২৩, এপ্রিল, ২০১৮, সোমবার | | ৭ শা'বান ১৪৩৯

আত্মবিশ্বাসী তিন অধিনায়ক ও কোচিং স্টাফ

আপডেট: ১০ ডিসেম্বর ২০১৭, ১২:০৭ এএম

আত্মবিশ্বাসী তিন অধিনায়ক ও কোচিং স্টাফ
আগামী বছরের শুরুতেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ ও শ্রীলঙ্কা-জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ জাতীয় দল।  সিরিজের আগে প্রধান কোচ নিয়োগ নিয়ে কোনো তাড়াহুড়ো করবে না বিসিবি।  দীর্ঘমেয়াদি বিবেচনায় ভেবে-চিন্তে কোচ নিয়োগের পক্ষে দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থাটি। 




শ্রীলঙ্কা সিরিজে কোচ পাওয়ার সম্ভাবনা ‘ফিফটি-ফিফটি। ’ এমনও হতে পারে সিরিজের ঠিক আগে কোচ পাবে বাংলাদেশ।  আবার সিরিজ শেষ হলে কিংবা মাঝপথে কোচ যুক্ত হবেন। 
সে সময়ে রণকৌশল সাজানো কষ্টকর এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী মাঠে ফল পাওয়ার সম্ভবনা কম।  তাই আজ তিন ফরম্যাটের তিন অধিনায়ক, কোচিং স্টাফ এবং টিম ম্যানেজমেন্টকে নিয়ে হোটেল র‌্যাডিসনে বৈঠকে বসেছিলেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। 




অন্তবর্তীকালীন দ্বিপাক্ষিক সিরিজ ও ত্রিদেশীয় সিরিজ নিয়ে পরিকল্পনা সাজাতে পারবে কি না, তা জানতে চেয়েছিলেন বিসিবি সভাপতি।  তিন অধিনায়কসহ সকলেই জানিয়েছেন, শ্রীলঙ্কা সিরিজ নিয়ে তারা আত্মবিশ্বাসী।  হেড কোচ ছাড়াই পরিস্থিতি সামলে নিতে পারবেন তিন অধিনায়ক ও টিম ম্যানেজমেন্টের বাকি সবাই। 




‘সামনে আমাদের একটা সিরিজ আছে।  আমরা প্রধান কোচ নিয়োগ দেওয়ার প্রসেসে আছি।  অন্তবর্তীকালীন কী করা যাবে, সেটা নিয়ে আলোচনা করেছি।  ওরা নিজেরা মিলে সবকিছু এখন থেকেই যেন পরিকল্পনা করে ফেলে- সামনের সিরিজটি আমরা কীভাবে খেলব।  ওরা পারবে কি না এবং আত্মবিশ্বাসী কি না সেটাও জানতে চেয়েছি।  সবাই এক বাক্যে বলেছে পারবে এবং ওরা আত্মবিশ্বাসী,’ বলেন নাজমুল হাসান পাপন। 




বাংলাদেশের প্রাক্তন কোচ রিচার্ড পাইবাস এরই মধ্যে বোর্ডের কাছে সাক্ষাৎকার দিয়ে গেছেন।  আজ রাতে ঢাকায় আসছেন ফিল সিমন্স।  দুই-একদিনের মধ্যে আসার কথা রয়েছে আরেকজন কোচের।  প্রত্যেকেই বাংলাদেশের কোচ হতে নিজ থেকে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।  যতটুকু জানা গেছে, এ তিন কোচের মধ্য থেকেই একজনকে বেছে নেবে বোর্ড।  সময় নিয়ে বোর্ড সিদ্ধান্ত নিতে চাচ্ছে।  তবে কাজের ধরণ ও পরিকল্পনা পছন্দ হয়ে গেলে দুই-তিন দিনের মধ্যেই কোচ পেতে পারে বাংলাদেশ জাতীয় দল। 

‘শ্রীলঙ্কা সিরিজের আগে কোচ নিয়োগ হতেও পারে আবার নাও হতে পারে।  আজকের বৈঠকেও তাদেরকে জিজ্ঞেস করেছিলাম কোচ নিয়োগে কোনো তাড়া আছে কি না।  তারাও বলেছে, তাড়া নেই।  আপাতত তারা হ্যান্ডেল করতে পারবে।  আমরা ধীরে ধীরে সেরা কোচ বাছাই করতে পারি।  এর মানে এই না যে, আমরা কোচ নিচ্ছি না।  কাল-পরশুও আমরা কোচ নিতে পারি,’ যোগ করেন বিসিবি সভাপতি। 




ফিল্ডিং কোচের পাশাপাশি হাথুরুসিংহের সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করেছেন রিচার্ড হ্যালসেল।  আজকের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন হ্যালসেল।  সঙ্গে ছিলেন স্পিন বোলিং কোচ সুনীল যোশী।  পেস বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশ আসবেন ১৫ ডিসেম্বর।  এ ছাড়া দীর্ঘদিন ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করা পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন উপস্থিত ছিলেন।  তাদের মধ্যে থেকে অন্তবর্তীকালীন সময়ে কাউকে প্রধান করা হবে কি না, তা আগামীকালের বোর্ড সভায় চূড়ান্ত হবে বলে জানিয়েছেন বোর্ড সভাপতি।