১৯, এপ্রিল, ২০১৮, বৃহস্পতিবার | | ৩ শা'বান ১৪৩৯

এক পুলিশ কনস্টেবলের ব্যাংকে কত কোটি টাকা পাওয়া গেল, জানলে আকাশ থেকে পড়বেন

আপডেট: ০৫ জানুয়ারী ২০১৮, ০৯:৩০ পিএম

এক পুলিশ কনস্টেবলের ব্যাংকে কত কোটি টাকা পাওয়া গেল, জানলে আকাশ থেকে পড়বেন
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের আলোচিত কনস্টেবল মিজানুর রহমান হাওলাদার।  বিভিন্ন ব্যাংকে তার ২ কোটি টাকা রয়েছে।  চলা ফেরা করেন প্রাইভেট কারে এবং ট্রাফিক বিভাগের বিভিন্ন সেক্টর থেকে মাসিক কালেকশনের মূল হোতা হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

গত নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে কনস্টেবল মিজানুরের বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মহাপুলিশ পরিদর্শক ও কেএমপিসহ ৭টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক মহলে এ অভিযোগ করা হয়। 

এ ঘটনার পর মিজানুরকে
কেএমপির ট্রাফিক বিভাগ থেকে গেল ১৮ নভেম্বর বদলি করে খালিশপুর থানাধীন কালীবাড়ী পুলিশ ক্যাম্পে পাঠানো হয়েছে।  পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ পাওয়া গেছে, তার জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

প্রাথমিকভাবে ৬টি অভিযোগের মধ্যে এরই মধ্যে কিছু সত্যতা পাওয়া গেছে।  তদন্ত কমিটি জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে তদন্ত শেষ হবে।  এরপর যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

পিরোজপুর জেলার বাসিন্দা কনস্টেবল মিজানুরের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ভুয়া প্রত্যয়নপত্র দেখিয়ে তিনি অতিরিক্ত রেশন ও শিক্ষাসহায়ক ভাতা তুলেছেন। 

তিনি বিদেশে যাওয়ার জন্য ২৮ দিনের ছুটি নিয়ে দেশে অবস্থান করেন।  নির্ধারিত ছুটি শেষ হওয়ার ৭দিন পর কর্মক্ষেত্রে যোগ দেন।  তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। 

কেএমপির ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার কামরুল ইসলাম বলেন, মিজানের বিষয়ে তদন্ত চলছে।  প্রাথমিকভাবে তিনি বিদেশে না গিয়ে দেশে অবস্থান করার বিষয়ে সত্যতা মিলেছে।  এছাড়া মিজানের ব্যবহৃত প্রাইভেট কারটি তার নামে রেজিস্ট্রেশনে নেই।  এটি পার্শ্ববর্তী একটি জেলার একজন ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রেশন রয়েছে।  তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

আদিকে অভিযোগের বিষয়ে কনস্টেবল মিজান এ প্রতিবেদককে বলেন, আমার বিরুদ্ধে একটি মহল ভুয়া অভিযোগ করেছে।  আমার কোনো প্রাইভেট কার নেই।  আমি অন্য একজনের গাড়ি নিয়ে গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলাম।  তার ব্যাংকে কোনো টাকা নেই বলে দাবি করেন তিনি।