১৬, জুলাই, ২০১৮, সোমবার | | ৩ জ্বিলকদ ১৪৩৯



  • মিরপুর ও পল্লবী থানার ওসি বদলি

    ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ’র (ডিএমপি) পল্লবী থানা ও মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) বদলি করা হয়েছে।

    সোমবার ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই বদলি করা হয়।

    আদেশে মিরপুর মডেল থানার ওসি মো. নজরুল ইসলামকে পল্লবী থানায় এবং পল্লবী থানার ওসি মো. দাদন ফকিরকে মিরপুর মডেল থানার ওসি হিসেবে হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

    আদেশটি অবিলম্বে কার্যকরের নির্দেশ দেয়া হয়েছে

  • খালেদার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন গ্রহণের বিষয়ে আদেশ ২৯ আগস্ট

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে নিয়ে ‘কটূক্তি’র অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যে প্রতিবেদনটি দেয়া হয়েছে তা গ্রহণের বিষয়ে আদেশ দেয়ার জন্য আগামী ২৯ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত। সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সাঈদ এ দিন ধার্য করেন।

    এর আগে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির জন্য আদালতে আবেদন করেন মামলার বাদী জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী। আদালত আজ ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কোনো আদেশ দেননি।

    এর আগে গত ৩০ জুন ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহবাগ থানার ওসি (তদন্ত) জাফর আলী বিশ্বাস।

    মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের স্বাধীনতা চান নাই। তিনি চেয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রিত্ব। জেনারেল জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়ায় এ দেশের জনগণ যুদ্ধে নেমেছিল।’

    ওই সময় তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে উন্নয়নের নামে চলছে দুর্নীতি ও লুটপাট। দলীয় লোকদের জঙ্গি বানিয়ে নিরীহ লোকজনকে হত্যা করছে, সংখ্যালঘুদের বাড়ি-ঘর ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ করে লুটপাট ও হত্যা করছে। পুলিশ বাহিনী দিয়ে বিরোধীদলসহ ভালো ভালো লোককে গ্রেফতার, গুম ও হত্যা করছে। উন্নয়নের নামে পদ্মাসেতু ও ফ্লাইওভারের কাজ বিলম্ব করে ব্যয়বহুল অর্থ দেখিয়ে লুটপাট করছে। যার বিরুদ্ধে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হুকুম দিচ্ছি, তোমরা প্রতিটি গ্রামে-গঞ্জে নেমে এ সরকারের বিরুদ্ধে সব জনগণ ও যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ার ব্যবস্থা কর।’

    তার এমন বক্তব্যে ২০১৭ সালের ২৫ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম আব্দুল্লাহ আল মাসুদের আদালতে জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী বাদী হয়ে মামলাটি করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে শাহবাগ থানার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

  • তিন দিনের নবজাতক নিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে দশম শ্রেণির ছাত্রী!

    টাঙ্গাইলের সখিপুরে তিন দিন বয়সের নবজাত শিশু নিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন এক স্কুল ছাত্রী। ওই নববধু উপজেলার মৌশা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী।

    ওই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ওয়াহেদ আলীল ছেলে জাহিদ হাসান সাথে শালিশী বৈঠকে এ বিয়ে সম্পন্ন হয় বলে এলাকাবাসী জানায়। এ ঘটনায় ওই এলাকায় আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাহিদ হাসানের সাথে ওই স্কুল ছাত্রীর দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। এক পর্যায়ে মেয়েটি অন্ত:সত্বা হলে তার স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। এ ঘটনা জানা জানি হলে পরিবারের চাপে সম্পর্ক অস্বীকার করতে চায় জাহিদ। গত মঙ্গলবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওই ছাত্রীর এক কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। এর যথাযত বিচারের দাবীতে ওই ছেলে পরিবারের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন এলাকাবাসী। বাচ্চা প্রসব হওয়ায় মামলার ভয়ে ও এলাকাবাসীর চাপে সব কিছু মেনে নিতে বাধ্য হয় ছেলের পরিবার। বৃহস্পতিবার ওই এলাকায় স্থানীয় গন্যমান্যদের উপস্থিতিতে এক শালিশী বৈঠকে পাঁচ লক্ষ টাকা দেন মোহরের মাধ্যমে এ বিয়ের নিকাহ রেজিস্টার করা হয়।

  • মিথ্যাচার করা বিএনপির অভ্যাস: লিটন

    রাজশাহী সিটি নির্বাচনে বিএনপির নানা অভিযোগ নিয়ে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, ‘বিএনপি যে অভিযোগগুলো করেছে, তা নিয়ে আমরা চিন্তিত নই। কারণ মিথ্যাচার-অপপ্রচার করা বিএনপির অভ্যাস। তারা শুরু থেকেই মিথ্যাচার করে আসছে।’

    সোমবার নগরীতে গণসংযোগকালে সংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। লিটন বলেন, আমরা যে অভিযোগগুলো দিচ্ছি, সেগুলো একদম সত্য। আমরা এখনো আশা করি তাদের সুবুদ্ধির উদয় হবে। নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রেখে নির্বাচন করবে। জনগণ তাদের মতামত দিবে। সেই মতামত যেটাই হোক না কেন তাদের মেনে নিতে হবে। আমরাও জনগণের মতমত মেনে নেয়ার জন্য প্রস্তুত আছি।

    সোমবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে নগরীর বনপুকুর এলাকা থেকে দিনের গণসংযোগ শুরু করেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। এরপর কাদিরগঞ্জ, কাদিরগঞ্জ গ্রেটার রোড, দড়িখরবনা ও নিউমার্কেট এলাকায় দুপুর পর্যন্ত গণসংযোগ করেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ওয়ানডে সিরিজ নিয়ে যা বললেন সাকিব

    স্ত্রীর অসুস্থতার কারণে ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা দলের সঙ্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজ যেতে পারেননি। স্ত্রী সুমির শরীর ঠিক থাকলে আজ সোমবার তার যাওয়ার কথা রয়েছে। ওয়ানডে সিরিজ সামনে রেখে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিবের নেতৃত্বেই অনুশীলন করছে টিম টাইগার। আগামী রবিবার থেকে শুরু হবে ৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। টেস্ট সিরিজের হতাশা ভুলে সাদা বলের ম্যাচে কিছু করে দেখানোর আশার বাণী শোনালেন সাকিব।

    দুই টেস্টের সিরিজ দিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর শুরু করেছিল বাংলাদেশ। প্রথম অ্যান্টিগা টেস্টে আড়াই দিনে ইনিংস এবং ২১৯ রানে হারে বাংলাদেশ। তার চেয়েও বড় কথা, প্রথম ইনিংসে নিজেদের সর্বনিম্ন ৪৩ রানে অল-আউট হওয়ার লজ্জা পায় সাকিব আল হাসানের দল। দ্বিতীয় টেস্টে পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি হয়নি। স্কোর দেড়শ ছাড়াতে পারেনি। হারতে হয়েছে ১৬৬ রানে। হোয়াইটওয়াশের মাঝে স্বস্তি, দ্বিতীয় টেস্টে অন্তত ইনিংস ব্যবধানে হারতে হয়নি।

     

    এমন পরিস্থিতিতে ক্রিকেটারদের মনোবল ভেঙে যাওয়ায় স্বাভাবিক। তাছাড়া বাংলাদেশ এখনও প্রফেশনাল টিম হয়ে উঠতে পারেনি। কিন্তু দ্বিতীয় টেস্টে ৬ উইকেট নিয়ে ক্যারিবীয় ইনিংসে ধস নামানো সাকিব বললেন প্রফেশনালিজমের কথা। তার মতে, এই বড় ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে হবে সবাইকে। চোখ রাখতে হবে ওয়ানডে সিরিজে।

    বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডারের ভাষায়, ‘অবশ্যই টেস্ট সিরিজটি ছিল হতাশার। আগেও বলেছি, আমরা জানতাম সিরিজটি কঠিন হবে। তবে আমাদের আশা ছিল, আমরা আরও ভালো খেলব। সেটি হয়নি। এখন আমাদের সাদা বলের ক্রিকেটে তাকাতে হবে। সাদা বলে আমরা খুব ভালো করছি। এখানেও আশা করছি ভালো কিছুর।’

    দুই টেস্টের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়ে র‌্যাংকিংয়ে অবনতি হয়েছে বাংলাদেশের। ৯ নম্বরে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজ টানা দুই জয়ে উঠে এসেছে ৮ নম্বরে। বাংলাদেশ চলে গেছে সেই পুরনো স্থানে। ক্যারিবীয়দের সঙ্গে ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ১০ পয়েন্টের। একটি টেস্টও চার দিনে নিতে পারেনি বাংলাদেশ। প্রথমটি আড়াই দিনে আর দ্বিতীয়টি তিন দিনের কাছাকাছি গিয়েছিল। এবার দেখার পালা, মাশরাফির নেতৃত্বে কীভাবে ঘুরে দাঁড়ায় টিম টাইগার।

  • ওসমানী হাসপাতালে রোগীর স্বজনকে ধর্ষণের ঘটনায় তোলপাড়

    সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রোগীর স্বজনকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক ইন্টার্ন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাতের কোন এক সময় হাসপাতালের তৃতীয় তলার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। সোমবার (১৬ জুলাই) বিষয়টি জানাজানি হলে, দুপুরে হাসপাতাল থেকেই অভিযুক্ত ওই চিকিৎসককে আটক করে পুলিশ।

    ধর্ষিতার পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাতে অসুস্থ নানির সঙ্গে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের তৃতীয় তলার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ১৭ নম্বর বেডে ছিলেন নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া নাতনী। রাতে ফাইল দেখার কথা বলে ইন্টার্ন চিকিৎসক মাক্কাম আহমদ মাহী ওই মেয়েটিকে একই ফ্লোরে নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ করে। সকালে বাবা-মা হাসপাতালে আসার পর স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনা তাদের জানায়।

    সোমবার সকাল ৮টার দিকে মেয়ের বাবা-মা ওসমানী মেডিক্যালের পরিচালকের কাছে চিকিৎসক মাহীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। এর পর হাসপাতালের চিকিৎসক, পুলিশ ও স্কুলছাত্রীর স্বজনদের মধ্যে বৈঠক হয়। বেলা দেড়টা নাগাদ বৈঠক চলে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষই মাহীকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।

    মাক্কাম আহমদ মাহীর বাড়ি ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায়। তার বাবার নাম মোখলেসুর রহমান। তিনি ওসমানী মেডিক্যালের নাক, কান ও গলা বিভাগের ইন্টার্ন চিকিৎসক। ওই স্কুলছাত্রী তার পরিবারের সঙ্গে সিলেট মহানগরীতেই থাকে।

    জানতে চাইলে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার এ কে এম মাহবুবুল হক বলেন, ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা ওই স্কুলছাত্রীর স্বজনদের এবং ওই চিকিৎসককে নিয়ে বসি। মেয়ের পক্ষ এবং ওই ইন্টার্নের পক্ষ থেকে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। মেয়ের পরিবারের আনা অভিযোগ মাহী আস্বীকার করেছেন। বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সুরাহা না হওয়ায় মাহীকে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। মেয়েটিকে ওসিসিতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনা খতিয়ে দেখতে বিকালে তদন্ত কমিটি হবে। এছাড়া সব ওয়ার্ডে সিসি ক্যামেরা লাগানো আছে, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ফুটেজ সংগ্রহ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    সিলেট কোতোয়ালি থানার সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার গোলাম কাউসার দস্তগীর জানান, ধর্ষণের অভিযোগে ইন্টার্ন চিকিৎসক মাক্কাম আহমদ মাহীকে আটক করা হয়েছে। স্কুলছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

    এদিকে ধর্ষিত স্কুলছাত্রীকে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে হাসপাতালে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

  • আইন প্রণয়নে এগিয়ে, বাস্তবায়নে পিছিয়ে

    অর্থ পাচার প্রতিরোধে আইন ও বিধি প্রণয়নে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। তবে বাস্তবায়ন দুর্বলতায় ঠেকানো যাচ্ছে না অর্থ পাচার। তাছাড়া অর্থ পাচারকারীরা বেছে নিচ্ছেন অভিনব কৌশল। পাচারের বড় অর্থ যাচ্ছে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য আর মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির নাম করে। এমন পরিস্থিতিতে করণীয় ঠিক করতে
    সম্প্রতি তফসিলি ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের ডেকেছে বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগ-বিএফআইইউ।

    সূত্র মতে, দেশের অর্থ পাচার রোধে কীভাবে আরো শক্ত ভূমিকা রাখতে পারবে সেই নির্দেশনা দেওয়া হবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে। একই সঙ্গে আইন ও বিধি পরিপালনে যেসব ব্যাংকের ঘাটতি রয়েছে তাদেরকে সতর্ক করা হবে। মূলত সুশাসন ইস্যুটি এখানে অগ্রাধিকার পাবে।

    এ প্রসঙ্গে আলাপকালে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএফআইইউর জনৈক কর্মকর্তা বলেন, দেশের অর্থপাচার প্রতিরোধে আমরা আইনের পরিপালন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে ব্যাংকগুলোতে তাগিদ দেব। তাছাড়া ব্যাংকগুলো যেহেতু গ্রাহকের ব্যাংকার হিসেবে কাজ করছে, তাই তাদের কাছ থেকে অর্থ পাচার রোধে সুপারিশ নেওয়া হবে। সেগুলো ধরে পরে বিএফআইইউ কাজ করবে।

    সরকার অর্থ পাচার ঠেকাতে ২০০২ সালে অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন করে। এরপর আইনটি ২০০৮, ২০০৯, ২০১২ এবং ২০১৫ সালে চারবার সংশোধন হয়েছে। ২০১২ সালের সংশোধনীর আওতায় প্রতিষ্ঠা করা হয় বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগ। আইনে প্রদত্ত ক্ষমতা ও কার্যাবলী সম্পন্ন করতে আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটটি একটি পৃথক কেন্দ্রীয় সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।

    এদিকে পৃথক কেন্দ্রীয় সংস্থা হিসেবে গঠন করার ছয় বছর পার হলেও এখনো স্বতন্ত্র চরিত্র পায়নি বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগ-বিএফআইইউ। কেন্দ্রীয় এই আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থার কোনো লেটার হেড প্যাড, লোগো হয়নি। প্রতিষ্ঠার সাত বছরে অর্থ পাচারের কোনো ঘটনা তদন্তে সাফল্যও দেখাতে পারেনি কেন্দ্রীয় এই গোয়েন্দা সংস্থা। বর্তমানে ১৭টি রিপোর্টিং সংস্থা বিএফআইইউর সঙ্গে কাজ করছে।

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে অর্থ পাচারের ঘটনায় ৩১টি মামলা চলছে। তবে পানামা পেপারস, প্যারাডাইস পেপারস ও অফশোর লিকসসহ বিভিন্ন রিপোর্টে ৮৯ বাংলাদেশির অর্থ পাচারের তথ্য বেরিয়ে এসেছে। তবে এসব তথ্য বেরিয়ে এলেও প্রকৃত অর্থে অর্থ পাচারের ঘটনা ঘটেছে কি না তা অনুসন্ধান করে বের করতে পারেনি বিএফআইইউ। তবে সবশেষ দুদক পানামা ও প্যারাডাইস পেপারসে থাকা সাত ব্যক্তিকে তলব করেছে। এর মধ্যে একজন বিদেশি নাগরিক ছাড়া বাকিরা ব্যবসায়ী। তাদের আগামী সোমবার ও মঙ্গলবার হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।

  • বাংলার ‘দার্জিলিং’ দেখেছেন?

    বান্দরবান জেলা শহর থেকে প্রায় ৫২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্র৷ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২,২০০ ফুট উচ্চতায় এই পর্যটন কেন্দ্রটি অবস্থিত৷ এই জায়গা থেকে পর্যটকরা সহজেই মেঘ ছুঁতে পারেন বলে একে বাংলাদেশের দার্জিলিংও বলা হয়৷

    নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে যে দিকে চোখ যায় শুধুই সবুজ আর সবুজ৷ চারপাশে সবুজের সমারোহ আর নির্জন প্রকৃতি নীলগিরির অন্যতম আকর্ষণ৷

    নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্রে আছে বেশ কয়েকটি কটেজ৷ ফলে পর্যটকরা চাইলে পাহাড়চূড়ার এ পর্যটন কেন্দ্রটিতে সহজেই রাত যাপন করতে পারেন৷

    নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্রটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত৷ এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে আছে বান্দরবান সেনা রিজিয়ন৷ তাই দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় হলেও জায়গাটিতে নিরাপত্তার কোনো অভাব নেই৷

    নীলগিরি পর্যটন কমপ্লেক্সের পাশেই আরেকটি পাহাড়ে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ‘ম্রো’দের গ্রাম ‘কাপ্রু পাড়া’৷ নীলগিরিতে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকরা সহজেই দেখে আসতে পারেন আদিবাসী এই জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা৷

    নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্রের পাশেই পাহাড়িদের জুম ক্ষেতের মাঝে জুম ঘর৷ জুম চাষের এ দৃশ্য দেখা যাবে জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত৷

    বান্দরবান থেকে নীলগিরি যেতে পাহাড়ি পথের ধারে নিজেদের নানান হস্তশিল্প বিক্রি করেন ক্ষুদ্র-নৃ গোষ্ঠীর মানুষেরা৷ পর্যটকরা সহজেই কিনতে পারেন এসব আকর্ষণীয় পণ্য৷

    যেভাবে যাবেন
    বান্দরবান শহর থেকে নীলগিরির যোগাযোগ ব্যবস্থা বেশ ভালো৷ শহর থেকে জিপ ভাড়া করে সহজেই যাওয়া যায় সেখানে৷

  • ভিজিট করতে না দিলে ডাক্তাররাই না খেয়ে মরবে’

    ‘আরে সাংবাদিকরা তো পত্রিকায় কত কথাই লিখে। তাদের লিখার কাজ তারা লিখুক। ওইসব দেখার সময় আমাদের নাই। সাংবাদিকরা পত্রিকায় লিখলেই কি আমাদের ভিজিট বন্ধ হয়ে যাবে? হাসপাতালের ডাক্তারদের প্রয়োজনেই আমাদের ভিজিট করার সুযোগ করে দিবে। আমাদের ভিজিট করতে না দিলে ডাক্তাররাই না খেয়ে মরবে’।

    সোমবার (১৬ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে গাজীপুরের কালীগঞ্জে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর চিকিৎসকদের সাথে সাক্ষাত শেষে তার সহকর্মীদের সাথে দাম্ভিকতার সাথে কথাগুলো বলছিলেন মাজহারুল ইসলাম নামের এক ঔষধ বিক্রয় প্রতিনিধি।

    গত জুন মাসে ওষুধ বিক্রয় প্রতিনিধিদের দৌরাত্ব! শিরোনামে একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দুই-তিন দিন ঔষধ বিক্রয় প্রতিনিধিদের হাসপাতালে প্রবেশ বন্ধ করে দেন। কিন্তু কয়েকদিন পরেই আবার আগের রূপ নেয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি। সংবাদ প্রকাশের দুই সপ্তাহ পর ফলোআপ সংবাদের জন্য সোমবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে পূর্বের মতই ওষুধ বিক্রয় প্রতিনিধিদের দৌরাত্ব লক্ষ করা যায়।

    এদিকে সরেজমিন পরিদর্শনে এসব ওষুধ বিক্রয় প্রতিনিধিদের দাম্ভিকতার কারণ হিসেবে জানা যায়, হাসপাতালে নিয়োজিত ডাক্তারগণ তাদের নির্দেশমত ব্যবস্থাপত্রে ঔষধের নাম লিখে একটা মোটা অংকের টাকা পেয়ে থাকেন। যে কারণে তারা রোগীদের চেয়ে ঔষধ বিক্রয় প্রতিনিধিদের প্রাধান্য দিয়ে থাকেন বেশী।

    তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাক্তার মোহাম্মদ ছাদেকুর রহমান আকন্দ জানান, ঔষধ বিক্রয় প্রতিনিধিরা সপ্তাহে শুধুমাত্র দুইদিন (রবি ও বুধবার) দুপুর ১২টার পর হাসপাতাল ভিজিট করে থাকে। যদি নির্দিষ্ট বার ছাড়া হাসপাতালে তারা আসে প্রয়োজনে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • লম্বা হবার প্রাকৃতিক উপায়!

    নিজেদের উচ্চতা ঠিক করার জন্য ছোটকাল থেকেই কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। তাহলে বয়সের সাথে সাথে উচ্চতার পরিমাণ সঠিক থাকবে। কম উচ্চতার কারণে অনেকের মাঝে অসন্তোষের সৃষ্টি হয়। কম উচ্চতা কারও পছন্দ নয়। শৈশব থেকেই অনেক তরুণ-তরুণী নিজদের ব্যক্তিত্ব নিয়ে অনেক বেশি চিন্তায় থাকেন। একটি বিশুদ্ধ প্রাকৃতিক উপায়ে আপনার সন্তানের উচ্চতা শৈশব থেকেই প্রাকৃতিক উপায়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে। আপনার শিশুর উচ্চতা কীভাবে বৃদ্ধি করবেন, আসুন সে সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক-

    ১. সুষম খাদ্য:

    একটি দৈনিক ভিত্তিতে তাজা ফল ও সবজি থেকে শুরু করে দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার পর্যন্ত সবকিছু অন্তর্ভুক্ত করা হলে তাই হল সুষম খাদ্য তালিকা। দুধ শুধু সার্বিক স্বাস্থ্যই ভাল করে না, সাথে সাথে এটি হাড়ের খনিজ ও হাড়ের ভর বাড়িয়ে হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে। দুধে হাড়ের প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম ও অপরিহার্য খনিজ উপস্থিত রয়েছে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পনির, দই ও অন্যান্য দুগ্ধজাতীয় খাবার যোগ করতে পারেন।

    ২. পানি পান করুন:

    আপনার সন্তানদের ক্যাফিনযুক্ত পানীয় ও কার্বনেটেড পানীয় থেকে দূরে রাখুন এবং তারা প্রতিদিনের মধ্যে যেন অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করে তা নিশ্চিত করুন। এটি শরীরের বিপাক বৃদ্ধি করে হজম শক্তি উন্নত করে আমাদের হজমের উন্নতি করে এবং হাড় দ্রুত বৃদ্ধির জন্য সাহায্য করে।

    ৩. পর্যাপ্ত ঘুম:

    বিভিন্ন পরীক্ষার দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে যে, ঘুমের সময় আমাদের শরীরের টিস্যু প্রসারিত হয় এবং আমাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের বৃদ্ধি হয়। তাই শিশুদের সে সময় পর্যাপ্ত ঘুমের অনেক বেশি প্রয়োজন। প্রতিদিন গরম পানিতে গোসল করলে গভীর ঘুম হবার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায় এবং অন্তত ৮ থেকে ১১ ঘণ্টা ঘুমালে একজন মানুষ তার সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে।

    ৪. সহজ ব্যায়াম:

    শারীরিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য আপনার সন্তানকে শৈশবকাল থেকেই বিভিন্ন ক্রীড়া কার্যক্রম ও নিয়মিত ব্যায়াম করতে উৎসাহিত করুন। বিভিন্ন ধরণের খেলা যেমন- ফুটবল, বাস্কেটবল, ক্রিকেট, সাঁতার, ভলিবল, টেনিস ইত্যাদি খেলায় তাদের সম্পৃক্ত করতে পারেন। এছাড়াও দড়িলাফ খেলা খেলতে পারেন। শরীরের জন্য সবচেয়ে ভাল ব্যায়ামের খেলার মধ্যে এটি অন্যতম।

    ৫. যোগব্যায়াম:

    সঠিক শ্বাসপ্রশ্বাস নেয়ার কারণে আমাদের শরীরের সমস্ত অঙ্গ মানসিক চাপমুক্ত হয়। যোগব্যায়ামে এমন কিছু ব্যায়াম রয়েছে যা পালন করলে উচ্চতা বৃদ্ধি পায়। তাই সেই ব্যায়ামগুলো শিশুদের শিখাতে পারেন।