২২, জানুয়ারী, ২০১৮, সোমবার | | ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯

শিরোনাম ভারতে ট্রেনে বাংলাদেশি নারীর শ্লীলতাহানি করল বিএসএফ জওয়ান সৈয়দপুর বিমানবন্দরে যাত্রা শুরু করল রিজেন্ট এয়ারওয়েজ প্রতিদিন চলবে দুটি বিশ্বরেকর্ড গড়তে তামিমের প্রয়োজন মাত্র ৪২ রান! উল্লাপাড়ায় গৃহবধূ কে জোরপূর্বক ধর্ষনের চেষ্টার অভিযোগ আইপিএলে এখন পর্যন্ত মাশরাফিকে ছাড়াতে পারেনি কোনো বাংলাদেশী! ওয়ালটন মিডিয়া কাপ ব্যাডমিন্টন ফেব্রুয়ারিতে রাজধানীর মিরপুরে মাদকের ছড়াছড়ি বিষের বোতল হাতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে কলেজছাত্রীর অনশন মানবতার দৃষ্টান্ত রাখলেন সিরাজদিখান উপজেলা চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ বিসিএলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড খুলনায়

পুরুষ ধর্ষণের বিচার চেয়ে আদালতে মামলা

আপডেট: ১২ জানুয়ারী ২০১৮, ০৮:১২ পিএম

পুরুষ ধর্ষণের বিচার চেয়ে আদালতে মামলা

শুধুই নারী যেমন যৌন নির্যাতনের স্বীকার হয় তা নয়, অনেক ক্ষেত্রে পুরুষও যৌন হেনেস্তার স্বীকার হয়। আর পুরুষদের উপর চালানো যৌন নির্যাতনের বিচার দাবি করেছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ঋষি মালহোত্রা। তার বক্তব্য, অনেক সময় নারীরাও যৌন নির্যাতনের মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। এক্ষেত্রেও তাদেরও শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা উচিত। আর এজন্যই তিনি সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ একটি মামলা করেছেন। মামলায় ওই আইনজীবী বলেন, 'পুরুষরাও ধর্ষণ ও যৌন নিগ্রহের শিকার হতে পারেন।

এক্ষেত্রে পুরুষদের ন্যায় বিচার কে পাইয়ে দেবে? বর্তমান আইনে যদি কোনো পুরুষ কোনো নারীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও যৌন নিগ্রহের অভিযোগ করেন, তবে ওই নারীর বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেয়া হয় না। তাই অনেক ক্ষেত্রে আইনের ফাঁকে পার পেয়ে যান অপরাধীরা।'

গত কয়েকদিন আগে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তোলে, ব্যভিচারের সাজা লিঙ্গ নিরপেক্ষ হতে পারে কি-না। এ মামলার সঙ্গে ওই বক্তব্যও যোগ করে দেওয়া হয়েছে। আইনজীবী ঋষি মালহোত্রা বলেন, 'অপরাধের কোনো লিঙ্গ হয় না। তাই আইনও লিঙ্গ নিরপেক্ষ হওয়া উচিত। যে কারণে পুরুষরা অপরাধ করেন, একই কারণে নারীরাও অপরাধে জড়ান। তাই আইনের উচিত অপরাধীদের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ না করা '।

তিনি আরও জানান, এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে, ২২২ জন ভারতীয় পুরুষের মধ্যে ১৬.১ শতাংশকে যৌনতায় লিপ্ত হতে বাধ্য করা হয়েছে। মেয়েদের ধর্ষণ নিয়ে যেমন গবেষণা হয়, পুরুষদের ধর্ষণ নিয়ে তার এক শতাংশও হয় না। কিন্তু বহু সমীক্ষা বলছে, পুরুষরাও ধর্ষণের শিকার হন, আর তার সংখ্যা যতটা মনে করা হয়, তার চেয়ে অনেক বেশি হয়। তাই এ ধরনের অপরাধ লিপিবদ্ধ করতে ও জনসমক্ষে আনতে লিঙ্গ নিরপেক্ষ আইনের প্রয়োজন।