২১, এপ্রিল, ২০১৮, শনিবার | | ৫ শা'বান ১৪৩৯

জানেন, ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ ছবিতে কত টাকা পেয়েছিলেন ফেরদৌস? জানলে অবাক হবেন!

আপডেট: ১৭ মার্চ ২০১৮, ০৬:০২ পিএম

জানেন, ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ ছবিতে কত টাকা পেয়েছিলেন ফেরদৌস? জানলে অবাক হবেন!
জীবনে ঘটে যাওয়া প্রথম উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো কেউ ভুলতে পারেন না।  চিত্রনায়ক ফেরদৌসও পারেননি।  তিনি নাকি বাস্তবে প্রথম প্রেমে পড়ার আগেই রুপালি পর্দার নায়িকাদের প্রেমে পড়েছিলেন।  প্রথম প্রেমের কথা ছাড়াও তাঁর জীবনে ঘটে যাওয়া প্রথম উল্লেখযোগ্য অনেক ঘটনা বলেছেন ফেরদৌস। 

ফেরদৌস বলেন, অন্য ছবির শুটিং আগে করলেও প্রথম মুক্তি পেয়েছে আমার অভিনীত ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ ছবিটি।  ছবিতে আমার পারিশ্রমিক ছিল এক লাখ টাকা।  ছবিটির জন্য প্রথমে আমাকে ৭৫ হাজার টাকা দেওয়া
হয়েছিল।  পরে শুটিং শেষে আমাকে আরো দেওয়া হয় ২৫ হাজার টাকা। 


প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বলেন, ‘পৃথিবী আমাকে চায় না’ ছবিতে প্রথম ক্যামেরার সামনে আমি দাঁড়িয়েছিলাম।  খুব বেশি নার্ভাস ছিলাম না।  কারণ ছবির শুটিংয়ের আগে বিবি রাসেলের সঙ্গে অনেক ফ্যাশন শো আমি করেছি।  দেশের বাইরে গিয়েও র‍্যাম্পে হেঁটেছি।  তাই প্রথম ক্যামেরায় শট দেওয়ার সময় স্বাভাবিক ছিলাম।  শুধু সংলাপ বলতে গিয়ে একটু ভয় লেগেছিল।  ছবিতে আমার নায়িকা ছিলেন পরী।  মেয়েটি একটি মাত্র ছবিতেই অভিনয় করেছিল।  এ ছাড়া ছবিটিতে রিয়াজ ও দিলদার ভাই অভিনয় করেছিলেন। 


প্রথম পারিশ্রমিক নিয়ে ফেরদৌস বলেন, বিবি রাসেলের কাছ থেকে পেয়েছি।  তার কোরিওগ্রাফিতে র‍্যাম্পে হেঁটে সম্ভবত দুই হাজার টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলাম।  এটা ১৯৯৫ সালের কথা।  টাকাটা পেয়ে মাকে আমি দিয়েছিলাম।  শুধু প্রথম পারিশ্রমিক নয় শুরুর দিকে সব কাজের পারিশ্রমিক আমি আমার বাবা-মাকে দিয়েছি। 


তিনি বলেন, তারা টাকাগুলো আমার জন্য জমিয়ে রাখতেন।  আমার জমানো টাকা দিয়ে ঢাকার উত্তরার আমার জন্য তারা একটা জমিও কিনেছিলেন।  কয়েক লাখ টাকা দিয়ে তারা জমিটা কিনেছিলেন এখন সেই জমির দাম কয়েক কোটি টাকা।  এটা বাবা-মার কাছ থেকে পাওয়া আমরা আশীর্বাদ। 


প্রথম প্রেম নিয়ে এই নায়ক বলেন, রুপালি পর্দায় নায়িকাদের দেখে প্রথম প্রেমে পড়েছিলাম।  শাবানা, ববিতার ভিউকার্ড আমি সংগ্রহ করতাম।  তাদের খুব পছন্দ করতাম।  এ ছাড়া অনেক নায়িকার ছবি পত্রিকা থেকে আমি কেটে নিজের কাছে রেখেছি।  রুনা লায়লাকেও আমার ভালো লাগত।