১৯, জুলাই, ২০১৮, বৃহস্পতিবার | | ৬ জ্বিলকদ ১৪৩৯



  • ‘ভাইয়া এরকম কিছু করবেন না, আমাকে ছেড়ে দেন’

    একজন নারীকে জঙ্গলের মধ্যে টেনে নিয়ে যাচ্ছে তিন যুবক। এ সময় আরেকজন মোবাইলে ভিডিও করে রাখছে সেই দৃশ্য। সেই সঙ্গে ওই নারীকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, চিৎকার করলেই ছড়িয়ে দেওয়া হবে ভিডিও।

    আর সে কথা শুনে ওই নারী চিৎকার করে অনুরোধ করছেন, ‘ভাইয়া এরকম কিছু করবেন না, আমাকে ছেড়ে দেন।’ পরে অবশ্য সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে ইন্টারনেটে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশের উন্নাওয়ে।

    ওই এলাকায় বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে এর আগে তোলপাড় শুরু হয়। তাছাড়া চলতি বছরের জুনে ওই এলাকায় নয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছিল।

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, একজন নারীকে জোর করে জঙ্গলের গভীরে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে তিন যুবক। সেই সঙ্গে ওই নারীর সঙ্গে অশালীন আচরণও করা হচ্ছে। সবার কাছে অনুরোধ করে বাঁচার আবদার করছেন ওই নারী।

    এ ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। ইতোমধ্যেই দু’জনকে আটক করা হয়েছে। অন্যদের আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে। পুলিশ বলছে, ওই নারীকেও চিহ্নিত করা হয়েছে।

    পুলিশ বলছে, আটক দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই ঘটনার ব্যাপারে বিস্তারিত জানা যাবে।

  • এবার অ্যাটর্নি জেনারেলকে ‘হত্যার হুমকি’

    খালেদা জিয়ার মামলায় কারসাজি করছেন, এমন অভিযোগ করে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমকে হত্যার হুমকি দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘আপনার মৃত্যু অনিবার্য।’

    এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তার সহকারী মোহাম্মাদ কবির।

    বৃহস্পতিবার বিকালে ডাকযোগে অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিসের ঠিকানায় চিঠিটি পাঠানো হয় বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এর আগে মঙ্গলবার ডাক যোগে ইউজিসি চেয়ারম্যান আবদুল মান্নানকে প্রকাশ্যে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে ও আগের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর একেএম গোলাম রব্বানীকে অন্য একজনের মোবাইল ফোনে কল করে উৎখাত করার হুমকি দেওয়া হয়। এই দুই ঘটনায়ও সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। কিন্তু পুলিশ কাউনে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করেছে, এমন তথ্য মেলেনি।

    হুমকির বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আমি একটি চিঠি হাতে পেয়েছি। সেই চিঠিতে লেখা আছে, আইন নিজের গতিতে চলবে। আপনি যে বক্তব্য দিচ্ছেন, তাতে মনে হচ্ছে শেখ হাসিনা (প্রধানমন্ত্রী) আপনাকে কিনে ফেলেছে। খালেদা জিয়ার ব্যাপারে আপনি যে কারসাজি করছেন, এগুলোর জন্য আপনারা ক্ষমা পাবেন না। আপনার মৃত্যু অনিবার্য। সাবধান হয়ে যান।’

    দুর্নীতির মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড পাওয়া বেগম খালেদা জিয়ার আপিল শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের প্রতিনিধিত্ব করছেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

    বিএনপি নেত্রীকে হাইকোর্টে তিনটি মামলায় জামিন আদেশের বিরুদ্ধেও আপিলে বক্তব্য রেখেছেন মাহবুবে আলম। তার বিরোধিতায় দুটি মামলায় জামিন আদেশ দীর্ঘদিন ঝুলেছিল। আরও একটি মামলায় জামিন স্থগিত আছে।

    বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবীরা অ্যাটর্নি জেনারেলের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে আসছেন। বিএনপি নেতারাও নানা সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে আসছেন, এই আইন কর্মকর্তার কারণেই তাদের নেত্রীর মুক্তি বিলম্বিত হচ্ছে।

    জানতে চাইলে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল হাসান বলেন, ‘রাত সোয়া আটটার দিকে অ্যাট‌র্নি জেনারেলের ব্যক্তিগত সহকারী থানায় এসে একটি জিডি করেছেন। ডাকযোগে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়৷ বিষয়টি আমরা অনুসন্ধান করছি।’

    এই চিঠিতে প্রেরকের হিসেবে কোনো নাম ঠিকানা ছিল কি না, জানতে চাইলে ওসি বলেন, ‘না, অজ্ঞাত পরিচয় একজন এই চিঠি পাঠিয়েছে।’

    অ্যাটর্নি জেনারেল এর আগেও নানা সময় হত্যার হুমকি পেয়েছেন। ২০১০ সালের ২৫ নভেম্বরেও উড়োচিঠি দিয়ে তাকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়। এমনিতেই রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা পাওয়া এই আইনজীবীকে এরপর থেকে বাড়তি নিরাপত্তা দেয়া হয়।

  • শৈলকুপা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের

     
    নিজস্ব প্রতিবেদক, ঝিনাইদহঃ ঝিনাইদহের ঐতিহ্যবাহী শৈলকুপা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে গত ১ বছরে ১০ লক্ষাধীক টাকার তহবিল তছরুপ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আর এসব অভিযোগ উঠেছে বে-সরকারী এই বিদ্যালয়টির খোদ প্রধান শিক্ষিকা দিলারা ইয়াসমিন জোয়ার্দ্দারের বিরুদ্ধে। বিদ্যালয়ের বিভিন্ন রেজুলেশনে টাকা উত্তোলনের স্বাক্ষর বিহীন নোটশীট, অনিয়ম আর জাল-জালিয়াতির ৩৫ পৃষ্ঠার বেশ হিসাব-নথি ফাঁস হয়ে গেছে। এসব নিয়ে শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া।

    অনিয়মের প্রতিবাদে শিক্ষকরা ক্লাস বর্জনও করেছে, এরপর বিদ্যালয়ের সেসব অনিয়মের লিখিত ফিরিস্তি দেয়া হয়েছে শিক্ষা অফিসার, জেলা প্রশাসক, শিক্ষা বোর্ড সহ দুদকেও। ম্যানেজিং কমিটির সদ্য বিদায়ী সভাপতি ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছেন তার স্বাক্ষর ছাড়ায় রেজুলেশন, চেক সহ সমস্ত তহবিল- হিসাবে নানা জালিয়াতি করেছে প্রধান শিক্ষিকা। আর বিদ্যালয়টির বর্তমান এডহক কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তদন্ত কমিটি গঠন সহ বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়ার আশ^াসের কথা জানিয়েছে।

    এদিকে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষিকার দাবী রেজুলেশান আর ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই স্কুল পরিচালনা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে তহবিল তছরুপের আনীত অভিযোগ মিথ্যা। শৈলকুপা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. ফজলুর রহমানের লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, রেজুলেশান ও নোটশীটে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির সহি-স্বাক্ষর ছাড়াই কখনো টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

    কমিটির অনুমোদন ছাড়া অর্থ ব্যয় আবার কখনো সাধারণ তহবিল ব্যতিত বিদ্যালয়ের নামে কৌশলে নতুন একাউন্ট করে চেকে একক স্বাক্ষরেই চলছে টাকা উত্তোলন। কখনো বা বিল-ভাউচার জালিয়াতি, ফর্মফিলাপ-রেজিস্ট্রেশনে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, নীতিমালার বাইরে হ্যান্ডক্যাশ উত্তোলন, নির্ধারিত নোটবই কিনতে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করা, বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানের নামে চাঁদা তুলে আত্মসাৎ, ৫০ শতাংশ হারে বেতন উত্তোলন এমন হাজারো অভিযোগ উঠেছে ঝিনাইদহের ঐতিহ্যবাহী শৈলকুপা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা দিলারা ইয়াসমিন জোয়ার্দ্দারের বিরুদ্ধে। ক্ষমতার অপব্যবহার সহ শিক্ষক-কর্মচারীর অনেকের সাথে অসৌজন্য মূলক আচরণেরও অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষিকা দিলারা ইয়াসমিন জোয়ার্দ্দারের বিরুদ্ধে। বিদ্যালয়ের বেতন-সেশন হঠাৎ দ্বিগুন বৃদ্ধি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন সময়ে প্রধান শিক্ষিকা ছুটিতে থাকা কালে নিয়ম অনুযায়ী সহকারী প্রধান শিক্ষকের উপর দায়িত্ব দেয়ার নিয়ম থাকলেও জুনিয়র শিক্ষকদের উপর দায়িত্ব দেয়া হয় যা চাকুরী বিধি লঙ্ঘন বলে লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে।

    গত ১১ মাসে ৪জন শিক্ষক কে অন্যায় ভাবে শোকজ নোটিশ দেয়া হয়েছে, এছাড়া তার অনুগত না থাকলেই তার বিরুদ্ধে শোকজের হুমকি দেয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। তার মতের বাইরে কোন শিক্ষক-কর্মচারীকে মানবিক কারণেও ছুটি মঞ্জুর করেন না বলে জানানো হয়েছে। সহকারী প্রধান শিক্ষক সহ কয়েক শিক্ষকের নিয়োগ ফাইল, মূল সনদ গায়েব করে দেয়ার অভিযোগও উঠেছে।

    এমন কি গত ১১জুনে শৈলকুপা উপজেলার মাসিক আইন-শৃংখলা মিটিংএ প্রধান আলোচনার বিষয় ছিল প্রধান শিক্ষিকার অনিয়ম দুর্ণীতির প্রসঙ্গ ! এই মিটিং এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন উপজেলা চেয়ারম্যান শিকদার মোশাররফ হোসেন সোনাও। প্রধান শিক্ষিকা দিলারা ইয়াসমিন জোয়ার্দ্দারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালের জেএসসি,এসএসসি ও নবম-দশম শ্রেণীর ফর্ম পূরনের ২০হাজার, ১লাখ৩৭ হাজার, ১৮হাজার৪শ২০ ও ৮হাজার৮শ টাকা জমা হয়নি। বিদ্যালয়ের নামে সোনালী ব্যাংকে(একাউন্ট নং-২৪২১৬০১০২১২৯৯) নতুন একাউন্টে প্রধান শিক্ষিকার একক স্বাক্ষরে টাকা উত্তোলন করা যাবে, সেখানে রাখা হয়েছে ৬৩ হাজার টাকা। ২০১৭ সালে পরীক্ষার খাতা-বই বিক্রি, জরিমানা আদায়, প্রাইভেট পড়ানো বাবদ শিক্ষকদের কাছ থেকে মোট ৮ হাজার ৮শ, ১৫ হাজার ৭৫০, ১৫ হাজার ৫শত ও ২৬ হাজার টাকা জমা হয়নি। ড্রাম ক্রয় বাবদ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১০ টাকা আদায় হলেও ভাউচারে আবারো১৫হাজার টাকা, বিদেশ সফরের পর ব্যক্তিগত আপ্যায়ন বাবদ ১০হাজার টাকা খরচ দেখালেও ভাউচারের মাধ্যমে আবারো১০ হাজার টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

    ২০১৮ সালে জেসেসি ও এসএসসি ফিস বাবদ২৭ হাজার৮শ ৫০, ৬ষ্ঠ শ্রেণীর রেজি: বাবদ ১০হাজার টাকা জমা দেয়া হয়নি। বিদ্যালয় থেকে প্রধান শিক্ষকিা ১শত পার্সেন্ট বেতন ভাতা পাওয়ার পরেও নন এমপিওদের মতো ৫০ শতাংশ হারে প্রতিমাসে ১৪ হাজার ৫শ করে অবৈধ ভাবে ৫৮ হাজার টাকা ও প্রতিমাসে হ্যান্ডক্যাশে ৫ হাজার করে ৫৫ হাজার টাকা উত্তোলন করেছেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

    এছাড়া ২০১৮ সালে শিক্ষকদের কাছ থেকে প্রাইভেট বাবদ ১৫ হাজার, ভুয়া ভাউচারে সাউন্ডসিস্টেম বাবদ ৫ হাজার, এসএসসি বিজয়ীদের উপহার বাবদ ছাত্রীদের কাছ থেকে ২০হাজার টাকা আয় হলেও ভুয়া ভাউচারে আবারো ২১হাজার ৭শত ২৫, বেঞ্চ ক্রয় বাবদ ভুয়া ও কাটাকাটির ভাউচাওে ১০হাজার , এসএসসি উন্মুক্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১শ টাকা হারে চাদা ২৪হাজার ৫শ, ২০১৮ সালে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জরিমানা বাবদ ৬০ হাজার টাকা ও ছাত্রী ভর্তি বাবদ ৩লাখ টাকার বেশী জমা করা হয়নি হিসাবের খাতায়। এসএসসির প্রশংসা পত্র বাবদ ২৫০ টাকা হারে ৪৩ হাজার ২৫০ টাকা আয় হলেও তা হিসাবে জমা করা হয়নি। এভাবে ১০ লক্ষ ২০ হাজার টাকার উপরে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে লিখিত অভিযোগে বিস্তারিত বিবরনে জানানো হয়েছে। ফর্মফিলাপের জন্য বোর্ড নির্ধারিত ১৫৭৫ টাকার বাইরে ১৯৪০ টাকা হারে কখনো ৩হাজার থেকে ৪হাজার৫শ টাকা পর্যন্ত করে আদায় করা হয়েছে বলে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ।

    বাধ্যতামূলক ভাবে বিভিন্ন কোম্পানীর গাইড বই শিক্ষার্থীদের কিনতে বাধ্য করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। সেখান থেকে আসা লভ্যাংশ সব টাকা আত্মসাত করা হয়েছে এমনটি অভিযোগে জানানো হয়েছে। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগন বিদ্যালয় পরিদর্শন ও নীরিক্ষা করে গেছেন। সেখানেও তেল খরচের ভাউচার বিল দেখিয়ে রেজুলেশনের মাধ্যমে টাকা সমন্বয় করা হয়েছে।

    ২০১৭ সালের জুলাই মাসে তিনি প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই এমন অনিয়ম হচ্ছে বলে জানান ম্যানেজিং কমিটির সদ্য বিদায়ী সভাপতি কাজী আশরাফুল আজম। তিনি অভিযোগ করে বলেন, হাজারো ত্রুটি নিয়ে রেজুলেশান, নোটশিট, চেক সহ অন্যান্য কাগজপত্র আনা হতো, তার অজান্তে একক স্বাক্ষরে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে, তার দায়ভার তাকেই নিতে হবে বলে জানান।

    তিনি আরো বলেন, এখন স্কুল ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে দাড়িয়েছে এই শিক্ষিকা আসার পরে, তার মতো একজন মানুষ এখনে থাকলে স্কুলটির ভরাডুবি হবে বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। শৈলকুপা উপজেলা শহরের প্রাণ কেন্দ্রে ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী এ বিদ্যাপিঠে বর্তমান শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় ১১শত, আর শিক্ষক কর্মচারীর সংখ্যা ৪২জন। অর্থ কেলেংকারী, তহবিল তসরুপ সহ অনিয়মের লিখিত অভিযোগে বিদ্যালয়ের রেজুলেশান, নোটশীট, ব্যাংক,একুইটেন্স খাতা ও অফিসের তথ্যসূত্রের বরাতে উল্লেখ করা হয়েছে ছাত্রী ভর্তি, ফর্ম ফিলাপ, অনুষ্ঠান, জরিমানা সহ বিভিন্ন খাতের নামে ১০লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

    এসব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরাও। শৈলকুপা শহরে ফুটপাতে কলার দোকান দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন আব্দুর রশিদ, তিনি জানান তার মেয়ের ফর্মফিলাপের জন্য ৪ হাজার টাকা দিতে হয়েছে প্রধান শিক্ষকের কাছে, জোর অনুরোধ করার পরেও তা শোনা হয়নি, তিনি আরো বলেন তার মেয়ে বিভিন্ন খেলাধুলায় ভাল ছিল, এসব দিকে তাকিয়েও কোন টাকা কম নেয়া বা বোর্ড নির্ধারিত টাকা নেয়া হয়নি। সাতগাছি গ্রামের নজরুল ইসলামের মেয়ে ডলি খাতুন জানান, ফর্মফিলাপের ১৮শ টাকার স্থলে কোচিং এর ১হাজার টাকা সহ ৩৮শত টাকা নেয়া হয়েছে, অথচ কোন ধরনের কোচিং করানো হয়নি।

    বর্তমান প্রধান শিক্ষিকা যোগদানের পর চিরায়িত প্রথা ভেঙ্গে পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের তহবিল সংক্রান্ত যৌথ একাউন্টের বাইরে নতুন করে প্রধান শিক্ষিকার একক স্বাক্ষরে টাকা উত্তোলন করা যাবে মর্মে খোলা একাউন্ট নিয়ে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশা ও শিক্ষানুরাগীদের মাঝে।

    শৈলকুপা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক শামসুল ইসলাম বলেন, তার সময়ে একক স্বাক্ষরের কোন একাউন্ট ছিলনা এবং বিদ্যালয়ের সহ প্রধান শিক্ষক সহ সবার সাথে আলোচনা ও রেজুলেশান সাপেক্ষে হিসাব পরিচালনা করা হতো । তিনি বলেন বিদ্যালয়টির সুনাম যাতে ক্ষুন্ন না হয় সেদিকে সবার নজর দেয়া দরকার। আর সোনালী ব্যাংক শৈলকুপা শাখার ম্যানেজার বসির উদ্দিন জানান, ব্যাংকের হিসাব নিয়ম অনুযায়ী রেজুলেশান ও অন্যান্য নিয়ম মানা হয়েছে তবে রেজুলেশনেই উল্লেখ আছে একক স্বাক্ষরে টাকা উঠানো যাবে। যেখানে সন্দেহ হয়েছে সেখানে হলুদ কালি দিয়ে বোল্ড করা হয়েছে।

    এদিকে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষিকা দিলারা ইয়াসমিন জোয়ার্দ্দারের দাবী রেজুলেশান আর ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই স্কুল পরিচালনা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে তহবিল তছরুপের আনীত সকল অভিযোগ মিথ্যা। তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

    এসব বিষয়ে শৈলকুপা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের বর্তমান এডহক কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উসমান গনি জানিয়েছেন তদন্ত কমিটি গঠন সহ বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি সব কিছু খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন এবং এ সংক্রান্ত বিষয়ে ১টি মিটিংও করেছেন।

  • ট্রেনের নিচে মাথা দিয়ে কলেজ ছাত্রের আত্মহত্যা

    স্টাফ রিপোর্টার,ঝিনাইদহঃ কোটচাঁদপুরে ট্রেন স্টেশনে রাজশাহী শহীদ কামরুজ্জামান ডিগ্রি কলেজের ছাত্র খোন্দকার সৈকত আলম (১৮) ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গেছে। তিনি মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার পুলুম গ্রামের খোন্দকার আশরাফ আলীর একমাত্র ছেলে।

    কোটচাঁদপুর রেলস্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার নূরুল ইসলাম জানান, ঢাকা থেকে খুলনাগামী চিত্রা এক্সপ্রেস গতরাত দুইটা ৪০ মিনিটের দিকে কোটচাঁদপুর স্টেশনে থামে। ট্রেনটি ছেড়ে যাওয়ার পর দেখা যায় রেল অফিসের সামনে লাইনের ওপর লাশটি শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পড়ে আছে।

    পরে পকেটে থাকা আইডি কার্ড ও মোবাইল নম্বর থেকে যোগাযোগ করে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়। নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সৈকত আলম রাজশাহীতে বোনের বাসায় থেকে লেখাপড়া করতো।

    বুধবার সকালে লেখাপড়া নিয়ে বোন-দুলাভাই সৈকতকে বকাঝকা করলে সে কাউকে না জানিয়ে বিকেলে বাসা থেকে বেরিয়ে মাগুরার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তাদের ধারণা, কোটচাঁদপুর রেলস্টেশনে নেমে সে ট্রেনের নিচে মাথা দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

    বৃহস্পতিবার সকালে রেলপুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে নিয়ে গেছে।

  • ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ এবারও শতভাগ পাস

    জাহিদুর রহমান তারিক,ঝিনাইদহ: ২০১৮ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ থেকে এবারও শতভাগ পাশের ধারা অব্যাহত রেখেছে। মোট ৫১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৪ জন জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

    অন্যান্য বারের ন্যায় এ বছরও ফলাফলে শতভাগ পাশের গৌরব অর্জন করেছে ঐতিহ্যবাহী এই ক্যাডেট কলেজটি।

    এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ন ক্যাডেটবৃন্দ হল ক্যাডেট এখলাস, মুহতাদি, রাইন, তাহমীদ, তারিক, কায়েস, ফারদিন, সামেন, অরিত্র, জুহায়ের, নাদিম, সাজিদ, তামিম, জাভেদ, আহমেদ, দাইয়ান, আসমার, ফয়সাল, মাহমুদ, আশিব, সোহান, সাদিক, নোমান, মাহফুজ, জাহিদ, আনজুম, ইশরাক, আবির, সাকিব, রাব্বি, জামী, তানজিম, মানসিফ, শাহরিয়ার, মুরসালিন, জামান, জুবায়ের, হায়দার, রিয়াদ, ইশতিয়াক, জিসান, ওয়ালি, তৌফিক, আহনাফ, মেহেরাব, রাইন, মুহতাসিম, তামজীদ, মুহিবুল্লাহ ও ক্যাডেট ইশমাম।

    কলেজ অধ্যক্ষ কর্ণেল মো: সাদীকুল বারী জানান যে, ক্যাডেটদের অক্লান্ত পরিশ্রম, অভিভাবকদের আন্তরিকতা ও শিক্ষকদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এ ফলাফল অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।

  • ট্রেন দূর্ঘটনা রোধে সিগন্যাল ট্রান্সমিটার আবিস্কার করল মিঠুন

    সিংড়া,(নাটোর) থেকে রাজু আহমেদঃ দূর্বত্তায়ন ও লাইনচ্যুতির কারণে সারাদেশে বছরে কমপক্ষে ১৫ থেকে ২০টি ট্রেন দূর্ঘটনার শিকার হয়। আর এতে ক্ষয়ক্ষতি হয় কয়েক কোটি টাকার।

    আবার কারো কারো প্রাণও চলে যায়। সম্প্রতি ট্রেন দূর্ঘটনা রোধে সিগন্যাল ট্রান্সমিটার আবিস্কার করেছেন নাটোরের সিংড়া পৌর এলাকার গোডাউন পাড়া মহল্লার মৃত রওশন আলীর ছেলে মনোয়ার হোসেন মিঠুন। ব্যক্তি জীবনে মিঠুন বগুড়ার শেরপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মিটার রিডার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তাঁর আবিস্কৃত সিগনাল ট্রান্সমিটার আগেই জানিয়ে দিবে দূর্বৃত্তায়ন ও লাইনচ্যুতির খবর।

    মিঠুনের দাবী দূর্বৃত্তায়ন ও লাইনচ্যুতির কারণে স্লিপার কিংবা পাটাতন বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকলে আগেই জানিয়ে দিবে এই সিগন্যাল ট্রান্সমিটার। আর এতে ট্রেন দূর্ঘটনার কবল থেকে রক্ষা পাবে যাত্রী সাধারণ। তিনি জোর দাবী করে বলেন, আমার এই আবিস্কৃত সিগনাল ট্রান্সমিটার প্রতিটা ষ্টেশনে ব্যবহার করলে ট্রেন দূর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব। তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, একদিন ট্রেনে ভ্রমনকালীন সময়ে মনে হয়েছিল দূর্বত্তায়ন ও লাইনচ্যুতির কারণে দেশে অহরহ ট্রেন দূর্ঘটনার সংবাদ পাওয়া যায়। তাই ট্রেন দূর্ঘটনা রোধে মনে মনে ভাবতে থাকি।

    বাড়ি ফিরে গবেষনা করতে থাকি,কি করে এই ট্রেন দূর্ঘটনা রোধ করা যায়। দীর্ঘদিন চেষ্টার ফলে সম্প্রতি আবিস্কার করতে পেরেছি সিগনাল ট্রান্সমিটার। দূর্বৃত্তায়ন ও লাইনচ্যুতির কারণে স্লিপার কিংবা পাটাতন বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকলে আগেই জানিয়ে দিবে এই সিগনাল ট্রান্সমিটার।

    মিঠুন জানান,সরকারী ভাবে আমাকে পরীক্ষামূলক সুযোগ দিলে শতভাগ বাস্তবে রুপ দেয়া সম্ভব। দেশ ও দেশের বাইরে প্রতিটা ষ্টেশনে এই সিগনাল ট্রান্সমিটার ব্যবহারে খরচ পড়বে মাত্র ৭০হাজার টাকা। এতে ট্রেন দূর্ঘটনা রোধসহ জানমাল রক্ষা করা সম্ভব বলে তিনি জানিয়েছেন। এ জন্য তিনি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ও রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

     

  • বিজিবি’র বৃক্ষরোপন ও মাছের পোনা অবমূক্তকরণ কর্মসূচী

    তানভীর হোসাইন রাজু কুড়িগ্রামঃকুড়িগ্রামে বিজিবির উদ্দ্যেগে ফলজ,বনজ,ঔষধী গাছের চারা রোপন ও বিভিন্ন জাতের প্রায় চার হাজার মাছের পোনা অবমূক্তকরন করা হয়েছে।
    বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় কুড়িগ্রাম বিজিবি কম্পাউন্ডে কর্মসূচীর উদ্ভোধন করেন ২২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল চৌধুরী সাইফ উদ্দিন কাউসার পিবিজিএম।এসময় উপস্হিত ছিলেন,বিজিবির উপ-পরিচালক এবি শামসুল আলম,কুড়িগ্রাম পৌর মেয়র আব্দুল জলিল প্রমুখ ব্যাক্তি বর্গ।
  • বুবলীর পরিবারে বইছে আনন্দের হাওয়া যে কারনে…

    শবনম ইয়াসমিন বুবলী। বাংলা চলচ্চিত্রে এই সময়ের জনপ্রিয় একজন নায়িকা। সংবাদ পাঠিকা থেকে চিত্রনায়িকা হয়ে ওঠা ছিল বুবলীর পরিবারের কাছে সবচেয়ে আনন্দময় একটি ঘটনা। আসলে পরিবারে যে কোনও সুসংবাদই আনন্দময় সংবাদ হয়ে ওঠে।

    এই যেমন বুবলীর পরিবারে এখন আনন্দের ফল্গুধারা বইছে। কারণ বুবলীর ছোট ভাই এবার রাজধানীর রাজ উত্তরা মডেল কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। বুবলী নিজেই সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ছোটভাইয়ের জিপি ৫ পাওয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন। বুবলী জানান, ছোট ভাইয়ের জন্য বেশ গর্ব অনুভব করছেন। অবশ্য বুবলী নিজেও একজন মেধাবী ছাত্রী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করছেন।

    বুবলী ছোট ভাইয়ের জন্য সকলের নিকট দোয়া প্রার্থনা করে বলেন, ‘প্লিজ আমার ছোট ভাইয়ের জন্য সকলেই দোয়া করবেন।’ যদিও বুবলী তার ভাইয়ের নাম জানাননি এমনকী ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করেননি। শুধু খবরটাই হয়তো ভক্তদের দিতে চেয়েছেন।

    উল্লেখ্য, বুবলী বর্তমানে শাকিব খানের বিপরীতে ‘ক্যাপ্টেন খান’ ছবির কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। শাপলা মিডিয়ার ব্যানারে নির্মিতব্য ছবিটি পরিচালনা করছেন ওয়াজেদ আলি সুমন। আগামী কোরবানি ঈদে ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

     

  • কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনা কমিটির মেয়াদ বাড়ল ৯০ কার্যদিবস

    সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনা কমিটির মেয়াদ ৯০ কার্যদিবস বাড়িয়েছে সরকার।

    এই কমিটির মেয়াদ ১৫ কার্যদিবসের অতিরিক্ত আরও ৯০ কার্যদিবস বাড়িয়ে বৃহস্পতিবার আদেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

    নতুন করে আন্দোলন দানা বাঁধার প্রেক্ষাপটে গত ২ জুন সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনা করতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের নেতৃত্বে সাত সদস্যের এই কমিটি করে সরকার। কমিটিতে সাতজন শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাকে সদস্য করা হয়।

    কমিটিকে কমিটি গঠনের দিন থেকে ১৫ কর্মদিবস অর্থাৎ আগামী ২৩ জুলাইয়ের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল। সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলে সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘ঘোষণার’ ২ মাস ২২ দিন পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কোটা পর্যালোচনায় কমিটি করে।

    বর্তমানে সরকারি চাকরিতে নিয়োগে ৫৬ শতাংশ পদ বিভিন্ন কোটার জন্য সংরক্ষিত; এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩০ শতাংশ, নারী ১০ শতাংশ, জেলা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ৫ শতাংশ, প্রতিবন্ধী ১ শতাংশ।

    কোটার পরিমাণ ১০ শতাংশে কমিয়ে আনার দাবিতে কয়েক মাস আগে জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলে ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’, যা ঢাকার বাইরেও ছড়িয়ে পড়ে।

    আন্দোলনের একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১১ এপ্রিল সংসদে বলেছিলেন, কোটা পদ্ধতিই থাকবে না, এটা ‘বাতিল’। একইসঙ্গে ওই দিনই কোটা নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি করার কথাও বলেছিলেন, যে কমিটি পরবর্তী সুপারিশ করবে।

    তবে প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি সংসদে বলেছেন, কোটা পদ্ধতি থাকবে। মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ রাখতে হাইকোর্টের রায় আছে। কোটা পর্যালোচনা কমিটি গত ৮ জুলাই তাদের প্রথম সভা করে কর্মপন্থা নির্ধারণের পাশাপাশি সরকারি চাকরিতে কোটা সংক্রান্ত দেশি-বিদেশি সব ধরনের তথ্য সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেয়।

  • সিটি নির্বাচনে সেনাবাহিনী চান গয়েশ্বর

    রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক) নির্বাচনে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভোটের সাত দিন আগে সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর লক্ষ্মীপুর মোড়ে গণসংযোগকালে তিনি এ দাবি জানান।

    গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সাধারণ ভোটারদের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। মাইকিং করতে বাধা প্রদান করছে। নির্বাচনী প্রচারণায় কর্মীদের বাধা এবং গালিগালাজ করছে। এই অবস্থায় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

    তিনি বলেন, শুধু আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাই নয়, অতি উৎসাহী কিছু পুলিশ বাহিনীর সদস্যরাও বিএনপির প্রচারণায় বাধা দিচ্ছে। তাই শান্তিপূর্ণভাবে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে সেনা মোতায়েনের দাবি জানাচ্ছি।

    গণসংযোগকালে বিএনপি মনোনীত মেয়রপ্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট নাদিম মোস্তাফা, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন শওকত, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলনসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।