২১, অক্টোবর, ২০১৮, রোববার | | ১০ সফর ১৪৪০



  • জামিন বাতিল, খসরু কারাগারে

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের হওয়া মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

    আজ রোববার দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আকবর হোসেন মৃধার আদালত এই আদেশ দেন।

    আসামিপক্ষের আইনজীবী মফিজুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে নগরের কোতোয়ালী থানায় দায়ের মামলায় আমীর খসরু পুনরায় জামিন আবেদন করেছিলেন। আদালত শুনানি শেষে জামিন আবেদন মঞ্জুর না করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।’

    তিনি আরও জানান, এর আগে গত ৭ অক্টোবর ছয় সপ্তাহের জামিন শেষ হয়। সে সময় আদালতে হাজির হয়ে তিনি সেদিন জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক আজ ২১ অক্টোবর পর্যন্ত তার জামিন মঞ্জুর করেছিলেন। এ ছাড়া নিম্ন আদালত থেকে মামলার নথিও পূর্ণাঙ্গ জামিন শুনানিতে উপস্থাপনের জন্য আদালত নির্দেশনা দেন। এরই ধারাবাহিকতায় আজকে আদালতে হাজির হয়ে পুনরায় জামিনের জন্য আবেদন করেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

    এ আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে বলেও জানান আইনজীবী মফিজুল হক ভূঁইয়া ।

    এর আগে গত ৪ আগস্ট রাতে আমীর খসরুর বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭(২) এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে নগরের কোতোয়ালী থানায় মামলা করেন চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীর।

    মামলার এজাহারে বলা হয়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছিলেন। নৈরাজ্য সৃষ্টির উদ্দেশে তিনি উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন।

    প্রসঙ্গত গত ৪ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়। এটি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই ক্লিপে কুমিল্লা থেকে নওমী নামের একজনের সঙ্গে কথা বলতে শোনা যায়। নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে মানুষজনকে নামানোর জন্য কথা বলতে শোনা যায় তাকে।

  • যেকোনো সময় প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়তে পারি: মাহাথির

    নিজের ইচ্ছায় নয় বরং জনগণের ইচ্ছায় আবারো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানিয়েছেন আধুনিক মালয়েশিয়ার স্থপতি মাহাথির মোহাম্মদ। এছাড়া যেকোনো সময় প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়তে রাজি আছেন বলেও জানান দেশটির দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা মাহাথির। খবর স্টার অনলাইনের।

    রবিবার দেশটির টেক্সিচালকদের সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠককালে এমন মন্তব্য করেন তিনি। একটি সেবা চালুর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একমত হতে পারছিলেন না ট্যাক্সিচালক সংগঠনের কয়েকজন নেতা। বৈঠকের মাঝে তারা কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান।

    এরপরই কিছুটা ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের উদ্দেশ্যে মাহাথির বলেন, ‘যদি আপনারা আমার ওপর বিশ্বাস না করেন তাহলে আপনারা করেন। দেখেন কী ঘটে। আমি আপনাদের সহযোগীতা করতে চাই।’

    এরপর তিনি বলেন, ‘এটি এমন না যে আমি প্রধানমন্ত্রী থাকতে চাই। আমি অবসর নিয়েছিলাম। কিন্তু জনগণ আবারো আমাকে এই পদে ফিরিয়ে এনেছে সেকারণেই আমি এখানে এসেছি। যদি আপনারা আমাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে না চান তাহলে আমি আজই পদত্যাগ করতে পারি। এটি আমার জন্য কোনো সমস্যা না।’

    গত মে মাসে আনোয়ার ইব্রাহিমের দলের সঙ্গে জোট বেধে নির্বাচনে জয়লাভ করে প্রায় দেড়যুগ পর আবারো মালয়েশিয়ার মসনদে বসেন মাহাথির। রাজনীতি থেকে অব্যাহতি নিলেও পরবর্তীতের নাজিব রাজাক সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে তিনি আবারো রাজনীতির মাঠে আসেন। তবে এবার আর পূর্ণমেয়াদে ক্ষমতায় থাকতে পারবেন না তিনি। দুই বছরের মধ্যে পাকাতান হারাপান জোটের প্রধান নেতা আনোয়ার ইব্রাহিমের কাছে প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়তে হবে তাকে। তবে প্রধানমন্ত্রী পদ ছাড়তে তার যে কোনো আফসোস নেই এই কথার মাধ্যমে সেটিই হয়তো প্রকাশ করলেন তিনি।

  • বিএনপির কালো পতাকা মিছিল থেকে চার নেতাকর্মী আটক

    ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে তারেক রহমানসহ বিএনপি নেতাদের দণ্ডের প্রতিবাদে রাজশাহীতে বিএনপির বের করা কালো পতাকা মিছিল থেকে চার নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

    রবিবার সকালে নগরীর ভুবন মোহন এলাকা থেকে তাদের আটক করে পুলিশ।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কালো পতাকা মিছিল নিয়ে মিজানুর রহমান মিনুর নেতৃত্বে বিএনপি নেতাকর্মীরা ভুবন মোহন পার্কের দিকে যাওয়ার সময় পুলিশ চারজনকে আটক করে। পরে সেখানে সমাবেশ করে বিএনপি।

    নগরীর বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানউল্লাহ জানান, ওই চারজন পেছন থেকে বিশৃংঙ্খলা সৃষ্টি করছিলেন। জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থেই তাদের আটক করা হয়েছে।

  • নড়াইলে মাতলামি করে কায়স্থপাড়া সার্বজনীন পূজামন্ডপে ভাঙচুরের অভিযোগ

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল প্রতিনিধি : মদপানে মাতলামি করে নড়াইলের তুলারামপুর ইউনিয়নের চাঁচড়া কায়স্থপাড়া সার্বজনীন পূজামন্ডপে চেয়ার ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    এ ঘটনায় পূজামন্ডপ চত্বরে মন্ডপের নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা আলোচনায় বসলেও কোনো সমাধান হয়নি। বিষয়টির সুষ্ঠু বিচার না হলে পূজামন্ডপ কমিটির সভাপতি অশোক সরকার পদত্যাগ করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। চাঁচড়া কায়স্থপাড়া সার্বজনীন পূজামন্ডপ উদযাপন পরিষদের নেতারা জানান, চাঁচড়া গ্রামের গৌতম সরকারের ছেলে চয়ন সরকারসহ (১৭) ১০ থেকে ১২ জন বন্ধু মিলে শুক্রবার প্রতিমা বিসর্জনের আগে রাত ১১টার দিকে মদপানে মাতলামি শুরু করে। পূজামন্ডপ উদযাপন পরিষদের নেতারা বারবার নিষেধ সত্ত্বেও তারা কর্ণপাত করেনি। বরং পূজামন্ডপের চেয়ারসহ আশেপাশের বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করে এবং পূজামন্ডপের সভাপতি অশোক সরকারকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে চয়নসহ তার বন্ধুরা।

    এ সময় পূজামন্ডপে উপস্থিত হিন্দু ধর্মালম্বী নারী, পুরুষ ও শিশুদের মাঝে ভীতি সৃষ্টি হয়।এ ঘটনায় চাঁচড়া কায়স্থপাড়া সার্বজনীন পূজামন্ডপ উদযাপন পরিষদের সভাপতি অশোক সরকারসহ নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে বিভিন্ন ধরণের আনন্দ-বিনোদন ও পূর্জা-অর্চনা সমর্থন করা গেলেও মদপানে মাতলামি মেনে নেয়া যায় না। এ ব্যাপারে শনিবার (২০ অক্টোবর) পুলিশকে অবগত করা হয়েছে। তবে, চয়ন সরকার মদপান করার বিষয়টি স্বীকার করলেও ভাঙচুরের বিষয়টি অস্বীকার করে

  • নির্বাচন কমিশনারের ছুটি রহস্যজনক : রিজভী

    নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার যে ছুটি নিয়েছেন তা ‘রহস্যজনক’বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী। রোববার সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।

    রিজভী বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার সাহেবকে আক্রমণ করে আওয়ামী লীগ নেতারা যে বক্তব্য দিচ্ছেন তা সন্ত্রাসী আচরণ। তিনি এ গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কেন ছুটি নিয়েছেন, নাকি নিতে বাধ্য হয়েছেন তাও রহস্যজনক। ইসিকে সর্বোচ্চ চাপে রেখে কাজ করাচ্ছে সরকার।’

    তিনি বলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ কতিপয় কমিশনার ও কর্মকর্তারা নিজেরা যে আচরণবিধি তৈরি করছেন তা সুষ্ঠু নির্বাচন পরিপন্থি। কারণ এ কমিশনের কয়েকজন আধিকারিক কমিশনের ক্ষমতা কমিয়ে সরকারকে দিতে চান। সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন করার নজির পৃথিবীর কোথাও নেই। অথচ প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনের সময় সংসদ সদস্যদের ক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টির আইন করতে চাচ্ছেন।’

    রিজভী বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচন নিয়ে চারদিকে নৈরাশের ছবি। সরকার পুনরায় একতরফা নির্বাচন করার জন্য এখন এজিদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে বিরূপ মনোভাবের সৃষ্টি হচ্ছে। ইইউ ইসিকে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে তারা আগামী সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাবে না। অন্যান্য দাতা ও সাহায্য সংস্থা, বিদেশি মিশন থেকেও নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাবে কি না তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে।’

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার যথাযথ চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না অভিযোগ করে রিজভী বলেন, ‘সরকারের ইচ্ছায় খালেদা জিয়া যে সুচিকিৎসা পাবেন না সে আশঙ্কা আমরা পূর্বেই করেছিলাম। এ বিষয়ে বার বার আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসীকে অবহিত করা হয়েছে। বিএসএমএমইউতে তার যে ফিজিওথেরাপি দেয়া হয় সেটিও পর্যাপ্ত নয়। তার ব্যক্তিগত বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য, অথচ এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা ছিল।’

    রিজভী বলেন, ‘আমি আবারও খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা নিশ্চিতের জন্য তার পছন্দ মতো চিকিৎসক এবং হাসপাতালের ব্যবস্থা করার জোর দাবি জানাচ্ছি।’

    তিনি বলেন, ‘বেআইনি ভাবে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার রায় নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৯ অক্টোবর। আমরা আগেই বলেছি, বিবাদীর অনুপস্থিতিতে মামলার রায় নির্ধারণ পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন। সরকার প্রধানের নির্দেশেই সম্পূর্ণ প্রতিহিংসামূলক এ রায়ের দিন ধার্য করা হয়েছে। সে জন্যই রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা আদালতের ওপর চাপ সৃষ্টি করে রায়ের দিন ধার্য করে নিয়েছে। আরেকটি ফরমায়েশি রায় হতে যাচ্ছে কিনা তা দেখার জন্য দেশবাসী প্রহর গুনছে। এ আদালতে ন্যায়বিচার পাওয়া যাবে কিনা সেই প্রশ্নও মানুষের মনে জেগে উঠছে।’

    সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, সহ-দফতর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেন প্রমুখ।

  • প্রধানমন্ত্রীর হাতে ক্যামেরা…

    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।

    প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বর্তমানে দেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, শেখ হাসিনা আর তার দুঃখ-সুখের অংশীদার হলেন একমাত্র ছোট বোন শেখ রেহানা।

    ব্যক্তিগত দুঃখ-বেদনাকে এক সঙ্গে ভাগ করে নেন দু’জনে। তেমনি ভাগ করে নেন হাসি-আনন্দের জন্য মেলা সময়কেও। বঙ্গবন্ধুর এই দুই কন্যার সম্পর্ক অত্যন্ত দৃঢ়। যখনই সময় পান এক সঙ্গে থাকতে চেষ্টা করেন।

    সম্প্রতি বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য দুই কন্যার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

    ২০১৮ সালের এপ্রিলে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে তোলা ওই ছবিতে হাস্যোজ্বল শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার দেখা মেলে।

    অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে এক স্নিগ্ধ সময় কাটাচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা। একজন দাঁড়িয়েছিলেন সিডনি শহরকে ব্যাকগ্রাউন্ড করে। আর অপরজন (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) তার সেই হাসি মুখ মোবাইলের ক্যামেরায় বন্দি করছিলেন।

    সেই সময় এই অসাধারণ মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দি করেন ফটো সাংবাদিক ইয়াসিন কবির জয়। আর সেই ছবিটি শনিবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে নিজের ফেসবুকে শেয়ার করেন। এরপরই ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

    ছবির ক্যাপশনে ইয়াসিন কবির জয় লিখেন, ‘অন্য আলোয়, মমতাময়ী বঙ্গবন্ধু কন্যাদ্বয়। আদরের ছোট বোন শেখ রেহানার সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের মানুষের কাছে রেখে যাওয়া বঙ্গবন্ধুর দুই আমানত…’

    শনিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব আশরাফুল আলম খোকন, ‘দেশের মানুষের কাছে রেখে যাওয়া বঙ্গবন্ধুর দুই আমানত…’ ক্যাপশন দিয়ে ফেসবুকে ছবিটি শেয়ার করেন। এরপর মুহূর্তেই সেটি ভাইরাল হয়ে যায়।

  • ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে রোনালদোর অনন্য কীর্তি

    বর্তমান যুগের সেরা ফুটবলার কে, সেই বিতর্ক না হয় পেছনেই রাখা হলো। একটি জায়গায় কিন্তু সবার উপরে জায়গা করে নিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। শনিবার রাতে ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ইউরোপের সেরা পাঁচ লিগে ৪০০ গোল করার কীর্তি গড়েছেন পর্তুগিজ যুবরাজ।

    ম্যাচের ১৮ মিনিটেই রোনালদোর গোলে এগিয়ে যায় জুভেন্টাস। তারপরও অবশ্য জেনোয়ার কাছে হোঁচট খেয়েছে জুভরা। ম্যাচটি শেষ হয়েছে ১-১ সমতায়।

    চলতি সিরিআ’তে জুভেন্টাসের হয়ে পঞ্চম গোলের দেখা পেয়েছেন রোনালদো। এর আগে, তিনি ৮৪টি গোল করেছেন প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার সিটির পক্ষে। আর পর্তুগিজ যুবরাজের সবচেয়ে বেশি গোল লা লিগায় রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে, ৩১১টি। সবমিলিয়ে হলো ৪০০ গোল।

    প্রসঙ্গত, রোনালদো গত জুলাইয়ে ৮৮ মিলিয়ন পাউন্ড ট্রান্সফার ফিতে যোগ দেন জুভেন্টাসে। তাতে রিয়ালের সঙ্গে নয় বছরের সম্পর্কচ্ছেদ হয় পর্তুগিজ ফরোয়ার্ডের।

  • নির্বাচন কর্মকর্তাদের যে নির্দেশনা দিল সিইসি

    ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন সে জন্য কাজ করার জন্য নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা।

    রবিবার (২১ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাও-এ নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটে (ইটিই) এক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন তিনি।

    একাদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষ্যে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ (টিওটি) ও ইভিএম ব্যবহার সংক্রান্ত এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

    সিইসি বলেন, নির্বাচন করতে রাজনৈতিক দল ও ইসির মধ্যে দুরত্ব কমিয়ে ফেলতে হবে।

    তিনি বলেন, নির্বাচনে বুথ বসানো নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর অনুরোধ থাকে। যার কিছু কিছু যৌক্তিক। তবে আমাদেরকে রাজনৈতিক দলের কথায় নয় বরং ভোটারের সার্থ রক্ষা করে কাজ করতে হবে। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন সে ব্যবস্থা করতে হবে।

    দেশের বিভিন্ন জেলায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ইভিএম প্রদর্শনের পর ইতিবাচক মূল্যায়ন পাওয়া গেছে জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেন, জাতীয় উন্নয়ন মেলার মাধ্যমে বিভিন্ন জেলায় প্রদর্শনের পর এই ইতিবাচক মূল্যায়ন (ফিডব্যাক) পাওয়া গেছে।

    সিইসি বলেন, আগের ব্যবস্থা থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে৷ ব্যালট বক্স রাত থেকে পাহারা দিতে হয়। ইভিএমে লাগে না। বরং ইভিমের মাধ্যমে নির্বাচনের ফলাফল দিনের মধ্যে আধুনিক পদ্ধতিতে প্রকাশ করা যায়।

    তিনি আরও জানান, রাজনৈতিক দলগুলো সম্মত হলে নির্বাচনের আগে পুলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে নির্বাচন কমিশন। এতে করে পুলিং এজেন্টরা তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে আরও সচেতন হবে।

    যার ফলে নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে আরও সহজ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    সভায় আরও বক্তব্য রাখেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ এবং ইটিআই মহাপরিচালক মোস্তফা ফারুক।

  • আফগানিস্তানে রক্তাক্ত নির্বাচন হতাহত ১৭০

    ভোটের দিনেও রক্তাক্ত হলো আফগানিস্তান। শনিবার ভোট শুরুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বেশ কয়েকটি প্রদেশের ভোটকেন্দ্রে আত্মঘাতী হামলা হয়। দিনভর এ হামলায় হতাহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৭০ জন। রাজধানী কাবুলের একটি ভোট কেন্দ্রে এ আত্মঘাতী হামলায় ১৫ জন নিহত হয়।

    আহত ২০ জন। কুন্দুজে নিহত হয় ৩ জন, আহত ৩৯। পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশের নানগড়েও ৮টি বিস্ফোরণ শোনা যায়। সেখানে নিহত ২, আহত ৫। এসব কারণে ভোটের দিন আরও একদিন বড়ানো হয়েছে। কিছু প্রদেশে আজও ভোটগ্রহণ চলবে। ১০ নভেম্বর প্রাথমিক ফল প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। প্রায় ১৭ বছর পর নিরাপত্তা ও তালেবানদের হুমকির মুখেই শেষপর্যন্ত আফগানিস্তানে সংসদীয় নির্বাচনে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হল।

    এবারের নির্বাচনে ২৫০টি আসনের জন্য অনেক নারীসহ ২৫০০ জনেরও বেশি ভোট প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বেশিরভাগ ভোট প্রার্থীই তরুণ ও শিক্ষিত। সংঘাতময় দেশটিতে পরিবর্তন আনার বার্তা দিয়েছেন তারা। বেশিরভাগ আফগাই মনে করেন সব রাজনীতিবিদই দুর্নীতিগ্রস্ত ও অকার্যকর।

    ভোট গ্রহণ শুরুর পরে নিরাপত্তার কারণে ৩০ শতাংশ এরও বেশি ভোট কেন্দ্র বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ভোটের আগে আগে নির্বাচনী প্রচারণার সময়েই প্রাণ হারিয়েছে ১০ জন। তবে কান্দাহার প্রদেশের পুলিশ প্রধানের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সেখানে ভোটগ্রহণ এক সপ্তাহ পেছান হয়েছে। দেহরক্ষীর গুলিতে নিহত হন পুলিশ প্রধান জেনারেল আবদুল রাজিক।

    নির্বাচনকে সামনে রেখে নব্বই লাখ ভোটারের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সেখানকার সময় সকাল ৭টার দিকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। ৭০০০টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে নিরাপত্তার সংশয়ের মধ্যেই খোলা ছিল ৫০০০ ভোট কেন্দ্র। তালেবান জঙ্গিরা এই ভোটকে ‘মিথ্যা’ নির্বাচন অ্যাখ্যা দিয়ে বয়কট করতে বলেছে সবাইকে। আইএসও এ বিষয়ে তাদের অনুসরণ করেছে। ভোটকে কেন্দ্র করে অন্তত ৫৪ হাজার নিরাপত্তাকর্মীকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

  • প্রথমবার বিচারকের আসনে ইমরান-কোনাল

    ক্ষুদে শিল্পীদের অংশগ্রহণে শুরু হতে যাচ্ছে সঙ্গীত বিষয়ক প্রতিযোগিতা ‘এসিআই এক্সট্রা ফান কেক চ্যানেল আই গানের রাজা’। আগামী ২৬ অক্টোবর রংপুরে অডিশনের মাধ্যমে এই প্রতিযোগিতার প্রাথমিক বাছাই শুরু হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে অডিশন চলবে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, চট্টগ্রাম এবং সর্বশেষ ঢাকায়।

    এ প্রতিযোগতার প্রতিটি বিভাগ থেকে পৃথক অডিশনের মাধ্যমে প্রতিযোগী নির্বাচন করা হবে। এটিতে অংশ নিতে নিবন্ধন শুরু হয়েছে গত ৪ অক্টোবর থেকে। চলবে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত। ৬ থেকে ১৩ বছর বয়সী শিশুরা এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে। সম্প্রতি চ্যানেল আই থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    সাত বিভাগীয় শহরে অডিশন শেষে শুরু হবে ‘গানের রাজা’র গ্র্যান্ড এপিসোড। এই প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই বিচারকের দায়িত্ব পালন করবেন হালের জনপ্রিয় দুই সঙ্গীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল ও সোমনূর মনির কোনাল। গ্র্যান্ড অডিশন থেকে বিচারক হিসেবে যোগ দেবেন তারা।

    ইমরান ও কোনাল দুজনেই প্রথমবারের মতো কোনো সঙ্গীত প্রতিযোগিতার বিচারকের দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন। এ প্রসঙ্গে ইমরান বলেন, ‘ফান হবে, গান হবে। কোনো রকম চাপ ছাড়া আনন্দের সঙ্গেই দায়িত্বটি পালন করতে চাই। আশা করি যোগ্য শিল্পী বের করে আনতে পারব।’

    অন্যদিকে কণ্ঠশিল্পী কোনাল জানান, ‘এই প্রথম বিচারকের আসনে বসতে যাচ্ছি। আশা করছি, বাচ্চাদের মধ্যে থেকে যোগ্য শিল্পী নির্বাচন করতে পারব। সেখান থেকে আমিও অনেক কিছু শিখতে পারব। অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। বন্ধুর মতো বাচ্চাদের সঙ্গী হয়ে থাকব।’

    এদিকে আয়োজক পক্ষ জানায়, প্রতিযোগিতার সব কিছুতেই থাকবে ভিন্নতা। শিশুরা পার্কে খেলবে, দোলনাতে চড়বে, খেলতে খেলতে গাইবে, বিচারকরা খেলতে খেলতে শেখাবেন। সারাদেশ থেকে অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগীদের নানা প্রক্রিয়ায় গ্রুমিং এবং তালিমের মাধ্যমে ৪০টি পর্বের পর ‘গানের রাজা’কে নির্বাচিত করা হবে।

    সঙ্গীত বিষয়ক এ প্রতিযোগিতাটি উপস্থাপনা করবেন সুপ্রিয়া প্রতিভা। পরিচালনা করবেন তাহের শিপন। ২০০৮ সাল থেকে ‘ক্ষুদে গানরাজ’ নামে একটি প্রতিযোগিতারও আয়োজন করে চ্যানেল আই। এই প্রতিযোগিতা থেকেই উঠে এসেছিলেন হালের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী পড়শী। এবার ‘গানের রাজা’ কোনো পড়শীকে আনতে পারে কিনা তার জন্যই অপেক্ষা।