনেকের। 




এ বিষয়ে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারদের অ্যাসোশিয়েশন সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শিফাত আহমেদ খান বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে সিরাজগঞ্জের কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডাররা (সিএইচসিপিরা) আন্দোলন শুরু করায় এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। 




সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. কাজী শামিম হোসেন বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো বন্ধ থাকায় ভোগান্তি লাঘবে ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা চলছে।   তবে উপজেলা পর্যায়ের সব চিকিৎসকদের তৃণমূল পর্যায়ের রোগীদের চিকিৎসা দেবার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।