২০, জানুয়ারী, ২০১৮, শনিবার | | ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯

ধর্ষণের পর শিশুকে হত্যা: গ্রেফতার ১

আপডেট: ১২ ডিসেম্বর ২০১৭, ০৮:৪৮ পিএম

ধর্ষণের পর শিশুকে হত্যা: গ্রেফতার ১

আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় আখিঁ আক্তার ইমু নামে ৩ বছরের শিশুকে ধর্ষনের পর হত্যার অভিযোগে সাইম (৩৫) নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে একটি মামলা দায়ের করেছেন। এমন নিষ্টুর ঘটনায় হতবাক এলাকাবাসী। ক্ষুব্ধ একালাবাসী দ্রুত এই ঘটনার সুষ্ট তদন্ত ও বিচারের দাবী জানান প্রশাসনের কাছে।


মঙ্গলবার সকালে অভিযুক্ত সাইমকে আশুলিয়ার জামগড়া রুপায়ন পূর্ব পাড়া থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার সাইম ময়মনসিংহ

জেলার নান্দাইল থানার চরসিরামপুর গ্রামের মৃত হাছেন আলীর ছেলে। সে জামগড়া রুপায়ন-১ এলাকার ফিরোজের বাসায় ভাড়া থাকতো।


নিহত ইমু (৩) মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ি থানার আমতলী গ্রামের ইমরান মল্লিকের মেয়ে। সে বাবা ইমরান, মা সাথী আক্তার ও দাদী আসিয়া বেগমের সাথে ফিরোজের বাসায় থাকতো। নিহতের বাবা রিক্সাচালক ইমরান মল্লিক জানায়, ইমুকে দাদীর কাছে রেখে তিনি ও তার স্ত্রী পোশাক শ্রমিক সাথী আক্তার কাজের উদ্দেশ্যে গতকাল সোমবার দুপুরে বাসা থেকে বের হয়ে যান। বিকেলে ইমু আসামী সাইমের মেয়ের সাথে বাড়ির পাশে খেলা করছিল। হঠাৎ ইমু অজ্ঞান হয়ে পরে গেছে বলে তার দাদীকে জানায় সাইমের মেয়ে তানজিনা।


পরে ইমুর দাদী তাকে স্থানীয় নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে কর্তব্যবরত চিকিৎসক ইমুকে মৃত ঘোষনা করে। শিশুটির মরদেহে ধর্ষণের আলামত দেখে পুলিশে খবর দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। নিহত ইমুর মা বিলাপ করে বলে, ‘সকালে আমার সোনা মনি সুস্থ রেখে কাজে যাই। আর বিকালে এসে দেথি আর নেই। আমার মেয়েকে যে হত্যা করেছে তার সঠিক বিচার চাই।’


সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোরশেদ আলম জানান, গতকাল রাতে খবর পেয়ে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। বিষয়টি অনেক গুরুত্ব তদন্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে শিশুটির মরদেহে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। শিশুটির বাবা ইমরান মল্লিক বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। এঘটনায় আসামী সাইমকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং মরদেহটি ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পেলে এই বিষয়ে আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে।