২৬, এপ্রিল, ২০১৮, বৃহস্পতিবার | | ১০ শা'বান ১৪৩৯

গাড়িতে তুলে গামছা দিয়ে চোখ বাঁধা হয় : ৩ নেতার অভিযোগ

আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০১৮, ০৫:০৪ পিএম

গাড়িতে তুলে গামছা দিয়ে চোখ বাঁধা হয় : ৩ নেতার অভিযোগ
কোটা সংস্কার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় তিন নেতাকে ডিবি পুলিশের একটি সাদা মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় সোমবার সকাল ১১টার দিকে।  পরবর্তীতে তাদের মুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনসহ অন্য নেতারা।  ছেড়ে দেয়া না হলে আবারো আন্দোলনের হুমকি দেয়া হয়।  এমন পরিস্থিতে দুপুর ২টার দিকে তিন নেতাকে ছেড়ে দেয় ডিবি পুলিশ।  ডিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, গ্রেফতার নয় কিছু তথ্যের জন্য তাদেরকে ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়েছিলো। 

এদিকে
ডিবি কার্যালয় থেকে ফিরে এসে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন তিন নেতা ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুর, রাশেদ খান ও ফারুক। তারা অভিযোগ করেন-ডিবির গাড়িতে তুলে গামছা দিয়ে তাদের ছোখ বেঁধে ফেলা হয়।  নুরুল হক নুর বলেন, গুলিস্তানে নেয়ার পর গামছা কিনে চোখ বাঁধা হয়।  মাথায় হেলমেট পড়ানো হয় আমাদের।  এরপর ডিবি অফিসে নেয়া হয়।  তিনি দাবি করেন, এটি একটি অপহরণ।  মিডিয়া না জানলে হয়তো ফিরে আসতাম কিনা সন্দেহ। 

ফারুক হাসান বলেন, আমাদের উপর হামলা হবে বলে নিয়ে আসা হয়।  ডিবি কার্যালয়ে পানি খেতে চাইলে দেয়া হয়নি।  এসময় তিনি নিজেদের নিরাপত্তার পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদেরও নিরাপত্তা দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, ডিবি পুলিশ তাদেরকে বলেছে, তোমাদের উপর হামলার আশঙ্কা ছিল।  সেজন্য নিয়ে আসা হয়েছে।  একটা ভিডিও দেখানোর কথা বলেন তারা যদিও কোনো ভিডিও দেখানো হয়নি।  ছেড়ে দেয়ার সময় বলা হয়. ডাকলে আবার যেতে হবে ডিবি অফিসে। 

রাশেদ খান বলেন, আমার বাবার কোনো দোষ নাই।  তাকে ছেড়ে দেয়া হোক।  কষ্ট করে লেখাপড়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়েছেন।  তাকে আটক করাটা যথেষ্ট কষ্টকর।  এখন আমার বাবার কাছ থেকে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা চলছে। এখানে উল্লেখ্য যে, কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম নেতা বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খানের বাবাকে জ্ঞিাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে গেছে ঝিনাইদহ পুলিশ।  তবে কয়েকটি বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর ওনাকে ছেড়ে দেয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।